হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা বাপ্পির নির্দেশে ওসমান হাদিকে হত্যার অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন


ঢাকা, ০৬ জানুয়ারি – মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার বিকেলে হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়ার পর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

আরও পড়ুন

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ

শফিকুল ইসলাম বলেন, হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল, তার বোন জেসমিন, আলমগীর ও ফিলিপসহ পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছে। তদন্তে নতুন করে কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিললে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।

হত্যার পেছনের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে হাদি ভিন্নধর্মী একটি রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের আগের কর্মকাণ্ড নিয়ে কঠোর ও সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এসব বক্তব্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। ঘটনার দিন যে ব্যক্তি তাকে গুলি করে, সেই পলাতক আসামি ফয়সাল করিম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পালিয়ে যেতে সার্বিক সহায়তা করেন তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। বাপ্পী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত কমিশনার বা কাউন্সিলর ছিলেন। আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং হাদির আগের বক্তব্যের কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

সম্প্রতি মূল অভিযুক্ত ফয়সালের ভাইরাল ভিডিও এবং তার সর্বশেষ অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শফিকুল ইসলাম জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়েছে। ভিডিওটি সত্য হলেও ফয়সালের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভারতে আরও কয়েকজন আটক হওয়ার বিষয়টি ভারতীয় পুলিশ অস্বীকার করেছে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের কাছে তথ্য আছে যে তারা সেখানে গ্রেপ্তার হয়েছিল। তবে বর্তমানে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এনএন/ ০৬ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা বাপ্পির নির্দেশে ওসমান হাদিকে হত্যার অভিযোগ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা বাপ্পির নির্দেশে ওসমান হাদিকে হত্যার অভিযোগ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৬ জানুয়ারি – মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।মঙ্গলবার বিকেলে হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়ার পর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।শফিকুল ইসলাম বলেন, হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল, তার বোন জেসমিন, আলমগীর ও ফিলিপসহ পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছে। তদন্তে নতুন করে কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিললে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।হত্যার পেছনের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে হাদি ভিন্নধর্মী একটি রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের আগের কর্মকাণ্ড নিয়ে কঠোর ও সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এসব বক্তব্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। ঘটনার দিন যে ব্যক্তি তাকে গুলি করে, সেই পলাতক আসামি ফয়সাল করিম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।তিনি আরও বলেন, ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পালিয়ে যেতে সার্বিক সহায়তা করেন তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। বাপ্পী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত কমিশনার বা কাউন্সিলর ছিলেন। আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং হাদির আগের বক্তব্যের কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।সম্প্রতি মূল অভিযুক্ত ফয়সালের ভাইরাল ভিডিও এবং তার সর্বশেষ অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শফিকুল ইসলাম জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়েছে। ভিডিওটি সত্য হলেও ফয়সালের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।ভারতে আরও কয়েকজন আটক হওয়ার বিষয়টি ভারতীয় পুলিশ অস্বীকার করেছে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের কাছে তথ্য আছে যে তারা সেখানে গ্রেপ্তার হয়েছিল। তবে বর্তমানে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।এনএন/ ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×