হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

খাইরুল আলম চৌধুরী—আসলে কার?

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শুক্রবার, ২ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন

মাদকের গডফাদার হিসেবে ব্যাপক আলোচিত ও ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামীলীগ আমলে কক্সবাজারের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন কক্সবাজারের আলোচিত বিএনপি নেতা এবং চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া খাইরুল আলম চৌধুরী। উখিয়া উপজেলার রত্মাপালং ইউপিতে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বদির ছায়াতলে নির্বাচন করার অভিযোগে ঐ বছরের ২৮ মে তাকে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

প্রায় দশবছর পর গতকাল (২৯ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে খাইরুল আলম চৌধুরী’র সেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই খবর সামনে এলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বদি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে খাইরুল আলমের অসংখ্য ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং নতুনভাবে দলে জায়গা দেওয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝেও বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

অভিযোগ আছে, র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাবন্দি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির ক্যাশিয়ার এবং ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে বিগত আমলে ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন একসময় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি দায়িত্ব পালন করা খাইরুল আলম চৌধুরী।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

২০২১ সালের রত্মাপালং ইউপি নির্বাচনে বদির ইশারায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদাকে খাইরুল আলম চৌধুরী সমর্থন দেন। পরে নুরুল হুদা নির্বাচনে জয়লাভ করলে তাকে মাঝখানে রেখে বদিসহ তিনি ফুলের মালা পরিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন।

এছাড়াও ২০২৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর পক্ষে, বদি ও তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন আক্তারের পক্ষে ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বির্তকিত নির্বাচনেও তিনি সরব ছিলেন। ‘সরকার যেটি আসে আমার তার সাথে থাকতে হবে’ প্রকাশ্যে খাইরুল আলম চৌধুরীর এমন বক্তব্য উখিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলো।

anwar

anwar

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

খাইরুল আলম চৌধুরী—আসলে কার?

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

খাইরুল আলম চৌধুরী—আসলে কার?

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক : | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
Print Image
মাদকের গডফাদার হিসেবে ব্যাপক আলোচিত ও ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামীলীগ আমলে কক্সবাজারের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন কক্সবাজারের আলোচিত বিএনপি নেতা এবং চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া খাইরুল আলম চৌধুরী। উখিয়া উপজেলার রত্মাপালং ইউপিতে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বদির ছায়াতলে নির্বাচন করার অভিযোগে ঐ বছরের ২৮ মে তাকে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। প্রায় দশবছর পর গতকাল (২৯ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে খাইরুল আলম চৌধুরী'র সেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই খবর সামনে এলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বদি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে খাইরুল আলমের অসংখ্য ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং নতুনভাবে দলে জায়গা দেওয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝেও বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অভিযোগ আছে, র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাবন্দি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির ক্যাশিয়ার এবং ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে বিগত আমলে ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন একসময় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি দায়িত্ব পালন করা খাইরুল আলম চৌধুরী। ২০২১ সালের রত্মাপালং ইউপি নির্বাচনে বদির ইশারায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদাকে খাইরুল আলম চৌধুরী সমর্থন দেন। পরে নুরুল হুদা নির্বাচনে জয়লাভ করলে তাকে মাঝখানে রেখে বদিসহ তিনি ফুলের মালা পরিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। এছাড়াও ২০২৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর পক্ষে, বদি ও তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন আক্তারের পক্ষে ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বির্তকিত নির্বাচনেও তিনি সরব ছিলেন। 'সরকার যেটি আসে আমার তার সাথে থাকতে হবে' প্রকাশ্যে খাইরুল আলম চৌধুরীর এমন বক্তব্য উখিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলো।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×