হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়া কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে বিদ…

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা।

বিদ্যালয়ের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেনির শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেন। এসময় প্রতিযোগিতার কার্যক্রম তদারকি করেন শিক্ষকরা। এরপর দুপুর বারোটায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাম্মৎ মুজিবুন নাহার অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তব্য দেন সহকারী শিক্ষক শাহরিয়ার আওরঙ্গজেব চৌধুরী, সহকারী শিক্ষক সুচিত্রা চৌধুরী, সহকারী শিক্ষক পারভীন আক্তার, সহকারী শিক্ষক জেসমিন আক্তার, সহকারী শিক্ষক মিশোরী জান্নাত মিশু। সভায় বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটির সদস্য, অভিভাবক এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান ঘটে। সেই অভ্যুত্থানের পর ৭ নভেম্বর
সিপাহি-জনতা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীরউত্তমকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব দেন।

আরও পড়ুন

চকরিয়ায় দুই সড়ক দুর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহী সৌদি প্রবাসি ও মায়ের কোলের শিশু নিহত

তাঁরা বলেন, সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। সুরক্ষিত হয় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। আর এই সুফল
দেশবাসী এখন ভোগ করছেন।

🔗 আরও পড়ুন:

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: চকরিয়া কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘জাতীয় বিপ্লব ও । মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

চকরিয়া
Card Image

চকরিয়া কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়া কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা। বিদ্যালয়ের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেনির শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেন। এসময় প্রতিযোগিতার কার্যক্রম তদারকি করেন শিক্ষকরা। এরপর দুপুর বারোটায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। কাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাম্মৎ মুজিবুন নাহার অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তব্য দেন সহকারী শিক্ষক শাহরিয়ার আওরঙ্গজেব চৌধুরী, সহকারী শিক্ষক সুচিত্রা চৌধুরী, সহকারী শিক্ষক পারভীন আক্তার, সহকারী শিক্ষক জেসমিন আক্তার, সহকারী শিক্ষক মিশোরী জান্নাত মিশু। সভায় বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটির সদস্য, অভিভাবক এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাংলাদেশে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান ঘটে। সেই অভ্যুত্থানের পর ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীরউত্তমকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব দেন। তাঁরা বলেন, সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। সুরক্ষিত হয় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। আর এই সুফল দেশবাসী এখন ভোগ করছেন।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×