দীর্ঘদিনের দাবি, প্রত্যাশা ও প্রয়োজনীয়তার পরিপ্রেক্ষিতে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জন সশস্ত্র আনসার সদস্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
রোববার (১২ জুলাই) থেকে তারা হাসপাতালের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটল।
মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি দ্বীপাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের জন্য অন্যতম প্রধান সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত রোগী ও তাদের স্বজন চিকিৎসাসেবা নিতে এখানে আসেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকায় চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। পাশাপাশি হাসপাতাল এলাকায় চুরি, বিশৃঙ্খলা এবং কথিত দালালচক্রের তৎপরতা নিয়েও স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল।
হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েনের ফলে হাসপাতালের প্রবেশপথ, ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা নজরদারি আরও শক্তিশালী হবে। এতে চিকিৎসাসেবা প্রদানের পরিবেশ আরও সুশৃঙ্খল হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সম্পদ রক্ষায়ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, শুধু আনসার সদস্য মোতায়েনই নয়, হাসপাতালের অভ্যন্তরে অনিয়ম, দালালচক্রের তৎপরতা ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মতে, নিরাপত্তা ব্যবস্থার এই উন্নয়ন কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে সাধারণ রোগীরা আরও নির্বিঘ্নে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়ায় স্থানীয়দের অনেকেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সশস্ত্র আনসার সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে হাসপাতালের সার্বিক নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে, স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরাপদ পরিবেশে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন এবং রোগীরাও অধিক শৃঙ্খলাপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে চিকিৎসাসেবা পাবেন। তবে চুরি বা দালালচক্রের তৎপরতা কমেছে কি না, সে বিষয়ে সময়ের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।




মন্তব্য করুন