হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

নাব্যতা সংকটে অচল রৌমারী-চিলমারী ফেরি, চরম ভোগান্তিতে উত্তরাঞ্চলের মানুষ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন


কুড়িগ্রাম, ২ মার্চ – দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে রৌমারী ও চিলমারী ফেরি সার্ভিস চালু হলেও নাব্যতা সংকটের কারণে তা এখন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী রমনা ঘাট দিয়ে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং রৌমারী প্রান্ত দিয়ে ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলার যানবাহন এই রুট ব্যবহার করত।

আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

ফেরি সচল থাকলে এই অঞ্চল থেকে ঢাকার দূরত্ব ১২০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কমে যেত ফলে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় কম হতো। কিন্তু ফেরি চালুর আড়াই বছরের মধ্যেই নাব্যতা সংকটের কারণে একাধিকবার বন্ধ হয়েছে এই সেবা এবং সবশেষ গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে ফেরি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এতে উত্তরাঞ্চলের প্রায় ২০টি জেলার যানবাহন ও সাধারণ মানুষের ঢাকায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং ট্রাকচালকদের দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করতে হওয়ায় বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ভূরুঙ্গামারীর আন্তঃজেলা ট্রাকচালক ফ‌রিদ মিয়া জানিয়েছেন সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে পাথর নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যেতে চিলমারী ফেরি রুটটি অনেক সুবিধাজনক ছিল। আরেক ট্রাকচালক হা‌মিদুল ইসলাম জানান ফেরি বন্ধ থাকায় তারা এখন বিড়ম্বনায় পড়ছেন এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ফেরি চালু রাখলে এলাকাটি অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হতো।

প্রতিবছর শুকনো মৌসুমে ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা কমে যাওয়ায় জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত ফেরি চলাচল ব্যাহত হয় তবে চলতি মৌসুমে আগাম পলি ভরাটের কারণে চ্যানেল সংকুচিত হয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বর্তমানে এই রুটে নিয়োজিত দুটি ফেরি কদম ও কুঞ্জলতা রৌমারী প্রান্তে পন্টুনের সঙ্গে চরে আটকে রয়েছে এবং কার্যকর ড্রেজিং না হওয়ায় ফেরিগুলোর যান্ত্রিক ও অবকাঠামোগত ঝুঁকি বাড়ছে।

বিআইডাব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী সমির পাল জানিয়েছেন প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ড্রেজিং করে প্রায় ৪০ মিটার খনন করা হচ্ছে তবে আগামী এপ্রিল অথবা মে মাসের আগে ফেরি চালু করা সম্ভব নয়।

এম ম/ ২ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

নাব্যতা সংকটে অচল রৌমারী-চিলমারী ফেরি, চরম ভোগান্তিতে উত্তরাঞ্চলের মানুষ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

নাব্যতা সংকটে অচল রৌমারী-চিলমারী ফেরি, চরম ভোগান্তিতে উত্তরাঞ্চলের মানুষ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] কুড়িগ্রাম, ২ মার্চ – দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে রৌমারী ও চিলমারী ফেরি সার্ভিস চালু হলেও নাব্যতা সংকটের কারণে তা এখন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী রমনা ঘাট দিয়ে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং রৌমারী প্রান্ত দিয়ে ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলার যানবাহন এই রুট ব্যবহার করত।ফেরি সচল থাকলে এই অঞ্চল থেকে ঢাকার দূরত্ব ১২০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কমে যেত ফলে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় কম হতো। কিন্তু ফেরি চালুর আড়াই বছরের মধ্যেই নাব্যতা সংকটের কারণে একাধিকবার বন্ধ হয়েছে এই সেবা এবং সবশেষ গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে ফেরি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।এতে উত্তরাঞ্চলের প্রায় ২০টি জেলার যানবাহন ও সাধারণ মানুষের ঢাকায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং ট্রাকচালকদের দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করতে হওয়ায় বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ভূরুঙ্গামারীর আন্তঃজেলা ট্রাকচালক ফ‌রিদ মিয়া জানিয়েছেন সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে পাথর নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যেতে চিলমারী ফেরি রুটটি অনেক সুবিধাজনক ছিল। আরেক ট্রাকচালক হা‌মিদুল ইসলাম জানান ফেরি বন্ধ থাকায় তারা এখন বিড়ম্বনায় পড়ছেন এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ফেরি চালু রাখলে এলাকাটি অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হতো।প্রতিবছর শুকনো মৌসুমে ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা কমে যাওয়ায় জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত ফেরি চলাচল ব্যাহত হয় তবে চলতি মৌসুমে আগাম পলি ভরাটের কারণে চ্যানেল সংকুচিত হয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বর্তমানে এই রুটে নিয়োজিত দুটি ফেরি কদম ও কুঞ্জলতা রৌমারী প্রান্তে পন্টুনের সঙ্গে চরে আটকে রয়েছে এবং কার্যকর ড্রেজিং না হওয়ায় ফেরিগুলোর যান্ত্রিক ও অবকাঠামোগত ঝুঁকি বাড়ছে।বিআইডাব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী সমির পাল জানিয়েছেন প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ড্রেজিং করে প্রায় ৪০ মিটার খনন করা হচ্ছে তবে আগামী এপ্রিল অথবা মে মাসের আগে ফেরি চালু করা সম্ভব নয়।এম ম/ ২ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×