হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে খরা সহনশীল নতুন সয়াবিন জাত ‘জিএইউ সয়াবিন ৬’ উদ্ভাবন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন


গাজীপুর, ২৫ ফেব্রুয়ারি – দেশে প্রথমবারের মতো উচ্চ খরা সহনশীল সয়াবিনের নতুন ইনব্রিড জাত উদ্ভাবন করেছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। দীর্ঘ এক দশকের গবেষণায় উদ্ভাবিত এই জাতটির নাম দেওয়া হয়েছে জিএইউ সয়াবিন ৬।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ মান্নানের নেতৃত্বে এই গবেষণা পরিচালিত হয়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির উদ্ভাবিত মোট ফসলের জাতের সংখ্যা ৯৪টিতে উন্নীত হলো। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে যে তাইওয়ানের এশিয়ান ভেজিটেবল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সংগৃহীত প্রায় ২৫০টি জার্মপ্লাজমের ওপর তিন বছর ধরে কঠোর পরীক্ষা চালানো হয়।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

এই পরীক্ষায় জি০০০৫৬ জার্মপ্লাজমটি খরা সহনশীল হিসেবে নির্বাচিত হয়। পরবর্তীতে সলিডারিডেট নেটওয়ার্ক এশিয়ার সহায়তায় নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর ও ভোলায় পাঁচ বছর ধরে মাঠপর্যায়ে সফল মূল্যায়ন করা হয়। এর ভিত্তিতে গত বছরের ১১ নভেম্বর জাতীয় বীজ বোর্ড জাতটির আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র প্রদান করে।

এই জাতটি ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ফিল্ড ক্যাপাসিটির মতো কঠিন খরা পরিবেশেও টিকে থেকে উচ্চ ফলন দিতে সক্ষম যা কৃষির ভবিষ্যতের জন্য একটি ব্যতিক্রমী সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উপকূলীয় চরাঞ্চলে সয়াবিন চাষের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে এই জাতটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতটির বৈশিষ্ট্য প্রসঙ্গে ড. মান্নান জানান যে প্রতিটি গাছে ৮০ থেকে ১০০টি ফল ধরে এবং দানার আকার বড় হওয়ায় এক হাজার বীজের ওজন প্রায় ২৩০ গ্রাম হয়। সাধারণ জাতের তুলনায় এটি হেক্টরে ৩.২ থেকে ৩.৮ মেট্রিক টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম। এছাড়া ট্রিপসিনের মাত্রা কম থাকায় পোল্ট্রি খাদ্যে প্রোটিন শোষণের হার বৃদ্ধি পায় যা পোল্ট্রি শিল্পের জন্য লাভজনক হবে।

এ এম/ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে খরা সহনশীল নতুন সয়াবিন জাত ‘জিএইউ সয়াবিন ৬’ উদ্ভাবন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে খরা সহনশীল নতুন সয়াবিন জাত ‘জিএইউ সয়াবিন ৬’ উদ্ভাবন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] গাজীপুর, ২৫ ফেব্রুয়ারি – দেশে প্রথমবারের মতো উচ্চ খরা সহনশীল সয়াবিনের নতুন ইনব্রিড জাত উদ্ভাবন করেছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। দীর্ঘ এক দশকের গবেষণায় উদ্ভাবিত এই জাতটির নাম দেওয়া হয়েছে জিএইউ সয়াবিন ৬।বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ মান্নানের নেতৃত্বে এই গবেষণা পরিচালিত হয়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির উদ্ভাবিত মোট ফসলের জাতের সংখ্যা ৯৪টিতে উন্নীত হলো। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে যে তাইওয়ানের এশিয়ান ভেজিটেবল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সংগৃহীত প্রায় ২৫০টি জার্মপ্লাজমের ওপর তিন বছর ধরে কঠোর পরীক্ষা চালানো হয়।এই পরীক্ষায় জি০০০৫৬ জার্মপ্লাজমটি খরা সহনশীল হিসেবে নির্বাচিত হয়। পরবর্তীতে সলিডারিডেট নেটওয়ার্ক এশিয়ার সহায়তায় নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর ও ভোলায় পাঁচ বছর ধরে মাঠপর্যায়ে সফল মূল্যায়ন করা হয়। এর ভিত্তিতে গত বছরের ১১ নভেম্বর জাতীয় বীজ বোর্ড জাতটির আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র প্রদান করে।এই জাতটি ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ফিল্ড ক্যাপাসিটির মতো কঠিন খরা পরিবেশেও টিকে থেকে উচ্চ ফলন দিতে সক্ষম যা কৃষির ভবিষ্যতের জন্য একটি ব্যতিক্রমী সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উপকূলীয় চরাঞ্চলে সয়াবিন চাষের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে এই জাতটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।জাতটির বৈশিষ্ট্য প্রসঙ্গে ড. মান্নান জানান যে প্রতিটি গাছে ৮০ থেকে ১০০টি ফল ধরে এবং দানার আকার বড় হওয়ায় এক হাজার বীজের ওজন প্রায় ২৩০ গ্রাম হয়। সাধারণ জাতের তুলনায় এটি হেক্টরে ৩.২ থেকে ৩.৮ মেট্রিক টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম। এছাড়া ট্রিপসিনের মাত্রা কম থাকায় পোল্ট্রি খাদ্যে প্রোটিন শোষণের হার বৃদ্ধি পায় যা পোল্ট্রি শিল্পের জন্য লাভজনক হবে।এ এম/ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×