হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় ভারী বর্ষণে ২৫ গ্রাম প্লাবিত

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট ২০২৪, ০৫:৩০ অপরাহ্ন

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া (কক্সবাজার)::

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ৩দিন টানা প্রবল বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও সাগরের জোয়ারের পানি ঢুকে অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানির কারণে জনজীবন চরম দূর্ভোগে পড়েছে। পানিবন্দি হয়েছে পড়েছে অন্তত ৫ হাজার মানুষ। পানির তোড়ে দুইটি খালের চার পয়েন্টে বাধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। বহু বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। ডুবে গেছে বহু রাস্তাঘাট। পানিতে তলিয়ে গেছে ধানের বীজতলা ও সবজি ক্ষেত।

সরেজমিনে দেখা গেছে, টইটং ইউনিয়নের মালগারা, শের আলী মাস্টার পাড়া, আলেকদিয়া পাড়া, নিতান্তঘোনা, বটতলী, নতুন পাড়া, জালিয়ার চাং, সোনাইছড়ি মৌলভী পাড়া, মাঝের পাড়া, শিলখালী ইউনিয়নের পেঠান মাতবর পাড়া, আলী চাঁন মাতবর পাড়া, হাজির ঘোনা, জারুলবনিয়া, সদর ইউনিয়নের হরিণাফাঁড়ি, নন্দীরপাড়া, পুর্ব মেহেরনামা, মুরারপাড়া, বলিরপাড়া, সৈকতপাড়া, সরকারিঘোনা, উজানটিয়া ইউপির দক্ষিণ সুতাচুড়া কালার পাড়াসহ অন্তত ২৫ গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় এসব এলাকার মানুষের চলাফেরা স্থবীর হয়ে পড়েছে।

এদিকে দুপুরে টইটংয়ে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাইফুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভুমি) নুর পেয়ারা বেগম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু তাহের ও ইউপির চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

টইটং ইউপির সদস্য আবদুল জলিল বলেন, পাহাড়ি ঢলে পুঁইছড়ি ও নুনাছড়ি খালের চারটি পয়েন্টে বাধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। মালগারা এলাকায় শতাধিক ঘরে পানি ঢুকেছে। সবজিক্ষেত ও ধানের বীজতলা তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

শিলখালী ইউপির সদস্য আব্দুস ছামাদ বলেন, ৩দিন ধরে ভারী বর্ষণে ও পাহাড়ি ঢলে ৪-৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। যেকোন সময় বহু রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যেতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাইফুল ইসলাম বলেন, টইটংয়ে অন্তত ৪টি পয়েন্ট পাহাড়ি ছড়ার বাধ ভেঙে গেছে। প্রায় তিনশো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। চেয়ারম্যানকে দ্রুত সময়ে ভাঙা অংশ মেরামতের জন্য বলেছি।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পেকুয়ায় ভারী বর্ষণে ২৫ গ্রাম প্লাবিত

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় ভারী বর্ষণে ২৫ গ্রাম প্লাবিত

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট ২০২৪, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
Print Image
নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া (কক্সবাজার):: কক্সবাজারের পেকুয়ায় ৩দিন টানা প্রবল বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও সাগরের জোয়ারের পানি ঢুকে অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানির কারণে জনজীবন চরম দূর্ভোগে পড়েছে। পানিবন্দি হয়েছে পড়েছে অন্তত ৫ হাজার মানুষ। পানির তোড়ে দুইটি খালের চার পয়েন্টে বাধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। বহু বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। ডুবে গেছে বহু রাস্তাঘাট। পানিতে তলিয়ে গেছে ধানের বীজতলা ও সবজি ক্ষেত। সরেজমিনে দেখা গেছে, টইটং ইউনিয়নের মালগারা, শের আলী মাস্টার পাড়া, আলেকদিয়া পাড়া, নিতান্তঘোনা, বটতলী, নতুন পাড়া, জালিয়ার চাং, সোনাইছড়ি মৌলভী পাড়া, মাঝের পাড়া, শিলখালী ইউনিয়নের পেঠান মাতবর পাড়া, আলী চাঁন মাতবর পাড়া, হাজির ঘোনা, জারুলবনিয়া, সদর ইউনিয়নের হরিণাফাঁড়ি, নন্দীরপাড়া, পুর্ব মেহেরনামা, মুরারপাড়া, বলিরপাড়া, সৈকতপাড়া, সরকারিঘোনা, উজানটিয়া ইউপির দক্ষিণ সুতাচুড়া কালার পাড়াসহ অন্তত ২৫ গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় এসব এলাকার মানুষের চলাফেরা স্থবীর হয়ে পড়েছে। এদিকে দুপুরে টইটংয়ে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাইফুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভুমি) নুর পেয়ারা বেগম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু তাহের ও ইউপির চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী। টইটং ইউপির সদস্য আবদুল জলিল বলেন, পাহাড়ি ঢলে পুঁইছড়ি ও নুনাছড়ি খালের চারটি পয়েন্টে বাধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। মালগারা এলাকায় শতাধিক ঘরে পানি ঢুকেছে। সবজিক্ষেত ও ধানের বীজতলা তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শিলখালী ইউপির সদস্য আব্দুস ছামাদ বলেন, ৩দিন ধরে ভারী বর্ষণে ও পাহাড়ি ঢলে ৪-৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। যেকোন সময় বহু রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাইফুল ইসলাম বলেন, টইটংয়ে অন্তত ৪টি পয়েন্ট পাহাড়ি ছড়ার বাধ ভেঙে গেছে। প্রায় তিনশো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। চেয়ারম্যানকে দ্রুত সময়ে ভাঙা অংশ মেরামতের জন্য বলেছি।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×