হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়া সহিংসতায় ৩ মামলা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২৮ অপরাহ্ন

পেকুয়ায় সংগঠিত সহিংস ঘটনায় অজ্ঞাত সহস্রাধিক জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে; এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।

পেকুয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে থানায় পৃথক তিনটি ঘটনায় এ মামলাগুলো নথিভূক্ত হয়েছে।

এর মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষতিগ্রস্ত দুইজন ব্যক্তি বাদী হয়ে দুইটি এবং পুলিশ বাদী হয়ে অপর একটি মামলা হয়েছে। মামলা তিনটিতে আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা অন্তত সহ্রসাধিক জনকে।

তবে আটকদের নাম ও পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

বুধবার সন্ধ্যায় একদল উগ্রবাদী দূর্বৃত্ত মিছিল সহকারে উস্কানিমূলক শ্লোগান দিয়ে পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিশ্বাস পাড়া, শিলখালীর কাছারী মুরা শীল পাড়া ও মগনামার শীল পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার পূজামন্ডপে এবং হিন্দুদের বাড়ীতে হামলা চলিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দেয়া তথ্য মতে, পেকুয়ায় সহিংসতার ঘটনায় উগ্রবাদীরা বিভিন্ন স্থানে ৭ টি পূজামন্ডপ, ৩০ টি বাড়ী ভাংচুর ও ১ টি বাড়ীতে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

মোহাম্মদ আলী বলেন, বুধবার রাতে উগ্রবাদী দূর্বৃত্তদের কর্তৃক পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পূজামন্ডপ ও হিন্দু পল্লীতে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা অন্তত সহস্রাধিক জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে।

“ এর মধ্যে মগনামা ইউনিয়নের শীল পাড়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু এক ব্যক্তি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুই শতাধিক আসামি করে একটি, শিলখালী ইউনিয়নের শীল পাড়ার ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা সাড়ে তিন শতাধিক আসামি করে আরেকটি এবং পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিশ্বাস পাড়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা পাঁচ শতাধিক আসামি করে অপর মামলাটি দায়ের হয়েছে। ”

ওসি বলেন, “ বুধবার রাতে ঘটনার পর থেকে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ পেকুয়ার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এতে ভোররাত পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মগনামা থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মগনামার শীল পাড়ায় সংঘটিত ঘটনায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ”

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি আইনজীবী রনজিত দাশ বলেন, পেকুয়ায় উগ্রবাদীদের হামলায় বিভিন্ন এলাকার ৭ টি পূজামন্ডপ, হিন্দু পল্লীর ৩০ টি বাড়ী ভাংচুর ও ১ টি বাড়ীতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে পূজা উদযাপন পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত পূজামন্ডপ ও হিন্দু পল্লীগুলো পরিদর্শন করেছে। এসময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন সহ স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়েছেন।

ঘটনার ব্যাপারে ভূক্তভোগী লোকজন ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা যেসব তথ্যাদি পাওয়া গেছে তা পুলিশসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের কাছে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে ঘটনায় জড়িতদের তদন্ত পূর্বক শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য দাবি জানান পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রনজিত।

মোহাম্মদ আলী জানান, পেকুয়ার পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারপরও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও র‌্যাবসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

পেকুয়া সহিংসতায় ৩ মামলা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়া সহিংসতায় ৩ মামলা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
Print Image
পেকুয়ায় সংগঠিত সহিংস ঘটনায় অজ্ঞাত সহস্রাধিক জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে; এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। পেকুয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে থানায় পৃথক তিনটি ঘটনায় এ মামলাগুলো নথিভূক্ত হয়েছে। এর মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষতিগ্রস্ত দুইজন ব্যক্তি বাদী হয়ে দুইটি এবং পুলিশ বাদী হয়ে অপর একটি মামলা হয়েছে। মামলা তিনটিতে আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা অন্তত সহ্রসাধিক জনকে। তবে আটকদের নাম ও পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। বুধবার সন্ধ্যায় একদল উগ্রবাদী দূর্বৃত্ত মিছিল সহকারে উস্কানিমূলক শ্লোগান দিয়ে পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিশ্বাস পাড়া, শিলখালীর কাছারী মুরা শীল পাড়া ও মগনামার শীল পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার পূজামন্ডপে এবং হিন্দুদের বাড়ীতে হামলা চলিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দেয়া তথ্য মতে, পেকুয়ায় সহিংসতার ঘটনায় উগ্রবাদীরা বিভিন্ন স্থানে ৭ টি পূজামন্ডপ, ৩০ টি বাড়ী ভাংচুর ও ১ টি বাড়ীতে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মোহাম্মদ আলী বলেন, বুধবার রাতে উগ্রবাদী দূর্বৃত্তদের কর্তৃক পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পূজামন্ডপ ও হিন্দু পল্লীতে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা অন্তত সহস্রাধিক জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। “ এর মধ্যে মগনামা ইউনিয়নের শীল পাড়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু এক ব্যক্তি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুই শতাধিক আসামি করে একটি, শিলখালী ইউনিয়নের শীল পাড়ার ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা সাড়ে তিন শতাধিক আসামি করে আরেকটি এবং পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিশ্বাস পাড়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা পাঁচ শতাধিক আসামি করে অপর মামলাটি দায়ের হয়েছে। ” ওসি বলেন, “ বুধবার রাতে ঘটনার পর থেকে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ পেকুয়ার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এতে ভোররাত পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মগনামা থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মগনামার শীল পাড়ায় সংঘটিত ঘটনায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ” জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি আইনজীবী রনজিত দাশ বলেন, পেকুয়ায় উগ্রবাদীদের হামলায় বিভিন্ন এলাকার ৭ টি পূজামন্ডপ, হিন্দু পল্লীর ৩০ টি বাড়ী ভাংচুর ও ১ টি বাড়ীতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে পূজা উদযাপন পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত পূজামন্ডপ ও হিন্দু পল্লীগুলো পরিদর্শন করেছে। এসময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন সহ স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়েছেন। ঘটনার ব্যাপারে ভূক্তভোগী লোকজন ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা যেসব তথ্যাদি পাওয়া গেছে তা পুলিশসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের কাছে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে ঘটনায় জড়িতদের তদন্ত পূর্বক শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য দাবি জানান পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রনজিত। মোহাম্মদ আলী জানান, পেকুয়ার পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারপরও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও র‌্যাবসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×