হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৫ সদস্যের আন্ত : তদন্ত কমিটি গঠন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১০ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:১০ অপরাহ্ন

বিশেষ প্রতিবেদক::

কক্সবাজারের উখিয়ার শফিউল্লাহ কাটা এলাকার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি ‘আন্ত : তদন্ত কমিটি’ গঠন করেছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়। অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নয়নকে এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে। সোমবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২ টার দিকে এ তথ্য জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ মোহাম্মদ রেজওয়ান হায়াত।

অগ্নিকান্ডের ঘটনায় রোববার রাতে সেখানে দায়িত্বরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে প্রথমে প্রায় ১২০০ ঘর পুড়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও পরে বলা হয় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় রোহিঙ্গা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ৪৬৯টি বসত ঘর পুড়ে গেছে। এর মধ্যে রোহিঙ্গাদের ৪৫৯টি ও স্থানীয়দের ১০টি বসত ঘর রয়েছে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান অন্তত ৪০ কোটি টাকার বেশী।

আর্মড পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, রোববার বিকেল ৪ টা ৪০ মিনিটের দিকে ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের বি-বøকে এই অগ্নিকাÐের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। প্রায় দুই ঘন্টা ধরে ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে।

আরও পড়ুন

বুড়িমারী সীমান্তে লাইট বন্ধ করে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি ও গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ মোহাম্মদ রেজওয়ান হায়াত জানিয়েছেন, অগ্নিকাÐে যাদের ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে কিংবা গৃহহীন হয়েছে, তাদের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) কার্যালয়ের মাধ্যমে আশ্রয় শিবিরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাখার ব্যবস্থা হয়েছে। তাদের খাবার ও শীতের কাপড়-চোপড় দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তাবু টানানোর কাজ চলছে। আমরা আশা করছি, আগামীকালের মধ্যেই সকলকে সেখানে স্থানান্তর করতে পারবো।

উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা (আইওএম) পরিচালিত করোনা হাসপাতালে আগুন লাগে। এতে কেউ হতাহত না হলেও হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারের ১৬ কেবিন পুড়ে যায়। এর আগে গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার বালুখালীতে আগুনে পুড়ে মারা যান ১৫ জন রোহিঙ্গা। তখন প্রায় ১০ হাজার ঘর পুড়ে ছাই হয়েছিল।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৫ সদস্যের আন্ত : তদন্ত কমিটি গঠন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৫ সদস্যের আন্ত : তদন্ত কমিটি গঠন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১০ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:১০ অপরাহ্ন
Print Image
বিশেষ প্রতিবেদক:: কক্সবাজারের উখিয়ার শফিউল্লাহ কাটা এলাকার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি ‘আন্ত : তদন্ত কমিটি’ গঠন করেছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়। অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নয়নকে এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে। সোমবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২ টার দিকে এ তথ্য জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ মোহাম্মদ রেজওয়ান হায়াত। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় রোববার রাতে সেখানে দায়িত্বরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে প্রথমে প্রায় ১২০০ ঘর পুড়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও পরে বলা হয় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় রোহিঙ্গা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ৪৬৯টি বসত ঘর পুড়ে গেছে। এর মধ্যে রোহিঙ্গাদের ৪৫৯টি ও স্থানীয়দের ১০টি বসত ঘর রয়েছে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান অন্তত ৪০ কোটি টাকার বেশী। আর্মড পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, রোববার বিকেল ৪ টা ৪০ মিনিটের দিকে ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের বি-বøকে এই অগ্নিকাÐের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। প্রায় দুই ঘন্টা ধরে ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ মোহাম্মদ রেজওয়ান হায়াত জানিয়েছেন, অগ্নিকাÐে যাদের ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে কিংবা গৃহহীন হয়েছে, তাদের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) কার্যালয়ের মাধ্যমে আশ্রয় শিবিরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাখার ব্যবস্থা হয়েছে। তাদের খাবার ও শীতের কাপড়-চোপড় দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তাবু টানানোর কাজ চলছে। আমরা আশা করছি, আগামীকালের মধ্যেই সকলকে সেখানে স্থানান্তর করতে পারবো। উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা (আইওএম) পরিচালিত করোনা হাসপাতালে আগুন লাগে। এতে কেউ হতাহত না হলেও হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারের ১৬ কেবিন পুড়ে যায়। এর আগে গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার বালুখালীতে আগুনে পুড়ে মারা যান ১৫ জন রোহিঙ্গা। তখন প্রায় ১০ হাজার ঘর পুড়ে ছাই হয়েছিল।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×