হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন


চট্টগ্রাম, ২৮ অক্টোবর – চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে (চসিক) প্রায় ৪০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) সংস্থাটির মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সই করা এক নোটিশে তাকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন

ইসরায়েল নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে, জয়ের পেছনে নিজের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প

নোটিশে বলা হয়, চসিকের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের ৫১৫/এ/৫৯৪ নম্বর হোল্ডিংয়ের ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের বার্ষিক মূল্যায়নে ফিল্ড বুকে ঘষামাজা করে ২৫ কোটি ৬৭ লাখ ৪ হাজার ৭৫০ টাকার পরিবর্তে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ৪ হাজার ৭৫০ টাকা দেখানো হয়। পরবর্তীতে রিভিউ অ্যাসেসম্যান্ট বোর্ডের মাধ্যমে তা মাত্র ৫৮ লাখ টাকায় চূড়ান্ত করা হয়।

একইভাবে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ৩১৮/৩৩১ নম্বর হোল্ডিংয়ের মূল্যায়নে ঘষামাজার মাধ্যমে ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ কোটি টাকা কমিয়ে ৬ কোটি ৩৮ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ টাকা দেখানো হয়। পরবর্তীতে রিভিউ বোর্ডের মাধ্যমে সেটি ২ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। এভাবে দুইটি হোল্ডিংয়ে ‘ঘষামাজা’ করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন প্রায় ৪০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়।

নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালের ২৮ মে অভিযোগ উত্থাপিত হলেও ২০২৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল, দোষী শনাক্তকরণ কিংবা কর পুনঃনির্ধারণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। এতে করপোরেশন বিপুল রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়ে।

এ বিষয়ে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময়ে আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তবে বিষয়টি নজরে আসার পর অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদার আইন কর্মকর্তাকে প্রধান করে কমিটি গঠন দেওয়া হয়েছি। কমিটি যাতে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেয়, এ জন্য বারবার তাগাদা দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ার কারণে যদি কাউকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয়, প্রথমে কমিটির প্রধানকে দিতে হবে। আমাকে কেন দেওয়া হলো তা বোধগম্য নয়।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ২৮ অক্টোবর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] চট্টগ্রাম, ২৮ অক্টোবর – চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে (চসিক) প্রায় ৪০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৭ অক্টোবর) সংস্থাটির মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সই করা এক নোটিশে তাকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।নোটিশে বলা হয়, চসিকের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের ৫১৫/এ/৫৯৪ নম্বর হোল্ডিংয়ের ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের বার্ষিক মূল্যায়নে ফিল্ড বুকে ঘষামাজা করে ২৫ কোটি ৬৭ লাখ ৪ হাজার ৭৫০ টাকার পরিবর্তে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ৪ হাজার ৭৫০ টাকা দেখানো হয়। পরবর্তীতে রিভিউ অ্যাসেসম্যান্ট বোর্ডের মাধ্যমে তা মাত্র ৫৮ লাখ টাকায় চূড়ান্ত করা হয়।একইভাবে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ৩১৮/৩৩১ নম্বর হোল্ডিংয়ের মূল্যায়নে ঘষামাজার মাধ্যমে ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ কোটি টাকা কমিয়ে ৬ কোটি ৩৮ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ টাকা দেখানো হয়। পরবর্তীতে রিভিউ বোর্ডের মাধ্যমে সেটি ২ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। এভাবে দুইটি হোল্ডিংয়ে ‘ঘষামাজা’ করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন প্রায় ৪০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়।নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালের ২৮ মে অভিযোগ উত্থাপিত হলেও ২০২৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল, দোষী শনাক্তকরণ কিংবা কর পুনঃনির্ধারণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। এতে করপোরেশন বিপুল রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়ে।এ বিষয়ে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময়ে আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তবে বিষয়টি নজরে আসার পর অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদার আইন কর্মকর্তাকে প্রধান করে কমিটি গঠন দেওয়া হয়েছি। কমিটি যাতে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেয়, এ জন্য বারবার তাগাদা দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ার কারণে যদি কাউকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয়, প্রথমে কমিটির প্রধানকে দিতে হবে। আমাকে কেন দেওয়া হলো তা বোধগম্য নয়।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ২৮ অক্টোবর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×