হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম, ১৮ মার্চ – চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় জেপি সনেট লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন অবশেষে পরিশোধ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কঠোর হস্তক্ষেপে কারখানার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের পাওনা প্রায় ১৬ লাখ টাকা বুঝিয়ে দিতে বাধ্য হয়। এর মধ্য দিয়ে টানা চার দিনের শ্রমিক অসন্তোষের অবসান ঘটল।

গত ১৪ মার্চ থেকে তিন মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানার প্রায় ১৩০ জন শ্রমিক অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। এরপর ১৬ মার্চ জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং শিল্প পুলিশের উপস্থিতিতে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মালিকপক্ষ যন্ত্রপাতি বিক্রি করে পাওনা পরিশোধের লিখিত প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু ১৭ মার্চ রাত পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে এবং নারী শ্রমিকসহ অনেকেই কারখানায় অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসক কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস জানান, প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া পরিশোধের সক্ষমতা ছিল না। তাই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে কারখানার যন্ত্রপাতি ও মজুত মালামাল বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। রাত ১২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ার পর আজ ১৮ মার্চ ভোর ৬টায় পুরো টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সজিব দাস জানান, বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও টাকা জোগাড় করতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করেই শ্রমিকদের পাওনা মেটাতে হয়েছে। প্রশাসনের তদারকিতে কাজ হওয়ায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ভুক্তভোগী সিনিয়র অপারেটর মো. মনির হোসেন জানান, জেলা প্রশাসক নিজে টেলিফোনে সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বক্ষণিক তদারকি করেন। তিনি মালিকপক্ষকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছিলেন যে প্রয়োজনে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে হলেও বকেয়া মেটাতে হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বিষয়টি জানার পরই একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে কারখানায় পাঠানো হয়। ঈদের আগে শ্রমিকদের দুর্দশার কথা বিবেচনা করে যন্ত্রপাতি বিক্রি করার মতো কঠোর নির্দেশ দেওয়া ছাড়া অন্য উপায় ছিল না।

এনএন/ ১৮ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] চট্টগ্রাম, ১৮ মার্চ – চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় জেপি সনেট লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন অবশেষে পরিশোধ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কঠোর হস্তক্ষেপে কারখানার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের পাওনা প্রায় ১৬ লাখ টাকা বুঝিয়ে দিতে বাধ্য হয়। এর মধ্য দিয়ে টানা চার দিনের শ্রমিক অসন্তোষের অবসান ঘটল।গত ১৪ মার্চ থেকে তিন মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানার প্রায় ১৩০ জন শ্রমিক অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। এরপর ১৬ মার্চ জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং শিল্প পুলিশের উপস্থিতিতে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মালিকপক্ষ যন্ত্রপাতি বিক্রি করে পাওনা পরিশোধের লিখিত প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু ১৭ মার্চ রাত পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে এবং নারী শ্রমিকসহ অনেকেই কারখানায় অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসক কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন।জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস জানান, প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া পরিশোধের সক্ষমতা ছিল না। তাই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে কারখানার যন্ত্রপাতি ও মজুত মালামাল বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। রাত ১২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ার পর আজ ১৮ মার্চ ভোর ৬টায় পুরো টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সজিব দাস জানান, বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও টাকা জোগাড় করতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করেই শ্রমিকদের পাওনা মেটাতে হয়েছে। প্রশাসনের তদারকিতে কাজ হওয়ায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।ভুক্তভোগী সিনিয়র অপারেটর মো. মনির হোসেন জানান, জেলা প্রশাসক নিজে টেলিফোনে সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বক্ষণিক তদারকি করেন। তিনি মালিকপক্ষকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছিলেন যে প্রয়োজনে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে হলেও বকেয়া মেটাতে হবে।জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বিষয়টি জানার পরই একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে কারখানায় পাঠানো হয়। ঈদের আগে শ্রমিকদের দুর্দশার কথা বিবেচনা করে যন্ত্রপাতি বিক্রি করার মতো কঠোর নির্দেশ দেওয়া ছাড়া অন্য উপায় ছিল না।এনএন/ ১৮ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×