হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

এটুআই প্রকল্পে ‘মব’ করে পদ দখল ও বিপুল বেতন বৃদ্ধির অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১২ মার্চ – ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে জবরদস্তির ঘটনা প্রকাশ্যে এলেও সরকারি সেবা সংস্থা অ্যাসপায়ার টু ইনোভেটে ঘটা নীরব মব সন্ত্রাসের খবর সম্প্রতি সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে এই সুযোগে বরখাস্ত হওয়া এক জুনিয়র কনসালট্যান্ট গায়ের জোরে বড় পদ দখল করেছেন। একই সঙ্গে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিজের বেতন ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করেছেন। শুধু তিনি নন এটুআইয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ কনসালট্যান্ট এবং কর্মকর্তার ক্ষেত্রেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সহজ করার লক্ষ্যে ইউএনডিপি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে এটুআই প্রকল্প শুরু হয়েছিল। পরে তা আইসিটি বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। ২০২৩ সালে ফাহিম আবদুল্লাহ নামের এক জুনিয়র কনসালট্যান্টকে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এটুআই থেকে বহিষ্কার করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট সকালে একদল বহিরাগত নিয়ে এটুআই কার্যালয়ে প্রবেশ করেন তিনি। সেখানে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হুমকি দেন এবং নিজেকে হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন। এটুআইয়ের এক সাবেক কনসালট্যান্ট জানান প্রথম দিনের পর ৮ আগস্ট আবারও ফাহিমের অনুসারীরা অফিসে এসে হুমকি দেন।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

এ সময় তালহা ইবনে আলাউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন এটুআইয়ের তৎকালীন প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. মামুনুর রশিদ ভূঁইয়াকে চাপ দিতে থাকেন। পরবর্তীতে ২০ আগস্ট একটি ভিডিওতে দেখা যায় ডাকসু নেতা মোসাদ্দেক আলীর নেতৃত্বে একদল লোক অতিরিক্ত সচিব মামুনুর রশীদকে ঘিরে রেখেছে। ওই দিনই কোনো লিখিত নোটিশ ছাড়াই এটুআইয়ের ১৪ জন কর্মকর্তা ও কনসালট্যান্টকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। এদিকে নিজেকে হেড অব প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ঘোষণা করা ফাহিম আবদুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান।

নিয়ম অনুযায়ী এই পদের জন্য প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে চার বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট আট বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। কিন্তু ফাহিমের ক্ষেত্রে এর কোনোটিই মানা হয়নি। তার প্রভাবে মাজেদুল আলম, আরিফুর রহমান, শারমিন ফেরদৌসী এবং নাহিদ আলমের মতো ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বেতনও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায় বলে নথিপত্রে দেখা গেছে। কর্মকর্তাদের এভাবে অপসারণের জেরে ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর ইউএনডিপি একটি আনুষ্ঠানিক নোট পাঠায়। এতে বলা হয় তাদের চুক্তিবদ্ধ কর্মীরা সরাসরি বাংলাদেশ সরকারের কর্মচারী নন।

পরবর্তীতে নিউইয়র্ক থেকে ইউএনডিপির তদন্তকারী দপ্তর বিষয়টির তদন্ত করে। তবে তারা অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করার মতো পর্যাপ্ত ভিত্তি পায়নি বলে জানিয়ে দেয়। এ ছাড়া ফাহিম আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে নিয়ম না মেনে সরকারি গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। চালক মো. সালাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ফাহিম তা অস্বীকার করেছেন। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে ফাহিম জানান দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এসব ছড়াচ্ছে এবং তার নিয়োগ যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই হয়েছে। বর্তমান এটুআই প্রকল্প পরিচালক মো. আবদুর রফিক জানিয়েছেন তারা বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

এটুআই প্রকল্পে ‘মব’ করে পদ দখল ও বিপুল বেতন বৃদ্ধির অভিযোগ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

এটুআই প্রকল্পে ‘মব’ করে পদ দখল ও বিপুল বেতন বৃদ্ধির অভিযোগ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১২ মার্চ – ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে জবরদস্তির ঘটনা প্রকাশ্যে এলেও সরকারি সেবা সংস্থা অ্যাসপায়ার টু ইনোভেটে ঘটা নীরব মব সন্ত্রাসের খবর সম্প্রতি সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে এই সুযোগে বরখাস্ত হওয়া এক জুনিয়র কনসালট্যান্ট গায়ের জোরে বড় পদ দখল করেছেন। একই সঙ্গে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিজের বেতন ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করেছেন। শুধু তিনি নন এটুআইয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ কনসালট্যান্ট এবং কর্মকর্তার ক্ষেত্রেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সহজ করার লক্ষ্যে ইউএনডিপি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে এটুআই প্রকল্প শুরু হয়েছিল। পরে তা আইসিটি বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। ২০২৩ সালে ফাহিম আবদুল্লাহ নামের এক জুনিয়র কনসালট্যান্টকে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এটুআই থেকে বহিষ্কার করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট সকালে একদল বহিরাগত নিয়ে এটুআই কার্যালয়ে প্রবেশ করেন তিনি। সেখানে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হুমকি দেন এবং নিজেকে হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন। এটুআইয়ের এক সাবেক কনসালট্যান্ট জানান প্রথম দিনের পর ৮ আগস্ট আবারও ফাহিমের অনুসারীরা অফিসে এসে হুমকি দেন।এ সময় তালহা ইবনে আলাউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন এটুআইয়ের তৎকালীন প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. মামুনুর রশিদ ভূঁইয়াকে চাপ দিতে থাকেন। পরবর্তীতে ২০ আগস্ট একটি ভিডিওতে দেখা যায় ডাকসু নেতা মোসাদ্দেক আলীর নেতৃত্বে একদল লোক অতিরিক্ত সচিব মামুনুর রশীদকে ঘিরে রেখেছে। ওই দিনই কোনো লিখিত নোটিশ ছাড়াই এটুআইয়ের ১৪ জন কর্মকর্তা ও কনসালট্যান্টকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। এদিকে নিজেকে হেড অব প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ঘোষণা করা ফাহিম আবদুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান।নিয়ম অনুযায়ী এই পদের জন্য প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে চার বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট আট বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। কিন্তু ফাহিমের ক্ষেত্রে এর কোনোটিই মানা হয়নি। তার প্রভাবে মাজেদুল আলম, আরিফুর রহমান, শারমিন ফেরদৌসী এবং নাহিদ আলমের মতো ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বেতনও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায় বলে নথিপত্রে দেখা গেছে। কর্মকর্তাদের এভাবে অপসারণের জেরে ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর ইউএনডিপি একটি আনুষ্ঠানিক নোট পাঠায়। এতে বলা হয় তাদের চুক্তিবদ্ধ কর্মীরা সরাসরি বাংলাদেশ সরকারের কর্মচারী নন।পরবর্তীতে নিউইয়র্ক থেকে ইউএনডিপির তদন্তকারী দপ্তর বিষয়টির তদন্ত করে। তবে তারা অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করার মতো পর্যাপ্ত ভিত্তি পায়নি বলে জানিয়ে দেয়। এ ছাড়া ফাহিম আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে নিয়ম না মেনে সরকারি গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। চালক মো. সালাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ফাহিম তা অস্বীকার করেছেন। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে ফাহিম জানান দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এসব ছড়াচ্ছে এবং তার নিয়োগ যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই হয়েছে। বর্তমান এটুআই প্রকল্প পরিচালক মো. আবদুর রফিক জানিয়েছেন তারা বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×