কক্সবাজারের পেকুয়া থানায় বিচারপ্রার্থী মা-মেয়েকে শাররীক নির্যাতন পরবর্তী থানায় আদালত বসিয়ে ইউএনও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনাটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়। এরই প্রেক্ষিতে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন।
এরই আলোকে শনিবার (৭ মার্চ) বিকালে ভিকটিমদের পক্ষে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল আলমের বিশেষ আদালত পেকুয়ার ইউএনও কতৃক দেওয়া একমাসের সাজা বাতিল করে মা-মেয়েকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
গত বুধবার (৪ মার্চ) পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বিচারপ্রার্থী মা-মেয়েকে থানায় বেধড়ক মারধর করা হয়। এ ঘটনায় জুবাইদা জন্নাত (২৩) ও তার মা রেহেনা মোস্তফা রানু (৪৮) কে একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব আলম।
পেকুয়া থানার এসআই পল্লব কুমার ঘুষের কাছে একটি পারিবারিক জায়গা জমির মামলার তদন্ত দেন চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিসট্রেট আদালত। মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকায় প্রতিবেদন পক্ষে দেয়ার নামে জুবাইদা ও তাঁর মায়ের কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ করেন মামলার বাদি জুবাইদা ও তার মা রেহেনা বেগম রানু।
পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
ঘুষ নেয়ার পর আরও বেশি টাকার বিনিময়ে বিবাদীর পক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পেকুয়া থানার এসআই পল্লব কুমার ঘোষ। তারই প্রেক্ষিতে গিয়ে মা-মেয়ে ঘুষের টাকা ফেরত চান সেই এসআই পল্লবের কাছে। এতেই বাঁধে হট্টগোল। পল্লব কোমার ঘুষের সাথে কথা-কাটাকাটি হলে বেধড়ক পেটানো হয় সে মা – মেয়েকে।
পরবর্তীতে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব আলম কে খবর দিয়ে থানায় আদালত বসিয়ে মা-মেয়েকে এক মাসের সাজা দেয়া হয়।
আদালত থেকে খালাস পেয়ে শনিবার বিকালে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে বের হন মা- মেয়ে। পরে তাদের শারীরিক অবস্থা অস্বাভাবিক হলে স্বজনরা চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের হাসপাতালে ভর্তি দেন।




মন্তব্য করুন