ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর – বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র নেতাকর্মীরা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে দেশের ৪১ জেলার ৪৩৮টি স্থানে হত্যাযজ্ঞ চালান। এছাড়া অর্ধশতাধিক জেলায় আন্দোলনকারীদের ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
আন্দোলন দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ৫৪তম ও সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে আলমগীর মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মতো জবানবন্দি দেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জবানবন্দি নেওয়া হয়। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
মামলার অপর দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এরই মধ্যে মামুন আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়ার পর জবানবন্দি পেশ করেছেন।
মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তার পেশ করা জবানবন্দির অংশবিশেষ ও প্রদর্শন করা ভিডিও সরাসরি বিটিভিতে সম্প্রচার করা হয়।
আলমগীর চলতি বছরের ১২ মে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ৩১ মে সম্পূরক অভিযোগ দেওয়া হয়। ১ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়। ১০ জুলাই মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে সাবেক আইজিপি মামুনের নিজেকে রাজসাক্ষী করার আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর ৩ আগস্ট থেকে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন