হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চট্টগ্রামে পুলিশি হেফাজতে দুদকের সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যু

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩, ১১:০৭ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম, ০৪ অক্টোবর – চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানা পুলিশের হেফাজতে সাবেক দুদক কর্মকর্তা এসএস শহীদুল্লাহর (৬২) মৃত্যু হয়েছে। তিনি চট্টগ্রামে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর সাবেক উপপরিচালক ছিলেন। ২০০৭ সালের ১২ জুলাই তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে নগরীর বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকায় মুহুরী বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

পুলিশ জানায়, একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্ট এর ভিত্তিতে রাত ১১টার দিকে সাবেক দুদক কর্মকর্তা শহিদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থতা বোধ করলে তাকে দ্রুত বেসরকারি পার্ক ভিউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শহিদুল্লাহর ছেলে ক্যাপ্টেন নাফিস শহিদ বলেন, রাত ১১টার দিকে চান্দগাঁও থানার দুজন এএসআই গিয়ে বাবাকে থানায় নিয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে আমার চাচারা থানায় যান। উনি হার্টের পেশেন্ট, ওনার ইনহেলার আর মেডিসিন লাগে সবসময়। বাবাকে থানায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফটক বন্ধ করে দেন। ইনহেলার ও মেডিসিনও বাবার কাছে পৌঁছাতে দেয়নি। পরে ১২টার দিকে বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। এরপর বাবাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, জমি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তাদের বিরোধ ছিল, তবে এই বিরোধে কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিলো কি-না তা তাদের জানা নেই। পুলিশ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না দেখিয়ে বাবাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

মৃত এসএম শহীদুল্লাহর ছোট ভাই একরাম উল্লাহ বলেন, আমার ভাই অসুস্থ ছিলেন। পুলিশ তাকে জোর করে থানায় নিয়ে যায়। ওষুধ খাওয়ার সময়টাও দেয়নি। এরপর থানায় নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে আমার ভাই মারা যান।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি-উত্তর) পংকজ দত্ত মৃত্যুর গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একটি সিআর মামলায় রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের ১৫ মিনিট পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত পার্ক ভিউ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চান্দগাঁও থানার ওসি খাইরুল ইসলাম বলেন, ওয়ারেন্টমূলে সৈয়দ মোহাম্মদ শহিদুল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং আমাদের পরিচিত ছিলেন। যথাযথ সম্মান দিয়ে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছে। তাঁকে আমার রুমে নিয়ে বসানো হয়েছিল। সেখানে অসুস্থতা অনুভব করায় নিয়ম অনুসারে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়েছিল। অ্যাম্বুলেন্স আসতে দেরি হওয়ায় সিএনজি অটোরিকশা করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ০৪ অক্টোবর ২০২৩

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

চট্টগ্রামে পুলিশি হেফাজতে দুদকের সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যু

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চট্টগ্রামে পুলিশি হেফাজতে দুদকের সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যু

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩, ১১:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] চট্টগ্রাম, ০৪ অক্টোবর – চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানা পুলিশের হেফাজতে সাবেক দুদক কর্মকর্তা এসএস শহীদুল্লাহর (৬২) মৃত্যু হয়েছে। তিনি চট্টগ্রামে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর সাবেক উপপরিচালক ছিলেন। ২০০৭ সালের ১২ জুলাই তিনি অবসর গ্রহণ করেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে নগরীর বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকায় মুহুরী বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ জানায়, একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্ট এর ভিত্তিতে রাত ১১টার দিকে সাবেক দুদক কর্মকর্তা শহিদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থতা বোধ করলে তাকে দ্রুত বেসরকারি পার্ক ভিউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শহিদুল্লাহর ছেলে ক্যাপ্টেন নাফিস শহিদ বলেন, রাত ১১টার দিকে চান্দগাঁও থানার দুজন এএসআই গিয়ে বাবাকে থানায় নিয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে আমার চাচারা থানায় যান। উনি হার্টের পেশেন্ট, ওনার ইনহেলার আর মেডিসিন লাগে সবসময়। বাবাকে থানায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফটক বন্ধ করে দেন। ইনহেলার ও মেডিসিনও বাবার কাছে পৌঁছাতে দেয়নি। পরে ১২টার দিকে বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। এরপর বাবাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরো জানান, জমি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তাদের বিরোধ ছিল, তবে এই বিরোধে কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিলো কি-না তা তাদের জানা নেই। পুলিশ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না দেখিয়ে বাবাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। মৃত এসএম শহীদুল্লাহর ছোট ভাই একরাম উল্লাহ বলেন, আমার ভাই অসুস্থ ছিলেন। পুলিশ তাকে জোর করে থানায় নিয়ে যায়। ওষুধ খাওয়ার সময়টাও দেয়নি। এরপর থানায় নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে আমার ভাই মারা যান। চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি-উত্তর) পংকজ দত্ত মৃত্যুর গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একটি সিআর মামলায় রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের ১৫ মিনিট পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত পার্ক ভিউ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চান্দগাঁও থানার ওসি খাইরুল ইসলাম বলেন, ওয়ারেন্টমূলে সৈয়দ মোহাম্মদ শহিদুল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং আমাদের পরিচিত ছিলেন। যথাযথ সম্মান দিয়ে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছে। তাঁকে আমার রুমে নিয়ে বসানো হয়েছিল। সেখানে অসুস্থতা অনুভব করায় নিয়ম অনুসারে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়েছিল। অ্যাম্বুলেন্স আসতে দেরি হওয়ায় সিএনজি অটোরিকশা করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালআইএ/ ০৪ অক্টোবর ২০২৩

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×