হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ফিরল ফুটবল: গাজায় যুদ্ধের ক্ষত নিয়ে মাঠে নামলেন খেলোয়াড়রা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন


গাজা উপত্যকা, ১১ ফেব্রুয়ারি – ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও গাজা উপত্যকায় দুই বছরেরও বেশি সময় পর আবারও মাঠে গড়িয়েছে ফুটবল। চারদিকে যখন কেবল ধ্বংসস্তূপ আর স্বজন হারানোর হাহাকার, তখন এই খেলা সেখানকার মানুষের মনে কিছুটা হলেও প্রাণের সঞ্চার করেছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি গাজা সিটির তাল আল-হাওয়া এলাকায় ‘ফাইভ-এ-সাইড’ নামক একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।

ইট-পাথরের জঞ্জাল আর ধসে পড়া ভবনের মাঝেই জরাজীর্ণ মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল জাবালিয়া ইয়ুথ ও আল-সাদাকা। ম্যাচটি ড্রতে শেষ হলেও গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উৎসাহে কোনো কমতি ছিল না। ‘প্যালেস্টাইন পিচ’ এর ভাঙা বেড়ার পাশ থেকেই তারা উল্লাসে মেতে ওঠেন। জাবালিয়া ইয়ুথের ২১ বছর বয়সী ফুটবলার ইউসুফ জেন্দিয়া নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, তার নিজের বাড়িও ইসরায়েলি বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অনুভূতিটা মিশ্র; দ্বিধা, আনন্দ ও বেদনার সংমিশ্রণ। সকালে মানুষ যখন পানি ও রুটির সন্ধানে বের হয়, তখন জীবনটা খুব কঠিন মনে হয়। তবে দিনের শেষে মাঠে এসে ফুটবল খেলতে পারাটা আমাদের ভেতরের আনন্দকে কিছুটা হলেও প্রকাশ করার সুযোগ করে দেয়। তবে খেলার মাঠে এসে অনেক সতীর্থকে না পেয়ে বেদনাহত হন ইউসুফ, কারণ তাদের অনেকেই হামলায় নিহত বা আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন

২০ বিলিয়ন ডলারের বাতিল বিশ্বকাপ বাণিজ্যিক পরিকল্পনার নথি দেখতে পারবেন ফিফা কাউন্সিলের সদস্যরা

ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য একটি ক্ষতিগ্রস্ত মাঠের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে, নতুন করে বেড়া দিয়ে এবং পুরনো টার্ফ পরিষ্কার করে খেলার উপযোগী করে তোলে। বেইত হানুনের ৩১ বছর বয়সী খেলোয়াড় আমজাদ আবু আওদা বলেন, ধ্বংসযজ্ঞ ও যুদ্ধের ভয়াবহতা সত্ত্বেও তারা হার মানতে রাজি নন। খেলার মাধ্যমে তারা বিশ্বকে এই বার্তাই দিতে চান যে, জীবন কখনোই থেমে থাকে না।

এসএএস/ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

খেলাধুলা
Card Image

ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ফিরল ফুটবল: গাজায় যুদ্ধের ক্ষত নিয়ে মাঠে নামলেন খেলোয়াড়রা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ফিরল ফুটবল: গাজায় যুদ্ধের ক্ষত নিয়ে মাঠে নামলেন খেলোয়াড়রা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] গাজা উপত্যকা, ১১ ফেব্রুয়ারি – ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও গাজা উপত্যকায় দুই বছরেরও বেশি সময় পর আবারও মাঠে গড়িয়েছে ফুটবল। চারদিকে যখন কেবল ধ্বংসস্তূপ আর স্বজন হারানোর হাহাকার, তখন এই খেলা সেখানকার মানুষের মনে কিছুটা হলেও প্রাণের সঞ্চার করেছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি গাজা সিটির তাল আল-হাওয়া এলাকায় ‘ফাইভ-এ-সাইড’ নামক একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।ইট-পাথরের জঞ্জাল আর ধসে পড়া ভবনের মাঝেই জরাজীর্ণ মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল জাবালিয়া ইয়ুথ ও আল-সাদাকা। ম্যাচটি ড্রতে শেষ হলেও গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উৎসাহে কোনো কমতি ছিল না। ‘প্যালেস্টাইন পিচ’ এর ভাঙা বেড়ার পাশ থেকেই তারা উল্লাসে মেতে ওঠেন। জাবালিয়া ইয়ুথের ২১ বছর বয়সী ফুটবলার ইউসুফ জেন্দিয়া নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, তার নিজের বাড়িও ইসরায়েলি বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অনুভূতিটা মিশ্র; দ্বিধা, আনন্দ ও বেদনার সংমিশ্রণ। সকালে মানুষ যখন পানি ও রুটির সন্ধানে বের হয়, তখন জীবনটা খুব কঠিন মনে হয়। তবে দিনের শেষে মাঠে এসে ফুটবল খেলতে পারাটা আমাদের ভেতরের আনন্দকে কিছুটা হলেও প্রকাশ করার সুযোগ করে দেয়। তবে খেলার মাঠে এসে অনেক সতীর্থকে না পেয়ে বেদনাহত হন ইউসুফ, কারণ তাদের অনেকেই হামলায় নিহত বা আহত হয়েছেন।ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য একটি ক্ষতিগ্রস্ত মাঠের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে, নতুন করে বেড়া দিয়ে এবং পুরনো টার্ফ পরিষ্কার করে খেলার উপযোগী করে তোলে। বেইত হানুনের ৩১ বছর বয়সী খেলোয়াড় আমজাদ আবু আওদা বলেন, ধ্বংসযজ্ঞ ও যুদ্ধের ভয়াবহতা সত্ত্বেও তারা হার মানতে রাজি নন। খেলার মাধ্যমে তারা বিশ্বকে এই বার্তাই দিতে চান যে, জীবন কখনোই থেমে থাকে না।এসএএস/ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×