হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গাজায় ‘খাদ্য কেন্দ্র’ খোলার ঘোষণা ট্রাম্পের, সার্বিক নির্বাহীর দায়িত্বে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫, ১১:৫২ অপরাহ্ন


ওয়াশিংটন, ২৮ জুলাই – ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় খাদ্য কেন্দ্র খোলার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, গাজায় খাদ্য কেন্দ্রটির নির্মাণ, তত্ত্বাবধান ও খাদ্য বিতরণের সার্বিক নির্বাহীর দায়িত্বে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাজ্যের প্রধামন্ত্রী কেইর স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক করতে আজ সোমবার স্কটল্যান্ডে গেছেন ট্রাম্প। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা খুব শিগগিরই গাজায় খাদ্য কেন্দ্র খুলতে যাচ্ছি। এই কেন্দ্রটির নির্মাণ, তত্ত্বাবধান এবং গাজার বাসিন্দাদের মধ্যে খাদ্য বিতরণের পুরো ব্যাপারটি দেখভাল করবে যুক্তরাষ্ট্র। এটি একটি মুক্ত খাদ্য কেন্দ্র হবে। গাজার লোকজন যখন খুশি— সেখান থেকে প্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে যেতে পারবেন। কোনো বাধা থাকবে না।”

আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা

“আমরা গাজায় খাদ্য সহায়তা বাবদ ৬ কোটি ডলার বরাদ্দ করেছি। আমরা মনে করি এই মুহূর্তে গাজার লোকজনদের খাবারের নিশ্চয়তা সবচেয়ে জরুরি; কারণ প্রচুর মানুষ সেখানে না খেয়ে আছে। গাজার এই ক্ষুধা সংকট দূর করতে আমি অন্যান্য দেশকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, আজ সোমবার ট্রাম্প প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে গাজা তীব্র খাদ্যসংকটে ভুগছে। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, “কিছুদিন আগে টেলিভিশন সংবাদে আমি গাজার একদল শিশুকে দেখলাম। তাদের খুবই ক্ষুধার্ত দেখাচ্ছিল। গাজায় সত্যিকারের ক্ষুধা সংকট শুরু হয়েছে এবং আপনি একে কোনোভাবেই ভুয়া বলে উড়িয়ে দিতে পারবেন না।”

“সবচেয়ে বড় কথা হলো— এটা (গাজায় সংঘাত) এখন শেষ হওয়া উচিত। হামাসকে শেষ করার জন্য ইসরায়েল আরও কঠোর লড়াই করতে পারে, তবে গাজা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে এগোচ্ছে এবং সেখানকার বাসিন্দাদের জন্য খাদ্য ও নিরাপত্তা এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি”, সাংবাদিকদের বলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন স্টারমারও। সাংবাদিকদের ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গাজায় যা চলছে, তা সম্পূর্ণ মানবসৃষ্ট সংকট এবং এটি এখন আর শুধু সংকটের জায়গায় নেই— ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। এটা এতটাই ভয়াবহ যে গাজার সত্যিকারের চিত্র যদি ব্রিটেনের লোকজন দেখে, তাহলে তারা পুরোপুরি অস্থির হয়ে যাবে।”

“কারণ দিনের পর দিন ধরে গাজায় যে সংকট চলছে— তা এখন পুরোপুরি সহ্যের অতীত এবং আমরা যদি গাজায় ত্রাণ সরবরাহের ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশকে সংশ্লিষ্ট করতে পারি তাহলে দু’টি কাজ হবে— প্রথমত গাজায় ক্ষুধা সংকটের অবসান ঘটবে এবং দ্বিতীয়ত এটি সংঘাত থামানোর জন্য ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে”, সাংবাদিকদের বলেন স্টারমার।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ২৮ জুলাই ২০২৫

সম্পুর্ন খবরটি পড়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ::গাজায় ‘খাদ্য কেন্দ্র’ খোলার ঘোষণা ট্রাম্পের, সার্বিক নির্বাহীর দায়িত্বে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র first appeared on DesheBideshe.


