হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফে যৌথ অভিযানে পাচারের শিকার নারী-শিশুসহ ৩৮ জন উদ্ধার, আটক ২ মানবপাচারকারী

শহিদুল ইসলাম ::

শহিদুল ইসলাম ::

শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়ার গহীন পাহাড়ি এলাকা থেকে মানবপাচারের শিকার নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ৩৮ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর একটি যৌথ দল। এ সময় দুই মানবপাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত দুই মানবপাচারকারীদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর ২০২৫) দিবাগত রাত ২টার দিকে এদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক দুপুরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর একটি যৌথ বাহিনী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন গহীন পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বন্দি করে রাখা ১৮ জন নারী, ১২ জন পুরুষ ও ৮ জন শিশুসহ মোট ৩৮ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন

উখিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার

ভুক্তভোগীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পাচারকারীরা তাদের বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে আটক করে রেখেছিল। মুক্তিপণ আদায়ের জন্য তাদের উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন অনেকে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই যৌথ অভিযানে গহীন পাহাড়ি একটি আস্তানা থেকে পাচারের শিকার ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পাচারকারীদের মধ্যে দুইজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের প্রাথমিক সুরক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। আটককৃত পাচারকারীদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, “বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় মানবপাচারসহ যেকোনো অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই ধরনের মানবপাচার চক্র দীর্ঘদিন ধরে উখিয়া উপকূলীয় অঞ্চলে সক্রিয় ছিল। যৌথ অভিযানে তাদের আস্তানায় আঘাত হানায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তাঁরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানান।
#####

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

টেকনাফে যৌথ অভিযানে পাচারের শিকার নারী-শিশুসহ ৩৮ জন উদ্ধার, আটক ২ মানবপাচারকারী

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফে যৌথ অভিযানে পাচারের শিকার নারী-শিশুসহ ৩৮ জন উদ্ধার, আটক ২ মানবপাচারকারী

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম :: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়ার গহীন পাহাড়ি এলাকা থেকে মানবপাচারের শিকার নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ৩৮ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর একটি যৌথ দল। এ সময় দুই মানবপাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত দুই মানবপাচারকারীদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (৩ অক্টোবর ২০২৫) দিবাগত রাত ২টার দিকে এদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক দুপুরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর একটি যৌথ বাহিনী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন গহীন পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বন্দি করে রাখা ১৮ জন নারী, ১২ জন পুরুষ ও ৮ জন শিশুসহ মোট ৩৮ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। ভুক্তভোগীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পাচারকারীরা তাদের বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে আটক করে রেখেছিল। মুক্তিপণ আদায়ের জন্য তাদের উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন অনেকে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই যৌথ অভিযানে গহীন পাহাড়ি একটি আস্তানা থেকে পাচারের শিকার ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পাচারকারীদের মধ্যে দুইজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের প্রাথমিক সুরক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। আটককৃত পাচারকারীদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, “বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় মানবপাচারসহ যেকোনো অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই ধরনের মানবপাচার চক্র দীর্ঘদিন ধরে উখিয়া উপকূলীয় অঞ্চলে সক্রিয় ছিল। যৌথ অভিযানে তাদের আস্তানায় আঘাত হানায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তাঁরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানান। #####

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×