হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

দুই দিনের গণবিক্ষোভে নেপালের ক্ষয়ক্ষতি ২০০ বিলিয়ন রুপির বেশি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন


কাঠমান্ডু, ১১ সেপ্টেম্বর – চলতি সপ্তাহের শুরুতে দুই দিনের গণবিক্ষোভে নেপালজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের ধারণা, এ বিক্ষোভে ২০০ বিলিয়ন রুপির বেশি মূল্যের সরকারি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।

বিভিন্ন ভবন ধ্বংসের পাশাপাশি ঐতিহাসিক দলিলপত্র এবং নথিও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) নেপালি সংবাদমাধ্যম খবরহাব এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটিকে নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন— সিংহ দরবার (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সচিবালয়), পার্লামেন্ট ভবন এবং সুপ্রিম কোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো তৈরিতে বিলিয়ন বিলিয়ন রুপি খরচ হয়েছিল।

মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র বলেছেন, “এই স্থাপনাগুলোর বেশিরভাগই সংস্কারের অযোগ্য। ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামত করা গেলেও এগুলো সেভাবে করা যাবে না। এ স্থাপনাগুলো নতুন করে তৈরি করতে প্রায় ২০০ বিলিয়ন রুপি খরচ হবে।” তিনি আরও জানান, এই হিসাবের মধ্যে শুধু ভবনগুলোর খরচ ধরা হয়েছে। এরসঙ্গে অন্য আরও খরচও রয়েছে।

মঙ্গলবারের গণবিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীা শুধুমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠানই নয়, তারা ব্যক্তিগত সম্পদকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। রাজনৈতিক নেতাদের বাড়ি, ব্যবসায়িক কমপ্লেক্স, পর্যটন অবকাঠামো, গাড়ির শোরুম, গণমাধ্যম কার্যালয়সহ অনেক কিছুতে আগুন দিয়েছেন।

গত সোমবার বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে পুলিশ। এতে ১৯ জন মারা গেলে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। মঙ্গলবার সকাল থেকেই আন্দোলনকারীরা সরকারি স্থাপনাগুলোতে আগুন দেওয়া শুরু করেন।

এই গণবিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

সরকারি অবকাঠামোতে ভাঙচুর চালানোয় সরকারি কর্মকাণ্ড থমকে গেছে। সুপ্রিম কোর্টের ভবন পুড়িয়ে দেওয়ায় এখন তাঁবুতে অফিস বানিয়ে কাজ চালানোর চেষ্টা চলছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২০০ বিলিয়ন রুপি বলা হলেও এ সংখ্যা বাস্তবে আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে নেপালের নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

দুই দিনের গণবিক্ষোভে নেপালের ক্ষয়ক্ষতি ২০০ বিলিয়ন রুপির বেশি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

দুই দিনের গণবিক্ষোভে নেপালের ক্ষয়ক্ষতি ২০০ বিলিয়ন রুপির বেশি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] কাঠমান্ডু, ১১ সেপ্টেম্বর – চলতি সপ্তাহের শুরুতে দুই দিনের গণবিক্ষোভে নেপালজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের ধারণা, এ বিক্ষোভে ২০০ বিলিয়ন রুপির বেশি মূল্যের সরকারি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।বিভিন্ন ভবন ধ্বংসের পাশাপাশি ঐতিহাসিক দলিলপত্র এবং নথিও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) নেপালি সংবাদমাধ্যম খবরহাব এ তথ্য জানিয়েছে।সংবাদমাধ্যমটিকে নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন— সিংহ দরবার (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সচিবালয়), পার্লামেন্ট ভবন এবং সুপ্রিম কোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো তৈরিতে বিলিয়ন বিলিয়ন রুপি খরচ হয়েছিল।মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র বলেছেন, “এই স্থাপনাগুলোর বেশিরভাগই সংস্কারের অযোগ্য। ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামত করা গেলেও এগুলো সেভাবে করা যাবে না। এ স্থাপনাগুলো নতুন করে তৈরি করতে প্রায় ২০০ বিলিয়ন রুপি খরচ হবে।” তিনি আরও জানান, এই হিসাবের মধ্যে শুধু ভবনগুলোর খরচ ধরা হয়েছে। এরসঙ্গে অন্য আরও খরচও রয়েছে।মঙ্গলবারের গণবিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীা শুধুমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠানই নয়, তারা ব্যক্তিগত সম্পদকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। রাজনৈতিক নেতাদের বাড়ি, ব্যবসায়িক কমপ্লেক্স, পর্যটন অবকাঠামো, গাড়ির শোরুম, গণমাধ্যম কার্যালয়সহ অনেক কিছুতে আগুন দিয়েছেন।গত সোমবার বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে পুলিশ। এতে ১৯ জন মারা গেলে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। মঙ্গলবার সকাল থেকেই আন্দোলনকারীরা সরকারি স্থাপনাগুলোতে আগুন দেওয়া শুরু করেন।এই গণবিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।সরকারি অবকাঠামোতে ভাঙচুর চালানোয় সরকারি কর্মকাণ্ড থমকে গেছে। সুপ্রিম কোর্টের ভবন পুড়িয়ে দেওয়ায় এখন তাঁবুতে অফিস বানিয়ে কাজ চালানোর চেষ্টা চলছে।প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২০০ বিলিয়ন রুপি বলা হলেও এ সংখ্যা বাস্তবে আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে নেপালের নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×