হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গ্লোবাল প্লাস্টিক চুক্তির খসড়া প্রত্যাখ্যান করল বাংলাদেশ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট ২০২৫, ১০:২৮ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৪ আগস্ট – বাংলাদেশ প্রস্তাবিত গ্লোবাল প্লাস্টিকস চুক্তির সর্বশেষ চেয়ার-এর খসড়া দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং প্লাস্টিক দূষণ রোধে আরও কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ পরিবেশ পরিষদের প্রস্তাব ৫/১৪ অনুযায়ী প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে একটি আইনি বাধ্যতামূলক চুক্তির যে ম্যান্ডেট রয়েছে—বাংলাদেশের মতে, এই খসড়া তা পূরণে ব্যর্থ।

১৩ আগস্ট ২০২৫, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত প্লাস্টিক দূষণবিষয়ক আন্তঃসরকারি আলোচনাসভার (INC-5.2) দ্বিতীয় পর্বে বাংলাদেশ জানায়, খসড়াটি দুর্বল, অপর্যাপ্ত এবং সরবরাহপক্ষীয় পদক্ষেপ বাদ দিয়েছে। এতে প্লাস্টিকের পূর্ণ জীবনচক্র, স্বাস্থ্য প্রভাব, ক্ষতিকর রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ, অগ্রাধিকারভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং আন্তঃসীমান্ত দূষণ রোধে বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা নেই। বাস্তবায়নের জন্য নির্ভরযোগ্য পদ্ধতির অভাব রয়েছে এবং খসড়াটি অতিরিক্তভাবে স্বেচ্ছাসেবী প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।

আরও পড়ুন

কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩২

বাংলাদেশ জোর দিয়ে বলেছে, চুক্তির মূল অংশে ক্ষতিকর রাসায়নিক, নিঃসরণ এবং প্রাথমিক উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বর্তমান খসড়া মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যত কোনো সমাধান দেয় না, বরং উৎপাদকদের দায়মুক্ত রাখে এবং সবচেয়ে ক্ষতিকর প্লাস্টিক পণ্য বন্ধে কোনো বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ দেয় না। অর্থবহ সংশোধন ছাড়া খসড়াটি সমর্থনযোগ্য নয় বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ।

একই দিনে জেনেভায় অনুষ্ঠিত আইএনসি-৫.২-এর অনানুষ্ঠানিক মন্ত্রিপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, নিম্নপ্রবাহী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আন্তঃসীমান্ত প্লাস্টিক দূষণের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি সার্কুলার অর্থনীতি প্রচার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ঘাটতি দূর, টেকসই পণ্যের নকশা উন্নয়ন এবং বর্জ্য খাতের শ্রমিকদের জন্য ন্যায়সঙ্গত রূপান্তরের ওপর জোর দেন। পাশাপাশি, ক্ষতিকর প্লাস্টিক ধাপে ধাপে বন্ধে প্রাতিষ্ঠানিক বৈশ্বিক সহযোগিতার ভিত্তিতে উচ্চাভিলাষী ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এনএন/ ১৪ আগস্ট ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

গ্লোবাল প্লাস্টিক চুক্তির খসড়া প্রত্যাখ্যান করল বাংলাদেশ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গ্লোবাল প্লাস্টিক চুক্তির খসড়া প্রত্যাখ্যান করল বাংলাদেশ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট ২০২৫, ১০:২৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৪ আগস্ট – বাংলাদেশ প্রস্তাবিত গ্লোবাল প্লাস্টিকস চুক্তির সর্বশেষ চেয়ার-এর খসড়া দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং প্লাস্টিক দূষণ রোধে আরও কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ পরিবেশ পরিষদের প্রস্তাব ৫/১৪ অনুযায়ী প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে একটি আইনি বাধ্যতামূলক চুক্তির যে ম্যান্ডেট রয়েছে—বাংলাদেশের মতে, এই খসড়া তা পূরণে ব্যর্থ।১৩ আগস্ট ২০২৫, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত প্লাস্টিক দূষণবিষয়ক আন্তঃসরকারি আলোচনাসভার (INC-5.2) দ্বিতীয় পর্বে বাংলাদেশ জানায়, খসড়াটি দুর্বল, অপর্যাপ্ত এবং সরবরাহপক্ষীয় পদক্ষেপ বাদ দিয়েছে। এতে প্লাস্টিকের পূর্ণ জীবনচক্র, স্বাস্থ্য প্রভাব, ক্ষতিকর রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ, অগ্রাধিকারভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং আন্তঃসীমান্ত দূষণ রোধে বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা নেই। বাস্তবায়নের জন্য নির্ভরযোগ্য পদ্ধতির অভাব রয়েছে এবং খসড়াটি অতিরিক্তভাবে স্বেচ্ছাসেবী প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।বাংলাদেশ জোর দিয়ে বলেছে, চুক্তির মূল অংশে ক্ষতিকর রাসায়নিক, নিঃসরণ এবং প্রাথমিক উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বর্তমান খসড়া মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যত কোনো সমাধান দেয় না, বরং উৎপাদকদের দায়মুক্ত রাখে এবং সবচেয়ে ক্ষতিকর প্লাস্টিক পণ্য বন্ধে কোনো বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ দেয় না। অর্থবহ সংশোধন ছাড়া খসড়াটি সমর্থনযোগ্য নয় বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ।একই দিনে জেনেভায় অনুষ্ঠিত আইএনসি-৫.২-এর অনানুষ্ঠানিক মন্ত্রিপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, নিম্নপ্রবাহী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আন্তঃসীমান্ত প্লাস্টিক দূষণের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি সার্কুলার অর্থনীতি প্রচার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ঘাটতি দূর, টেকসই পণ্যের নকশা উন্নয়ন এবং বর্জ্য খাতের শ্রমিকদের জন্য ন্যায়সঙ্গত রূপান্তরের ওপর জোর দেন। পাশাপাশি, ক্ষতিকর প্লাস্টিক ধাপে ধাপে বন্ধে প্রাতিষ্ঠানিক বৈশ্বিক সহযোগিতার ভিত্তিতে উচ্চাভিলাষী ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালএনএন/ ১৪ আগস্ট ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×