ওয়াশিংটন, ১১ জুন – প্রশান্ত মহাসাগরের ক্রান্তীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধির ফলে বিশ্বজুড়ে এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাব দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা নোয়া নিশ্চিত করেছে যে, প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে বর্তমানে এল নিনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দ্বিতীয় দফায়, লড়বেন ইয়োতোভা ও গিউরভ
আবহাওয়াবিদদের বিভিন্ন পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতি একটি শক্তিশালী সুপার এল নিনোতে রূপান্তরিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এটি ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো হিসেবে রেকর্ড সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবী আগে থেকেই উত্তপ্ত হয়ে আছে। এর ওপর এল নিনোর প্রভাব যুক্ত হলে ২০২৭ সাল নাগাদ বৈশ্বিক তাপমাত্রা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। চরম এই পরিস্থিতির ফলে বিশ্বের আবহাওয়া মন্ডল, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অর্থনীতি বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নোয়া আগেই এ পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিল। এল নিনোর বিপরীত শীতল পর্যায় লা নিনা গত বছরের শেষের দিকে দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর থেকেই তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই ধারা শুরু হয়।
যুক্তরাজ্যের মেট অফিসের পূর্বাভাস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অ্যাডাম স্কেইফ বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে বর্তমান এল নিনোর প্রভাব নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। যেসব অঞ্চলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে, সেখানে তাপমাত্রার বৃদ্ধি পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
এনএন/ ১১ জুন ২০২৬




মন্তব্য করুন