হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফে যৌথ অভিযানের মধ্যে ডাকাত ও মানবপাচার মামলার দুই আসামির আত্মসমর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের টেকনাফে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চলমান যৌথ অভিযানের মধ্যে চিহ্নিত এক ডাকাত ও এক মানবপাচার মামলার আসামি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তাঁরা পৃথকভাবে আত্মসমর্পণ…

কক্সবাজারের টেকনাফে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চলমান যৌথ অভিযানের মধ্যে চিহ্নিত এক ডাকাত ও এক মানবপাচার মামলার আসামি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তাঁরা পৃথকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।

পরে মানবপাচার মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৮ সেপ্টেম্বর টেকনাফে এপিবিএন, টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসারের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চলাকালে টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা নূর হোসেন ওরফে নূর হাছান (২৭) নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড পুলিশ ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নূর হোসেনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ সাতটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।একই দিন বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে আত্মসমর্পণ করেন মানবপাচার মামলার আসামি মো. হোছেন ড্রাইভার (৪০)।

তিনি বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে মানবপাচারসহ সাতটি মামলা বিচারাধীন এবং দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

পরে তাঁকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। বাকীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ আত্মসমর্পণকারী দুজন অতীতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকলেও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয় জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ডাকাতি, মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইলে আইনগত প্রক্রিয়ায় তাঁদের সহযোগিতা করা হবে। স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অহেতুক হয়রানি করা হবে না।তবে অপরাধ দমনে শূন্য সহনশীলতার নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: টেকনাফে যৌথ অভিযানের মধ্যে ডাকাত ও মানবপাচার মামলার দুই আসামির আত্মসমর্পণ সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের টেকনাফে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চলমান যৌথ অভিযানের মধ্যে চিহ্নিত এক ডাকাত ও এক মানবপাচার মামলার আসামি পুলিশের কাছে আত্মসমর্। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

টেকনাফে যৌথ অভিযানের মধ্যে ডাকাত ও মানবপাচার মামলার দুই আসামির আত্মসমর্পণ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফে যৌথ অভিযানের মধ্যে ডাকাত ও মানবপাচার মামলার দুই আসামির আত্মসমর্পণ

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের টেকনাফে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চলমান যৌথ অভিযানের মধ্যে চিহ্নিত এক ডাকাত ও এক মানবপাচার মামলার আসামি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তাঁরা পৃথকভাবে আত্মসমর্পণ করেন। পরে মানবপাচার মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৮ সেপ্টেম্বর টেকনাফে এপিবিএন, টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসারের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চলাকালে টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা নূর হোসেন ওরফে নূর হাছান (২৭) নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড পুলিশ ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নূর হোসেনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ সাতটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।একই দিন বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে আত্মসমর্পণ করেন মানবপাচার মামলার আসামি মো. হোছেন ড্রাইভার (৪০)। তিনি বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে মানবপাচারসহ সাতটি মামলা বিচারাধীন এবং দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। বাকীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ আত্মসমর্পণকারী দুজন অতীতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকলেও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয় জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ডাকাতি, মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইলে আইনগত প্রক্রিয়ায় তাঁদের সহযোগিতা করা হবে। স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অহেতুক হয়রানি করা হবে না।তবে অপরাধ দমনে শূন্য সহনশীলতার নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×