ঢাকা, ০৯ জানুয়ারি – দীর্ঘ ৫৪ বছরের জঞ্জাল দেড় বছরের সরকারের পক্ষে পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, এই সীমিত সময়ে যতটুকু করা সম্ভব, তা করা হয়েছে। ফলে দায়িত্ব ছাড়ার পর জবাবদিহিতা দিতে বা কাঠগড়ায় দাঁড়াতে তার কোনো আপত্তি নেই।
শুক্রবার সকাল ১০টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে (কেআইবি) ‘বাংলাদেশের পরিবেশ সংস্কার: প্রয়োজনীয়তা ও করণীয়’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইরান সংঘাত ও মার্কিন রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ: ট্রাম্প ও ওবামার মুখোমুখি অবস্থান
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, পলিথিন নিষিদ্ধের আইন আগে থেকেই ছিল, তবে অন্তর্বর্তী সরকার তা কার্যকর করেছে—এটাই প্রকৃত সংস্কার। সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও নিষেধাজ্ঞার ফলে সেখানে প্রাণবৈচিত্র্য ফিরে এসেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে দুঃখজনকভাবে এ উদ্যোগগুলোর পক্ষে পরিবেশবাদীদের দৃশ্যমান সমর্থন পাওয়া যায়নি।
তিনি জানান, চারটি নদী ও ২০টি খাল দূষণের সঙ্গে জড়িত ৭৫০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি বায়ুদূষণ রোধে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো টানা তিন বছর বজায় রাখা গেলে দূষণের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
কারওয়ান বাজার এলাকার পান্থকুঞ্জ পার্কে র্যাম্প নির্মাণ প্রসঙ্গে রিজওয়ানা হাসান বলেন, র্যাম্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত ছিল পূর্ববর্তী সরকারের। বর্তমান সরকার এটি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আদালতও এ বিষয়ে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। তবে প্রকল্পটি পুরোপুরি বাতিল করলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যার কারণে এটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা জটিল হয়ে পড়েছে।




মন্তব্য করুন