হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

একটি শ্রেণি আওয়ামী লীগ ধাঁচে নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখছে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৫২ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম, ১৯ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, একটি শ্রেণি আওয়ামী লীগ ধাঁচে নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখছে। বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী ধাঁচের কোনো নির্বাচন জনগণ আর হতে দেবে না। জুলাই হত্যাকাণ্ডের দৃশ্যমান বিচার শেষে পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর চট্টগ্রাম মহানগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেটে জামায়াত আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রফিকুল এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

জুলাই সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অংশ হিসেবে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে নিউমার্কেট মোড়ে গিয়ে আবারও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়।

জামায়াতের পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো- জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন, নির্বাচনে সংসদের উভয়কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু, অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম ও গণহত্যা, দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

সমাবেশে রফিকুল বলেন, আমরা যে দাবির জন্য রাজপথে নেমেছি, এসব দাবি বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান ড. ইউনূস জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ফ্যাসিবাদী ও তাদের দোসরদের দৃশ্যমান বিচার এবং পাচারকৃত টাকা ফেরত ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করবেন।

পিআর নির্বাচন পদ্ধতির পক্ষে গণভোটের দাবি জানিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমরা চ্যালেঞ্জ নিচ্ছি, গণভোট দিন। জনগণ পিআরের পক্ষে আছে না কি বিপক্ষে আছে। জনগণ যদি পিআর মানে অন্তর্বর্তী সরকারকেও মানতে হবে। আর জনগণ যদি বিপক্ষে যায় আমরা তা মেনে নেব।

জামায়াত নেতা দাবি করেন, ফ্যাসিবাদের দোসরদের রাজনীতি অকার্যকর করে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের দৃশ্যমান বিচার করতে হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুল আমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শাহজাহান বলেন, গোটা জাতি উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে আছে। কেউ কেউ আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে জামায়াত না কি নির্বাচন পেছাতে চায়। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, জামায়াত সবার আগেই ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে কাজ শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু অন্যদের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো নির্বাচনী কার্যক্রম চোখে পড়ে না। যারা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তিদান ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাধাগ্রস্ত এবং পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের বিরোধিতা করছে নিজেদের ভরাডুবি জেনে, তারাই মূলত ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চায়।

ভারপ্রাপ্ত আমির বলেন, আধিপত্যবাদকে ভাড়া দিয়ে যারা রাজনীতি বা বুদ্ধিজীবীতা করছেন, তাদেরও বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যান করবে। অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশে জুলাই সনদের আইনি মর্যাদা ও ঘোষণাপত্রের গ্যাজেট প্রকাশ করতে হবে। প্রচলিত ভোটিং ব্যবস্থায় একদলীয় শত ভাগ ক্ষমতা চর্চার পথ বন্ধ করতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন জরুরি। এতে ছোট-বড় সব রাজনৈতিক দলের অংশীদারিত্ব ও ভোটারের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে।

জামায়াত নেতা বলেন, অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিদ্যমান রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার করলেই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত হবে। লুটেরা, টাকা পাচারকারী ও খুনিদের দৃশ্যমান বিচার এবং সব দলের সমান সুযোগ তথা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করেই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন করতে হবে।

মহানগরীর সেক্রেটারি নুরুল বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না হলে সংস্কারের কোনো ভিত্তি নেই। কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জনগণ রাজপথ থাকবে, ঘরে ফিরবে না।

সমাবেশ ও গণমিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সহকারী সেক্রেটারি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, নগর সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলালী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ফখরে জাহান সিরাজী সবুজ, মাহমুদুল আলম প্রমুখ।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

একটি শ্রেণি আওয়ামী লীগ ধাঁচে নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখছে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

একটি শ্রেণি আওয়ামী লীগ ধাঁচে নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখছে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] চট্টগ্রাম, ১৯ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, একটি শ্রেণি আওয়ামী লীগ ধাঁচে নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখছে। বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী ধাঁচের কোনো নির্বাচন জনগণ আর হতে দেবে না। জুলাই হত্যাকাণ্ডের দৃশ্যমান বিচার শেষে পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে।শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর চট্টগ্রাম মহানগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেটে জামায়াত আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রফিকুল এসব কথা বলেন।জুলাই সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অংশ হিসেবে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে নিউমার্কেট মোড়ে গিয়ে আবারও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়।জামায়াতের পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো- জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন, নির্বাচনে সংসদের উভয়কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু, অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম ও গণহত্যা, দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।সমাবেশে রফিকুল বলেন, আমরা যে দাবির জন্য রাজপথে নেমেছি, এসব দাবি বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান ড. ইউনূস জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ফ্যাসিবাদী ও তাদের দোসরদের দৃশ্যমান বিচার এবং পাচারকৃত টাকা ফেরত ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করবেন।পিআর নির্বাচন পদ্ধতির পক্ষে গণভোটের দাবি জানিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমরা চ্যালেঞ্জ নিচ্ছি, গণভোট দিন। জনগণ পিআরের পক্ষে আছে না কি বিপক্ষে আছে। জনগণ যদি পিআর মানে অন্তর্বর্তী সরকারকেও মানতে হবে। আর জনগণ যদি বিপক্ষে যায় আমরা তা মেনে নেব।জামায়াত নেতা দাবি করেন, ফ্যাসিবাদের দোসরদের রাজনীতি অকার্যকর করে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের দৃশ্যমান বিচার করতে হবে।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুল আমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শাহজাহান বলেন, গোটা জাতি উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে আছে। কেউ কেউ আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে জামায়াত না কি নির্বাচন পেছাতে চায়। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, জামায়াত সবার আগেই ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে কাজ শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু অন্যদের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো নির্বাচনী কার্যক্রম চোখে পড়ে না। যারা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তিদান ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাধাগ্রস্ত এবং পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের বিরোধিতা করছে নিজেদের ভরাডুবি জেনে, তারাই মূলত ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চায়।ভারপ্রাপ্ত আমির বলেন, আধিপত্যবাদকে ভাড়া দিয়ে যারা রাজনীতি বা বুদ্ধিজীবীতা করছেন, তাদেরও বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যান করবে। অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশে জুলাই সনদের আইনি মর্যাদা ও ঘোষণাপত্রের গ্যাজেট প্রকাশ করতে হবে। প্রচলিত ভোটিং ব্যবস্থায় একদলীয় শত ভাগ ক্ষমতা চর্চার পথ বন্ধ করতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন জরুরি। এতে ছোট-বড় সব রাজনৈতিক দলের অংশীদারিত্ব ও ভোটারের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে।জামায়াত নেতা বলেন, অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিদ্যমান রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার করলেই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত হবে। লুটেরা, টাকা পাচারকারী ও খুনিদের দৃশ্যমান বিচার এবং সব দলের সমান সুযোগ তথা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করেই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন করতে হবে।মহানগরীর সেক্রেটারি নুরুল বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না হলে সংস্কারের কোনো ভিত্তি নেই। কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জনগণ রাজপথ থাকবে, ঘরে ফিরবে না।সমাবেশ ও গণমিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সহকারী সেক্রেটারি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, নগর সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলালী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ফখরে জাহান সিরাজী সবুজ, মাহমুদুল আলম প্রমুখ।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×