হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে প্রেসক্লাবের স্মারকলিপি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি::

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি::

বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৫৬ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার এখন শিক্ষা দীক্ষায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। অথচ কক্সবাজার এখন বাংলাদেশের একটি পর্যটন শহর নয় শুধু, এটি হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক ব্যবসা, সুনীল অর্থনীতি ও আঞ্চলিক সংযোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে। অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা–এই তিন ধারা একসঙ্গে বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ সরকার এখানে মানুষকেন্দ্রিক ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

কক্সবাজারের জনসংখ্যা ২৬ লাখের বেশি এবং পৃথিবীর সর্ববৃহৎ শরনার্থী শিবির কক্সবাজারে অবস্থিত যেখানে বসবাস করছে ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরনার্থী। কক্সবাজারে রয়েছে অসীম প্রাকৃতিক সম্পদ, সমুদ্র অর্থনীতি ও সম্ভাবনাময় মানুষ। এ ছাড়া কক্সবাজারের মহেশখালীতে দেশের বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়েছে। দেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর হতে যাচ্ছে মাতারবাড়ীতে। এসবের পাশাপাশি কক্সবাজারে সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকার বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চলমান থাকলেও কক্সবাজারে উচ্চ শিক্ষার কোন প্রতিষ্ঠান নেই। সরকারী একটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থাকলেও উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থীদের চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকায় যেতে হয়। অথচ অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার শিকার এবং দরিদ্র ঘরের সন্তানেরা উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এরিই পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন থেকে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি জানিয়ে আসছে স্হানীয়রা।

আপনার সদর অবগতির জন্য জানাচ্ছি-
ইতোপূর্বে ২০২৩ সালে অক্টোবর মাসে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সুপারিশ প্রদান করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এই সুপারিশে ভৌগলিক দিক চিন্তা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারটি বিশেষ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করেছিল ইউজিসি।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

মঞ্জুরি কমিশনের সুপারিশে কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যে চারটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো হলো: ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, সমুদ্র বিজ্ঞান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্য বিজ্ঞান। কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিহার্যতা রয়েছে। অর্থনৈতিক ভাবে সম্ভাবনাম কক্সবাজারে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে কক্সবাজারের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা, যা জাতীয় উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। এ ছাড়া প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়ে সমুদ্র বিজ্ঞান, মৎস্য, পরিবেশ, পর্যটন সহ প্রযুক্তির ব্যবহার ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্ম কারিগরি জ্ঞান এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতায় সমৃদ্ধ হবে যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
অতএব মহোদয় এই অঞ্চলের অর্থনৈতিকসহ সার্বিক বিষয়ে বিবেচনা করে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপন করার জন্য আবেদন করছি।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার এর সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, দৈনিক ইনকিলাব এর বিশেষ সংবাদদাতা শামসুল হক শারেক, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য ও সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ মিজান।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে প্রেসক্লাবের স্মারকলিপি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে প্রেসক্লাবের স্মারকলিপি

প্রতিবেদক: সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:: | প্রকাশিত: বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৫৬ অপরাহ্ন
Print Image
বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার এখন শিক্ষা দীক্ষায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। অথচ কক্সবাজার এখন বাংলাদেশের একটি পর্যটন শহর নয় শুধু, এটি হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক ব্যবসা, সুনীল অর্থনীতি ও আঞ্চলিক সংযোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে। অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা–এই তিন ধারা একসঙ্গে বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ সরকার এখানে মানুষকেন্দ্রিক ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। কক্সবাজারের জনসংখ্যা ২৬ লাখের বেশি এবং পৃথিবীর সর্ববৃহৎ শরনার্থী শিবির কক্সবাজারে অবস্থিত যেখানে বসবাস করছে ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরনার্থী। কক্সবাজারে রয়েছে অসীম প্রাকৃতিক সম্পদ, সমুদ্র অর্থনীতি ও সম্ভাবনাময় মানুষ। এ ছাড়া কক্সবাজারের মহেশখালীতে দেশের বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়েছে। দেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর হতে যাচ্ছে মাতারবাড়ীতে। এসবের পাশাপাশি কক্সবাজারে সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকার বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চলমান থাকলেও কক্সবাজারে উচ্চ শিক্ষার কোন প্রতিষ্ঠান নেই। সরকারী একটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থাকলেও উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থীদের চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকায় যেতে হয়। অথচ অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার শিকার এবং দরিদ্র ঘরের সন্তানেরা উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এরিই পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন থেকে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি জানিয়ে আসছে স্হানীয়রা। আপনার সদর অবগতির জন্য জানাচ্ছি- ইতোপূর্বে ২০২৩ সালে অক্টোবর মাসে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সুপারিশ প্রদান করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এই সুপারিশে ভৌগলিক দিক চিন্তা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারটি বিশেষ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করেছিল ইউজিসি। মঞ্জুরি কমিশনের সুপারিশে কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যে চারটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো হলো: ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, সমুদ্র বিজ্ঞান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্য বিজ্ঞান। কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিহার্যতা রয়েছে। অর্থনৈতিক ভাবে সম্ভাবনাম কক্সবাজারে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে কক্সবাজারের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা, যা জাতীয় উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। এ ছাড়া প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়ে সমুদ্র বিজ্ঞান, মৎস্য, পরিবেশ, পর্যটন সহ প্রযুক্তির ব্যবহার ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্ম কারিগরি জ্ঞান এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতায় সমৃদ্ধ হবে যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। অতএব মহোদয় এই অঞ্চলের অর্থনৈতিকসহ সার্বিক বিষয়ে বিবেচনা করে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপন করার জন্য আবেদন করছি। স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার এর সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, দৈনিক ইনকিলাব এর বিশেষ সংবাদদাতা শামসুল হক শারেক, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য ও সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ মিজান।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×