ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি – জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে মালবাহী ট্রাক চালক মো. হোসেন এবং অটোরিকশা চালক সবুজ হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৪১ জনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম সোমবার দুই মামলায় ৬৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ৪১ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
মিরপুরে টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ: ছিটকে গেলেন মুশফিক, অভিষেক হৃদয়ের
রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর হারুন অর রশীদ এবং কাইয়ুম হোসেন নয়ন শুনানি করেন।
শেখ হাসিনা এ দুই মামলায় আসামি। দুই মামলায়ই তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতা হারানোর পর থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। জুলাই হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। এছাড়া প্লট দুর্নীতির পাঁচ মামলায় তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জুলাই হত্যার আরও কয়েক ডজন মামলায় তার নাম আসামির তালিকায় রয়েছে।
হোসেন হত্যা
শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, আসিফ আহ্মেদ, তারেকুজ্জামান রাজিব, শেখ বজলুর রহমান, নুর মোহাম্মদ সেন্টু আছেন।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানসহ চারজন কারাগারে রয়েছেন। জামিনে রয়েছেন ১০ জন।
সবুজ হত্যা
চব্বিশের অভ্যুত্থানের শেষ সময়ে ৪ আগস্ট মোহাম্মদপুরে ময়ূর ভিলার সামনে গুলিবিদ্ধ হন ২২ বছর বয়সী সবুজ। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৪৫০-৫০০ জনকে আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন সবুজের ভাই মনির হোসেন।
সাদেক খানসহ তিনজন কারাগারে আছেন। জামিনে রয়েছেন ৬ জন।
এনএন/ ২৬ জানুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন