হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

জামুকা বিল পাস, স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে থাকল জামায়াতসহ তিন দলের নাম

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন




ঢাকা, ৯ এপ্রিল – তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলাম পার্টিকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বা জামুকা বিল সংসদে পাস হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা

বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হওয়ার সময় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আপত্তি জানান দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তবে তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে এই বিলের বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই বলে স্পিকারকে লিখিতভাবে জানানো হয়।

এর আগে সংসদের বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে এই বিলের ক্ষেত্রে ভিন্নমত জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা উল্লেখ করেন, অধ্যাদেশটি কোনো পরিবর্তন ছাড়া পাস হলে মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং নেজামে ইসলামের মতো দলগুলো স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবেই থেকে যাবে। এটি কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয় বলে দাবি করেন তারা। তাদের মতে, রাজনৈতিক দলকে সশস্ত্র বাহিনী হিসেবে চিহ্নিত করা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির লক্ষণ।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা এই অধ্যাদেশে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সহযোগী এবং মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় সহযোগী রাজাকার, আলবদর, আলশামস, মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম এবং শান্তি কমিটির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন তারা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাবেন।

পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান যে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির কোনো আপত্তি নেই। এরপর তিনি বিলটি কণ্ঠভোটে দেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও স্পিকার জানান যে বিরোধী দলের আনুষ্ঠানিক আপত্তি নেই, তাই বিলটি কণ্ঠভোটে সরাসরি পাস হয়ে যায়।

এনএন/ ৯ এপ্রিল ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

জামুকা বিল পাস, স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে থাকল জামায়াতসহ তিন দলের নাম

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

জামুকা বিল পাস, স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে থাকল জামায়াতসহ তিন দলের নাম

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৯ এপ্রিল – তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলাম পার্টিকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বা জামুকা বিল সংসদে পাস হয়েছে।বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হওয়ার সময় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আপত্তি জানান দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তবে তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে এই বিলের বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই বলে স্পিকারকে লিখিতভাবে জানানো হয়।এর আগে সংসদের বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে এই বিলের ক্ষেত্রে ভিন্নমত জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা উল্লেখ করেন, অধ্যাদেশটি কোনো পরিবর্তন ছাড়া পাস হলে মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং নেজামে ইসলামের মতো দলগুলো স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবেই থেকে যাবে। এটি কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয় বলে দাবি করেন তারা। তাদের মতে, রাজনৈতিক দলকে সশস্ত্র বাহিনী হিসেবে চিহ্নিত করা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির লক্ষণ।অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা এই অধ্যাদেশে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সহযোগী এবং মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় সহযোগী রাজাকার, আলবদর, আলশামস, মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম এবং শান্তি কমিটির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন তারা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাবেন।পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান যে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির কোনো আপত্তি নেই। এরপর তিনি বিলটি কণ্ঠভোটে দেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও স্পিকার জানান যে বিরোধী দলের আনুষ্ঠানিক আপত্তি নেই, তাই বিলটি কণ্ঠভোটে সরাসরি পাস হয়ে যায়।এনএন/ ৯ এপ্রিল ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×