হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার

শহিদুল ইসলাম::

শহিদুল ইসলাম::

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবা বড়িসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আনজুমানপাড়া সীমান্তসংলগ্ন ফাইস্যা…

কক্সবাজারের উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবা বড়িসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আনজুমানপাড়া সীমান্তসংলগ্ন ফাইস্যাখাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার নলবনিয়া মোছার খোলা গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে ভুট্টো (৩৮) ও আব্দুল করিমের ছেলে আমির হামজা (২৬)।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিজিবি সুত্রে জানা যায়,গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল গতকাল দিবাগত ১টা ১০ মিনিটে আনজুমানপাড়া এলাকার ফাইস্যাখালে অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমারের দিক থেকে দুজনকে পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

বিজিবির সদস্যরা তাঁদের থামার সংকেত দিলে তাঁরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে বিজিবির সদস্যরা তাঁদের আটক করেন।

আরও পড়ুন

কক্সবাজারে বাসে ২৬ কেজি গাঁজা, নারীসহ গ্রেপ্তার ২

আটকের পর তাঁদের সঙ্গে থাকা পোটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ইয়াবা পাওয়া যায়। বিজিবির হিসাবে, এসব প্যাকেটে মোট এক লাখ ইয়াবা বড়ি ছিল।

বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করার কথা স্বীকার করেছেন। ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবা বড়িসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

উখিয়া
Card Image

উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম:: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবা বড়িসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আনজুমানপাড়া সীমান্তসংলগ্ন ফাইস্যাখাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার নলবনিয়া মোছার খোলা গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে ভুট্টো (৩৮) ও আব্দুল করিমের ছেলে আমির হামজা (২৬)। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বিজিবি সুত্রে জানা যায়,গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল গতকাল দিবাগত ১টা ১০ মিনিটে আনজুমানপাড়া এলাকার ফাইস্যাখালে অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমারের দিক থেকে দুজনকে পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিজিবির সদস্যরা তাঁদের থামার সংকেত দিলে তাঁরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে বিজিবির সদস্যরা তাঁদের আটক করেন। আটকের পর তাঁদের সঙ্গে থাকা পোটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ইয়াবা পাওয়া যায়। বিজিবির হিসাবে, এসব প্যাকেটে মোট এক লাখ ইয়াবা বড়ি ছিল। বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করার কথা স্বীকার করেছেন। ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×