হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ায় বাজার থেকে জব্দের পর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো ৫ লাখ টাকার পলিথিন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪, ১০:৩৬ অপরাহ্ন

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া ::

কক্সবাজারের চকরিয়ায় নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রথমদিনে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত চকরিয়া পৌরশহরের কাঁচা বাজারে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন গুদাম এবং দোকান থেকে অন্তত ৫ লাখ টাকার পিপি ও পলিথিন ব্যাগ জব্দের পর পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিয়েছেন।

গতকাল রোববার (৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে চকরিয়া পৌরশহরের সোসাইটি এলাকার বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ফখরুল ইসলাম।

অভিযানের সময় বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহরাজ উদ্দীন, চকরিয়া থানা পুলিশের একটি টিম, সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন,
সরকারি প্রজ্ঞাপনে ইতোমধ্যে সারাদেশে নিষিদ্ধ পলিথিন ও পলিপ্রপিলিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন, মজুত, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরই আলোকে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চকরিয়া পৌর শহরের বিভিন্ন দোকানে পলিথিন ও পিপি বিক্রি বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

গতকাল রোববার প্রথমদিনের অভিযানে বিভিন্ন দোকান ও গুদাম থেকে পলিথিন বিক্রি ও মজুদ করার অপরাধে তিনজন ব্যবসায়ীকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা ও জব্দকৃত নিষিদ্ধ পলিথিন ও পিপি আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

স্থানীয় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, অভিযানে আদালত অন্তত পাঁচ লাখ টাকার পিপি ও পলিথিন ধ্বংস করে দিয়েছেন।

চকরিয়া পৌরশহরের সোসাইটি কাঁচাবাজারের
মাছ ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা দাবি করেন, কাঁচা মাছ, তরিতরকারি বেচা-কেনায় পিপি ছাড়া দেয়া-নেয়া যায়না। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় মাছসহ বিভিন্ন পণ্য বেচা-কেনায়, নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। ##

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

চকরিয়ায় বাজার থেকে জব্দের পর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো ৫ লাখ টাকার পলিথিন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ায় বাজার থেকে জব্দের পর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো ৫ লাখ টাকার পলিথিন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
Print Image
এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া :: কক্সবাজারের চকরিয়ায় নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রথমদিনে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত চকরিয়া পৌরশহরের কাঁচা বাজারে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন গুদাম এবং দোকান থেকে অন্তত ৫ লাখ টাকার পিপি ও পলিথিন ব্যাগ জব্দের পর পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিয়েছেন। গতকাল রোববার (৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে চকরিয়া পৌরশহরের সোসাইটি এলাকার বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ফখরুল ইসলাম। অভিযানের সময় বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহরাজ উদ্দীন, চকরিয়া থানা পুলিশের একটি টিম, সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারি প্রজ্ঞাপনে ইতোমধ্যে সারাদেশে নিষিদ্ধ পলিথিন ও পলিপ্রপিলিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন, মজুত, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরই আলোকে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চকরিয়া পৌর শহরের বিভিন্ন দোকানে পলিথিন ও পিপি বিক্রি বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গতকাল রোববার প্রথমদিনের অভিযানে বিভিন্ন দোকান ও গুদাম থেকে পলিথিন বিক্রি ও মজুদ করার অপরাধে তিনজন ব্যবসায়ীকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা ও জব্দকৃত নিষিদ্ধ পলিথিন ও পিপি আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। স্থানীয় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, অভিযানে আদালত অন্তত পাঁচ লাখ টাকার পিপি ও পলিথিন ধ্বংস করে দিয়েছেন। চকরিয়া পৌরশহরের সোসাইটি কাঁচাবাজারের মাছ ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা দাবি করেন, কাঁচা মাছ, তরিতরকারি বেচা-কেনায় পিপি ছাড়া দেয়া-নেয়া যায়না। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় মাছসহ বিভিন্ন পণ্য বেচা-কেনায়, নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। ##

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×