হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

প্রতিরক্ষায় এবার ‘বাংলাদেশ নীতি’, তৈরি হচ্ছে শক্তিশালী ‘চতুর্মাত্রিক’ সশস্ত্র বাহিনী!

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ৫ জুলাই – পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এবং আধুনিক যুদ্ধকৌশলের সঙ্গে তাল মেলাতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক ‘চতুর্মাত্রিক’ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এখন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল নির্ধারণে সবার আগে ‘বাংলাদেশ নীতি’ ধারণ করা হচ্ছে। এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক অভেদ্য প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা হবে।

আজ রোববার (৫ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (PGR) গৌরবোজ্জ্বল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন

ইনানীতে অবৈধ ভবন উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী এবং ‘বাংলাদেশ নীতি’ কী?

সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রথাগত ত্রিমাত্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি বর্তমান যুগে মহাকাশ কিংবা সাইবার স্পেসের মতো চতুর্থ মাত্রার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। রাষ্ট্রপতি জানান, সরকার দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে এই আধুনিক চতুর্মাত্রিক সক্ষমতায় রূপান্তর করতে বদ্ধপরিকর।

দেশের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল নির্ধারণে সবার আগে আমরা ‘বাংলাদেশ নীতি’ ধারণ করছি। এই নীতির মূল কথাই হলো দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও শক্তিশালী করা। আমাদের সেনাবাহিনীর সুনাম আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুবিদিত এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টও (পিজিআর) তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।”

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের কথা বিশেষভাবে তুলে ধরেন:

১. সাইবার হামলা (Cyber Attacks): রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিকাঠামোকে সুরক্ষিত রাখা।

২. এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের অপব্যবহার: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা অপরাধ বা প্রোপাগান্ডা রুখে দেওয়া।

৩. প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা হুমকি: ড্রোনের ব্যবহার ও আধুনিক প্রযুক্তির নানামুখী চ্যালেঞ্জ।

পিজিআরের সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, দেশের ভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো জাতীয় সংকটে এই বাহিনী বরাবরের মতোই বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাবে।

এনএন/ ৫ জুলাই ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

প্রতিরক্ষায় এবার ‘বাংলাদেশ নীতি’, তৈরি হচ্ছে শক্তিশালী ‘চতুর্মাত্রিক’ সশস্ত্র বাহিনী!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

প্রতিরক্ষায় এবার ‘বাংলাদেশ নীতি’, তৈরি হচ্ছে শক্তিশালী ‘চতুর্মাত্রিক’ সশস্ত্র বাহিনী!

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৫ জুলাই – পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এবং আধুনিক যুদ্ধকৌশলের সঙ্গে তাল মেলাতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক ‘চতুর্মাত্রিক’ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এখন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল নির্ধারণে সবার আগে ‘বাংলাদেশ নীতি’ ধারণ করা হচ্ছে। এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক অভেদ্য প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা হবে।আজ রোববার (৫ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (PGR) গৌরবোজ্জ্বল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী এবং ‘বাংলাদেশ নীতি’ কী?সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রথাগত ত্রিমাত্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি বর্তমান যুগে মহাকাশ কিংবা সাইবার স্পেসের মতো চতুর্থ মাত্রার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। রাষ্ট্রপতি জানান, সরকার দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে এই আধুনিক চতুর্মাত্রিক সক্ষমতায় রূপান্তর করতে বদ্ধপরিকর।দেশের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল নির্ধারণে সবার আগে আমরা ‘বাংলাদেশ নীতি’ ধারণ করছি। এই নীতির মূল কথাই হলো দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও শক্তিশালী করা। আমাদের সেনাবাহিনীর সুনাম আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুবিদিত এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টও (পিজিআর) তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।”রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের কথা বিশেষভাবে তুলে ধরেন:১. সাইবার হামলা (Cyber Attacks): রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিকাঠামোকে সুরক্ষিত রাখা।২. এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের অপব্যবহার: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা অপরাধ বা প্রোপাগান্ডা রুখে দেওয়া।৩. প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা হুমকি: ড্রোনের ব্যবহার ও আধুনিক প্রযুক্তির নানামুখী চ্যালেঞ্জ।পিজিআরের সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, দেশের ভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো জাতীয় সংকটে এই বাহিনী বরাবরের মতোই বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাবে।এনএন/ ৫ জুলাই ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×