হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

দেশ ছেড়ে পালালেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:২৬ অপরাহ্ন


ব্যাংকক, ০৪ সেপ্টেম্বর – থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ থাকসিন সিনাওয়াত্রা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি গোপনে দেশ থেকে বিদায় নিয়েছেন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে থাইল্যান্ডের পুলিশ।

পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭ টা ১৭ মিনিটে ব্যাংককের ডন মুয়েয়াং বিমান বন্দর থেকে একটি প্রাইভেট বিমানে চেপে দেশ ছাড়েন থাকসিন। তিনি কোথায় গেছেন, তা এখনও জানা যায়নি এবং বিমানে ওঠার সময়ে আদালতের কোনো লিখিত অনুমতি তার সঙ্গে ছিল না বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

থাকসিনের আইনজীবী উইনইয়াত চাতমন্ত্রি রয়টার্সকে বলেছেন, তার মক্কেলের দেশত্যাগের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। থাকসিনের রাজনৈতিক দল পিউ থাই পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, কিন্তু কোনো মুখপাত্র এ ইস্যুতে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

প্রসঙ্গত, থাইল্যান্ডের জাতীয় রাজনীতিতে থাকসিন সিনাওয়াত্রা এবং তার পরিবার বেশ প্রভাবশালী। ২০০১ সালে প্রথম থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর হন তিনি এবং এই পদে মেয়াদ পূর্ণ করেন ২০০৫ সালে। এরপর সেই বছর নির্বাচনে জয়ী হয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হন থাকসিন। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে এক বছরও টিকতে পারেনি তিনি। ২০০৬ সালে এক সেনা অভ্যুত্থানে পতন ঘটে থাকসিনের নেতৃত্বাধীন সরকারের, এবং লন্ডনে পালিয়ে যান তিনি।

তবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও থাইল্যান্ডের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল পিউ থাই পার্টিতে তার প্রভাব ছিল। পিউ থাই পার্টিতে এমনিতেই থাকসিন এবং তার পরিবারের আধিপত্য ব্যাপক। থাকসিনের পরিবার থেকে তিনিসহ এ পর্যন্ত ৬ জন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন তার মেয়ে পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। ২০২৩ সালে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হন পায়েতংতার্ন; তবে ২০২৫ সালের আগস্টে আদালতের আদেশে প্রধানমন্ত্রীর পদ হাতছাড়া হয় তার।

এই পরিস্থিতিতেই প্রাইভেট বিমানে সবার অলক্ষ্যে দেশত্যাগ করলেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

দেশ ছেড়ে পালালেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

দেশ ছেড়ে পালালেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:২৬ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ব্যাংকক, ০৪ সেপ্টেম্বর – থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ থাকসিন সিনাওয়াত্রা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি গোপনে দেশ থেকে বিদায় নিয়েছেন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে থাইল্যান্ডের পুলিশ।পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭ টা ১৭ মিনিটে ব্যাংককের ডন মুয়েয়াং বিমান বন্দর থেকে একটি প্রাইভেট বিমানে চেপে দেশ ছাড়েন থাকসিন। তিনি কোথায় গেছেন, তা এখনও জানা যায়নি এবং বিমানে ওঠার সময়ে আদালতের কোনো লিখিত অনুমতি তার সঙ্গে ছিল না বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।থাকসিনের আইনজীবী উইনইয়াত চাতমন্ত্রি রয়টার্সকে বলেছেন, তার মক্কেলের দেশত্যাগের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। থাকসিনের রাজনৈতিক দল পিউ থাই পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, কিন্তু কোনো মুখপাত্র এ ইস্যুতে মন্তব্য করতে রাজি হননি।প্রসঙ্গত, থাইল্যান্ডের জাতীয় রাজনীতিতে থাকসিন সিনাওয়াত্রা এবং তার পরিবার বেশ প্রভাবশালী। ২০০১ সালে প্রথম থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর হন তিনি এবং এই পদে মেয়াদ পূর্ণ করেন ২০০৫ সালে। এরপর সেই বছর নির্বাচনে জয়ী হয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হন থাকসিন। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে এক বছরও টিকতে পারেনি তিনি। ২০০৬ সালে এক সেনা অভ্যুত্থানে পতন ঘটে থাকসিনের নেতৃত্বাধীন সরকারের, এবং লন্ডনে পালিয়ে যান তিনি।তবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও থাইল্যান্ডের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল পিউ থাই পার্টিতে তার প্রভাব ছিল। পিউ থাই পার্টিতে এমনিতেই থাকসিন এবং তার পরিবারের আধিপত্য ব্যাপক। থাকসিনের পরিবার থেকে তিনিসহ এ পর্যন্ত ৬ জন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন তার মেয়ে পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। ২০২৩ সালে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হন পায়েতংতার্ন; তবে ২০২৫ সালের আগস্টে আদালতের আদেশে প্রধানমন্ত্রীর পদ হাতছাড়া হয় তার।এই পরিস্থিতিতেই প্রাইভেট বিমানে সবার অলক্ষ্যে দেশত্যাগ করলেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×