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

গাজায় ‘খাদ্য কেন্দ্র’ খোলার ঘোষণা ট্রাম্পের, সার্বিক নির্বাহীর দায়িত্বে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গাজায় ‘খাদ্য কেন্দ্র’ খোলার ঘোষণা ট্রাম্পের, সার্বিক নির্বাহীর দায়িত্বে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫, ১১:৫২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ২৮ জুলাই – ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় খাদ্য কেন্দ্র খোলার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, গাজায় খাদ্য কেন্দ্রটির নির্মাণ, তত্ত্বাবধান ও খাদ্য বিতরণের সার্বিক নির্বাহীর দায়িত্বে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাজ্যের প্রধামন্ত্রী কেইর স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক করতে আজ সোমবার স্কটল্যান্ডে গেছেন ট্রাম্প। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা খুব শিগগিরই গাজায় খাদ্য কেন্দ্র খুলতে যাচ্ছি। এই কেন্দ্রটির নির্মাণ, তত্ত্বাবধান এবং গাজার বাসিন্দাদের মধ্যে খাদ্য বিতরণের পুরো ব্যাপারটি দেখভাল করবে যুক্তরাষ্ট্র। এটি একটি মুক্ত খাদ্য কেন্দ্র হবে। গাজার লোকজন যখন খুশি— সেখান থেকে প্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে যেতে পারবেন। কোনো বাধা থাকবে না।” “আমরা গাজায় খাদ্য সহায়তা বাবদ ৬ কোটি ডলার বরাদ্দ করেছি। আমরা মনে করি এই মুহূর্তে গাজার লোকজনদের খাবারের নিশ্চয়তা সবচেয়ে জরুরি; কারণ প্রচুর মানুষ সেখানে না খেয়ে আছে। গাজার এই ক্ষুধা সংকট দূর করতে আমি অন্যান্য দেশকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রসঙ্গত, আজ সোমবার ট্রাম্প প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে গাজা তীব্র খাদ্যসংকটে ভুগছে। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, “কিছুদিন আগে টেলিভিশন সংবাদে আমি গাজার একদল শিশুকে দেখলাম। তাদের খুবই ক্ষুধার্ত দেখাচ্ছিল। গাজায় সত্যিকারের ক্ষুধা সংকট শুরু হয়েছে এবং আপনি একে কোনোভাবেই ভুয়া বলে উড়িয়ে দিতে পারবেন না।” “সবচেয়ে বড় কথা হলো— এটা (গাজায় সংঘাত) এখন শেষ হওয়া উচিত। হামাসকে শেষ করার জন্য ইসরায়েল আরও কঠোর লড়াই করতে পারে, তবে গাজা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে এগোচ্ছে এবং সেখানকার বাসিন্দাদের জন্য খাদ্য ও নিরাপত্তা এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি”, সাংবাদিকদের বলেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন স্টারমারও। সাংবাদিকদের ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গাজায় যা চলছে, তা সম্পূর্ণ মানবসৃষ্ট সংকট এবং এটি এখন আর শুধু সংকটের জায়গায় নেই— ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। এটা এতটাই ভয়াবহ যে গাজার সত্যিকারের চিত্র যদি ব্রিটেনের লোকজন দেখে, তাহলে তারা পুরোপুরি অস্থির হয়ে যাবে।” “কারণ দিনের পর দিন ধরে গাজায় যে সংকট চলছে— তা এখন পুরোপুরি সহ্যের অতীত এবং আমরা যদি গাজায় ত্রাণ সরবরাহের ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশকে সংশ্লিষ্ট করতে পারি তাহলে দু’টি কাজ হবে— প্রথমত গাজায় ক্ষুধা সংকটের অবসান ঘটবে এবং দ্বিতীয়ত এটি সংঘাত থামানোর জন্য ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে”, সাংবাদিকদের বলেন স্টারমার। সূত্র: ঢাকা পোস্ট এনএন/ ২৮ জুলাই ২০২৫সম্পুর্ন খবরটি পড়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ::গাজায় ‘খাদ্য কেন্দ্র’ খোলার ঘোষণা ট্রাম্পের, সার্বিক নির্বাহীর দায়িত্বে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র first appeared on DesheBideshe. [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×