হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় তরুণীকে ধর্ষণের ৫ দিন পর থানায় মামলা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
কক্সবাজারের পেকুয়ায় এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচ দিন পর অবশেষে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। বুধবার দিনগত রাতে একজনকে আসামী করে ভুক্তভোগীর মা পেকুয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। আসামী তাসরিফ হোছাইন (২০) উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাজার পাড়া এলাকার ছাদেক আহমদ এর ছেলে। এছাড়া অজ্ঞাত আরো একজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী তরুণী পেকুয়া জিএমসি স্কুল থেকে সদ্য এসএসসি পাশ করেছেন। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত তাসরিফ তাকে উত্যক্ত করে আসছিলো। এর ধারাবাহিকতায় ভুক্তভোগীকে ৫ জুন সন্ধ্যার দিকে সোনালী বাজার এলাকা থেকে অপহরণ করে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে ওই তরুণীকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে তাসরিফ। এসময় ভুক্তভোগীর নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ধর্ষণকারী।

এ ঘটনার পরেরদিন বিবাদী অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মাধ্যমে ওই তরুণীকে মগনামার কাটাফাঁড়ি ব্রিজ এলাকায় ফেলে যান। সেখান থেকে তাকে আত্মীয়-স্বজনেরা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগীর প্রাথমিক মেডিকেল টেস্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোজাম্মেল হোসেন জানান, ভুক্তভোগী তরুণী মানসিকভাবে ট্রমায় ছিলেন তখন। হারাচ্ছিলেন বারবার জ্ঞান।

এদিকে ধর্ষণের ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও একটি প্রভাবশালী চক্র চেষ্টা করেছিলেন। ভুক্তভোগীর পরিবারকে তাঁরা চাপও দিয়েছিলেন। পরে সংবাদ মাধ্যমে তা প্রকাশ হলে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) রাকিব উর রাজা সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং মামলা রুজু করতে নির্দেশ দেন।
এব্যাপারে তিনি জানান, সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারলাম এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিলো। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। ভুক্তভোগী পরিবারের জবানবন্দি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

ভুক্তভোগীর চাচা বলেন, আমাদের মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন মেম্বার ও আসামীর প্রভাবশালী স্বজনরা মামলা না করার জন্য আমাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলো। মঙ্গলবার পুলিশ অভয় দিলে আমরা থানায় লিখিত এজাহার জমা দিই।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত (কর্মকর্তা) ওসি মো. ইলিয়াছ বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত এজাহার পেয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পেকুয়ায় তরুণীকে ধর্ষণের ৫ দিন পর থানায় মামলা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় তরুণীকে ধর্ষণের ৫ দিন পর থানায় মামলা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
Print Image
পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি কক্সবাজারের পেকুয়ায় এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচ দিন পর অবশেষে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। বুধবার দিনগত রাতে একজনকে আসামী করে ভুক্তভোগীর মা পেকুয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। আসামী তাসরিফ হোছাইন (২০) উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাজার পাড়া এলাকার ছাদেক আহমদ এর ছেলে। এছাড়া অজ্ঞাত আরো একজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী তরুণী পেকুয়া জিএমসি স্কুল থেকে সদ্য এসএসসি পাশ করেছেন। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত তাসরিফ তাকে উত্যক্ত করে আসছিলো। এর ধারাবাহিকতায় ভুক্তভোগীকে ৫ জুন সন্ধ্যার দিকে সোনালী বাজার এলাকা থেকে অপহরণ করে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে ওই তরুণীকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে তাসরিফ। এসময় ভুক্তভোগীর নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ধর্ষণকারী। এ ঘটনার পরেরদিন বিবাদী অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মাধ্যমে ওই তরুণীকে মগনামার কাটাফাঁড়ি ব্রিজ এলাকায় ফেলে যান। সেখান থেকে তাকে আত্মীয়-স্বজনেরা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগীর প্রাথমিক মেডিকেল টেস্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোজাম্মেল হোসেন জানান, ভুক্তভোগী তরুণী মানসিকভাবে ট্রমায় ছিলেন তখন। হারাচ্ছিলেন বারবার জ্ঞান। এদিকে ধর্ষণের ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও একটি প্রভাবশালী চক্র চেষ্টা করেছিলেন। ভুক্তভোগীর পরিবারকে তাঁরা চাপও দিয়েছিলেন। পরে সংবাদ মাধ্যমে তা প্রকাশ হলে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) রাকিব উর রাজা সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং মামলা রুজু করতে নির্দেশ দেন। এব্যাপারে তিনি জানান, সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারলাম এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিলো। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। ভুক্তভোগী পরিবারের জবানবন্দি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। ভুক্তভোগীর চাচা বলেন, আমাদের মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন মেম্বার ও আসামীর প্রভাবশালী স্বজনরা মামলা না করার জন্য আমাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলো। মঙ্গলবার পুলিশ অভয় দিলে আমরা থানায় লিখিত এজাহার জমা দিই। পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত (কর্মকর্তা) ওসি মো. ইলিয়াছ বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত এজাহার পেয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×