হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কোনো মার্কিন সেনা না মরলে যুদ্ধ নয়! ইরানের রক্তচক্ষুর সামনে ‘ধৈর্যের পরীক্ষা’ দিচ্ছেন ট্রাম্প

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন


ওয়াশিংটন, ৪ জুন – মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বারুদের গন্ধ, হরমুজ প্রণালিতে রণপ্রস্তুতি আর দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যখন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছে, ঠিক তখনই এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে এল। ইরানের সঙ্গে চরম উত্তেজনা ও প্রকাশ্য সামরিক সংঘাত চললেও, এই মুহূর্তে তেহরানের বিরুদ্ধে কোনো বড় ধরনের বা সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়াতে চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বরাতে প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ (The Wall Street Journal) এই চাঞ্চল্যকর খবরটি প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন

মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাথমিক ফলে কয়েকটি আসনে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্পের দল

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ব্যক্তিগতভাবে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—”তেহরানের হামলায় যদি কোনো মার্কিন সেনা মারা না যান, তবে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে কোনো বড় সামরিক অভিযানে যাবেন না।”

মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি পুরোপুরি ভেঙে দিতে অনিচ্ছুক। মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি, ব্যয়বহুল ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিপূর্ণ যুদ্ধ এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন এখন এক ধরনের ‘ধৈর্যের নীতি’ অবলম্বন করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা ইরানের ছোটখাটো উসকানি বা সীমিত আকারের সংঘর্ষ আরও কয়েক সপ্তাহ বা মাসব্যাপী সহ্য করতেও রাজি আছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরান ও তার আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি এবং কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে একজন সাধারণ মানুষ নিহত হন।

আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক ‘কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস’-এর মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সিনিয়র ফেলো স্টিভেন কুক এই পরিস্থিতির ব্যবচ্ছেদ করে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই মুহূর্তে বেশ অসহায় অবস্থায় আছেন বলে মনে হচ্ছে। ইরানিরা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা আমেরিকার সব ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ সহ্য করতে প্রস্তুত, কিন্তু কোনোভাবেই মাথা নত করবে না। এই অনড় মনোভাব মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মারাত্মক এক জটিল পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে।”

গত বুধবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের ওপর আমেরিকার এই কঠোর নৌ ও অর্থনৈতিক অবরোধ আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ‘লেবার ডে’ (শ্রমিক দিবস) পর্যন্ত গড়াতে পারে। তবে পর্দার আড়ালে তিনি দ্রুত এই সংকটের একটি সম্মানজনক সমাধান খুঁজছেন, যাতে আমেরিকার কোনো বড় সামরিক বা আর্থিক ক্ষতি না হয়।

এনএন/ ৪ জুন ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

কোনো মার্কিন সেনা না মরলে যুদ্ধ নয়! ইরানের রক্তচক্ষুর সামনে ‘ধৈর্যের পরীক্ষা’ দিচ্ছেন ট্রাম্প

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কোনো মার্কিন সেনা না মরলে যুদ্ধ নয়! ইরানের রক্তচক্ষুর সামনে ‘ধৈর্যের পরীক্ষা’ দিচ্ছেন ট্রাম্প

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ৪ জুন – মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বারুদের গন্ধ, হরমুজ প্রণালিতে রণপ্রস্তুতি আর দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যখন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছে, ঠিক তখনই এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে এল। ইরানের সঙ্গে চরম উত্তেজনা ও প্রকাশ্য সামরিক সংঘাত চললেও, এই মুহূর্তে তেহরানের বিরুদ্ধে কোনো বড় ধরনের বা সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়াতে চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বরাতে প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ (The Wall Street Journal) এই চাঞ্চল্যকর খবরটি প্রকাশ করেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ব্যক্তিগতভাবে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—”তেহরানের হামলায় যদি কোনো মার্কিন সেনা মারা না যান, তবে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে কোনো বড় সামরিক অভিযানে যাবেন না।”মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি পুরোপুরি ভেঙে দিতে অনিচ্ছুক। মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি, ব্যয়বহুল ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিপূর্ণ যুদ্ধ এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন এখন এক ধরনের ‘ধৈর্যের নীতি’ অবলম্বন করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা ইরানের ছোটখাটো উসকানি বা সীমিত আকারের সংঘর্ষ আরও কয়েক সপ্তাহ বা মাসব্যাপী সহ্য করতেও রাজি আছে।চলতি সপ্তাহের শুরুতে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরান ও তার আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি এবং কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে একজন সাধারণ মানুষ নিহত হন।আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক ‘কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস’-এর মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সিনিয়র ফেলো স্টিভেন কুক এই পরিস্থিতির ব্যবচ্ছেদ করে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই মুহূর্তে বেশ অসহায় অবস্থায় আছেন বলে মনে হচ্ছে। ইরানিরা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা আমেরিকার সব ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ সহ্য করতে প্রস্তুত, কিন্তু কোনোভাবেই মাথা নত করবে না। এই অনড় মনোভাব মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মারাত্মক এক জটিল পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে।”গত বুধবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের ওপর আমেরিকার এই কঠোর নৌ ও অর্থনৈতিক অবরোধ আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ‘লেবার ডে’ (শ্রমিক দিবস) পর্যন্ত গড়াতে পারে। তবে পর্দার আড়ালে তিনি দ্রুত এই সংকটের একটি সম্মানজনক সমাধান খুঁজছেন, যাতে আমেরিকার কোনো বড় সামরিক বা আর্থিক ক্ষতি না হয়।এনএন/ ৪ জুন ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×