হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বিধানটি তৈরি হয়েছিল দাসদের শিশুদের জন্য, ধনীদের জন্য নয়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:১৯ অপরাহ্ন


ওয়াশিংটন, ১০ ডিসেম্বর – জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল দাসদের শিশুর জন্য, ধনীদের শিশুর জন্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রাপ্তির সাংবিধানিক বিধানটি মূলত দাসপ্রথার শিকার মানুষের শিশুদের জন্য তৈরি হয়েছিল, ধনী বিদেশিদের পুরো পরিবারকে নাগরিক বানানোর উপায় হিসেবে নয়।

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে বহুদিনের বিতর্কের প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পরই এ মন্তব্য করেন তিনি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প। তবে চলতি মাসের ৫ তারিখে বিতর্কটি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানির আদেশ দিয়েছেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

আমেরিকান সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তার প্রশাসনের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ববিরোধী নির্বাহী আদেশের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। বলেন, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা হারলে তা হবে ‘ধ্বংসাত্মক’। ট্রাম্পের অভিযোগ, অনেক বিদেশি নারী যুক্তরাষ্ট্রে শুধু সন্তান জন্ম দিতে আসেন, যাতে শিশুটি নাগরিকত্ব পায় ও পরে পুরো পরিবার সেই সুবিধা নিতে পারে।

ট্রাম্প বলেন, এই মামলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মূলত দাসপ্রথার শিকার মায়ের শিশুদের জন্য তৈরি হয়েছিল। তারিখগুলো দেখলেই বোঝা যায় যে বিষয়টি গৃহযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। কোনো ধনী বিদেশি দেশে এসে পা রাখলো, আর হঠাৎ তার পুরো পরিবার মার্কিন নাগরিক হয়ে গেলো- এ উদ্দেশ্যে এই আইন করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আইনটি ভালো কারণেই করা হয়েছিল ও বিষয়টি এখন মানুষ বুঝতে শুরু করেছে। আদালতে বুঝতে পারছে। আমরা যদি এই মামলায় হেরে যাই, তাহলে তা হবে বিধ্বংসী। ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সুযোগ নিয়ে দেশে আসা লাখেরও বেশি মানুষের দায় নেওয়া সম্ভব নয়।

চলতি বছরের জুনে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে ফেডারেল জেলা আদালতগুলো দেশব্যাপী বা সার্বিক নিষেধাজ্ঞা জারি করার ক্ষমতা রাখে না। পরে ৫ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি আপিল গ্রহণ করে পুরো বিতর্ক নিয়ে শুনানির সিদ্ধান্ত নেন।

সংবিধান অনুযায়ী, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পেতে হলে শিশুকে যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে জন্মগ্রহণ করতে হবে ও তার মা-বাবাকে যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের (জুরিসডিকশন) আওতায় থাকতে হবে। তবে আদালতে উভয় পক্ষই দ্বিতীয় শর্তটির ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে। কে কখন ‘যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের’ আওতায় পড়বে, সেটিই এখন বিতর্কের মূল বিষয়।

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব কী?

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী (১৮৬৮) অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী যে কাউকে নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৫২ সালের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টেও একই ধরনের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বিধানটি তৈরি হয়েছিল দাসদের শিশুদের জন্য, ধনীদের জন্য নয়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বিধানটি তৈরি হয়েছিল দাসদের শিশুদের জন্য, ধনীদের জন্য নয়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:১৯ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ১০ ডিসেম্বর – জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল দাসদের শিশুর জন্য, ধনীদের শিশুর জন্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রাপ্তির সাংবিধানিক বিধানটি মূলত দাসপ্রথার শিকার মানুষের শিশুদের জন্য তৈরি হয়েছিল, ধনী বিদেশিদের পুরো পরিবারকে নাগরিক বানানোর উপায় হিসেবে নয়।জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে বহুদিনের বিতর্কের প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পরই এ মন্তব্য করেন তিনি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প। তবে চলতি মাসের ৫ তারিখে বিতর্কটি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানির আদেশ দিয়েছেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট।আমেরিকান সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তার প্রশাসনের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ববিরোধী নির্বাহী আদেশের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। বলেন, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা হারলে তা হবে ‘ধ্বংসাত্মক’। ট্রাম্পের অভিযোগ, অনেক বিদেশি নারী যুক্তরাষ্ট্রে শুধু সন্তান জন্ম দিতে আসেন, যাতে শিশুটি নাগরিকত্ব পায় ও পরে পুরো পরিবার সেই সুবিধা নিতে পারে।ট্রাম্প বলেন, এই মামলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মূলত দাসপ্রথার শিকার মায়ের শিশুদের জন্য তৈরি হয়েছিল। তারিখগুলো দেখলেই বোঝা যায় যে বিষয়টি গৃহযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। কোনো ধনী বিদেশি দেশে এসে পা রাখলো, আর হঠাৎ তার পুরো পরিবার মার্কিন নাগরিক হয়ে গেলো- এ উদ্দেশ্যে এই আইন করা হয়নি।তিনি আরও বলেন, আইনটি ভালো কারণেই করা হয়েছিল ও বিষয়টি এখন মানুষ বুঝতে শুরু করেছে। আদালতে বুঝতে পারছে। আমরা যদি এই মামলায় হেরে যাই, তাহলে তা হবে বিধ্বংসী। ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সুযোগ নিয়ে দেশে আসা লাখেরও বেশি মানুষের দায় নেওয়া সম্ভব নয়।চলতি বছরের জুনে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে ফেডারেল জেলা আদালতগুলো দেশব্যাপী বা সার্বিক নিষেধাজ্ঞা জারি করার ক্ষমতা রাখে না। পরে ৫ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি আপিল গ্রহণ করে পুরো বিতর্ক নিয়ে শুনানির সিদ্ধান্ত নেন।সংবিধান অনুযায়ী, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পেতে হলে শিশুকে যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে জন্মগ্রহণ করতে হবে ও তার মা-বাবাকে যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের (জুরিসডিকশন) আওতায় থাকতে হবে। তবে আদালতে উভয় পক্ষই দ্বিতীয় শর্তটির ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে। কে কখন ‘যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের’ আওতায় পড়বে, সেটিই এখন বিতর্কের মূল বিষয়।জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব কী?যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী (১৮৬৮) অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী যে কাউকে নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৫২ সালের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টেও একই ধরনের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×