হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টাইফয়েড টিকা পেয়েছে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ শিশু

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ০৮ ডিসেম্বর – বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ শিশু টাইফয়েড টিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। রোববার (৭ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে রানা ফ্লাওয়ার্সকে উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানায় ইউনিসেফ।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে টাইফয়েড প্রতিরোধে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) ক্যাম্পেইন-২০২৫ এ দেশের ৯৭ শতাংশের বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার। এতে ৪ কোটি ২৫ লাখেরও বেশি শিশু সুরক্ষিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। তার ভাষায়, এই অর্জন প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশ শিশুদের জীবনরক্ষাকারী সুরক্ষা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুন

হাসপাতালে ভর্তি শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, জীবনরক্ষাকারী টিসিভি ক্যাম্পেইন চালু করা বিশ্বের মাত্র আটটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি। দেশের শিশুরা প্রতিদিন দূষিত পানির ঝুঁকির মধ্যে থাকায় এই টিকা কার্যক্রম শিশুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) পরিচালিত সর্বশেষ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে—এমআইসিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাত্র ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানির ব্যবস্থাপনার আওতায় আছে। পানির বিভিন্ন উৎসের প্রায় অর্ধেক এবং পরিবারের ব্যবহৃত পানির ৮৫ শতাংশেই ই. কোলাই দূষণ পাওয়া গেছে, যা লাখো শিশুর জন্য টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, পরিষ্কার পানি না পাওয়া পর্যন্ত শিশুদের সুরক্ষার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়গুলোর একটি হলো টিসিভি টিকা।

দুর্গম উপকূল, জলাভূমি, পাহাড়ি এলাকা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়, চা-বাগান, কওমি মাদরাসা, ভ্রাম্যমাণ পরিবার ও যৌনকর্মীদের সন্তানসহ সব ধরনের শিশুদের কাছে টিকা পৌঁছানো হয়েছে। রোহিঙ্গা শিবিরেও ৪ লাখ ২৪ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ইপিআই কর্মসূচি, গ্যাভি, ডব্লিউএইচও ও গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, যখন গুজব ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে, তখন সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমের ভূমিকা পরিবারগুলোকে আস্থা দিয়েছে।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

টাইফয়েড টিকা পেয়েছে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ শিশু

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টাইফয়েড টিকা পেয়েছে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ শিশু

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৮ ডিসেম্বর – বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ শিশু টাইফয়েড টিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। রোববার (৭ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে রানা ফ্লাওয়ার্সকে উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানায় ইউনিসেফ।বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে টাইফয়েড প্রতিরোধে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) ক্যাম্পেইন-২০২৫ এ দেশের ৯৭ শতাংশের বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার। এতে ৪ কোটি ২৫ লাখেরও বেশি শিশু সুরক্ষিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। তার ভাষায়, এই অর্জন প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশ শিশুদের জীবনরক্ষাকারী সুরক্ষা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, জীবনরক্ষাকারী টিসিভি ক্যাম্পেইন চালু করা বিশ্বের মাত্র আটটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি। দেশের শিশুরা প্রতিদিন দূষিত পানির ঝুঁকির মধ্যে থাকায় এই টিকা কার্যক্রম শিশুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) পরিচালিত সর্বশেষ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে—এমআইসিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাত্র ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানির ব্যবস্থাপনার আওতায় আছে। পানির বিভিন্ন উৎসের প্রায় অর্ধেক এবং পরিবারের ব্যবহৃত পানির ৮৫ শতাংশেই ই. কোলাই দূষণ পাওয়া গেছে, যা লাখো শিশুর জন্য টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, পরিষ্কার পানি না পাওয়া পর্যন্ত শিশুদের সুরক্ষার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়গুলোর একটি হলো টিসিভি টিকা।দুর্গম উপকূল, জলাভূমি, পাহাড়ি এলাকা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়, চা-বাগান, কওমি মাদরাসা, ভ্রাম্যমাণ পরিবার ও যৌনকর্মীদের সন্তানসহ সব ধরনের শিশুদের কাছে টিকা পৌঁছানো হয়েছে। রোহিঙ্গা শিবিরেও ৪ লাখ ২৪ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ইপিআই কর্মসূচি, গ্যাভি, ডব্লিউএইচও ও গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, যখন গুজব ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে, তখন সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমের ভূমিকা পরিবারগুলোকে আস্থা দিয়েছে।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×