হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

প্রায় এক দশক পর জাতিসংঘের আদালতে শুরু হলো রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বিচার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন


নেপিডো, ১২ জানুয়ারি — প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলার বিচার শুরু হয়েছে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি)। এই আদালতকে জাতিসংঘের ‘বৈশ্বিক আদালত’ বা ওয়ার্ল্ড কোর্ট নামেও পরিচিত বলা হয়।

নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত এই আদালতে আজ সোমবার দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে, যা বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা, মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। এই শুনানিপর্ব টানা তিন সপ্তাহ চলবে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে প্রথম দুর্গাপূজায় আমি মুগ্ধ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন

জাতিসংঘের আদালতে নথিভুক্ত রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত মামলার তদন্তকারী সংস্থা ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০১৭ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলার জন্য সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি বা আরসাকে দায়ী করে মিয়ানমার সরকার। এরপর সেই হামলার জেরে একই মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

অভিযানের নামে বর্মী সেনাবাহিনী সাধারণ রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে একের পর এক হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায়। এসব নির্যাতনের মুখে টিকতে না পেরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যেতে শুরু করে। বাংলাদেশ সরকারের হিসাবে, সে সময় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তারা এখনও বাংলাদেশেই অবস্থান করছে।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অং সান সুচি। তিনি জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। গাম্বিয়া মামলা করার পরও সুচি সেই অভিযোগ নাকচ করে বলেছিলেন, গাম্বিয়ার আনা অভিযোগ অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর।

এরপর ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সুচি ও তার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। বর্তমানে তিনি মিয়ানমারের কারাগারে আটক আছেন এবং দুর্নীতির অভিযোগে সেনাবাহিনীর আদালতে তার বিচার চলছে।

বৈশ্বিক আদালতে দায়ের করা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা নিকোলাস কৌমজিয়ান রয়টার্সকে বলেন, গণহত্যার প্রকৃত সংজ্ঞা কী, গণহত্যা সংক্রান্ত অভিযোগ কীভাবে প্রমাণ করা যায় এবং এ ধরনের অপরাধে ন্যায়বিচার কীভাবে নিশ্চিত করা যায়— এসব বিষয়ে এই মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।

এনএন/ ১২ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

প্রায় এক দশক পর জাতিসংঘের আদালতে শুরু হলো রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বিচার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

প্রায় এক দশক পর জাতিসংঘের আদালতে শুরু হলো রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বিচার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] নেপিডো, ১২ জানুয়ারি — প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলার বিচার শুরু হয়েছে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি)। এই আদালতকে জাতিসংঘের ‘বৈশ্বিক আদালত’ বা ওয়ার্ল্ড কোর্ট নামেও পরিচিত বলা হয়।নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত এই আদালতে আজ সোমবার দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে, যা বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা, মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। এই শুনানিপর্ব টানা তিন সপ্তাহ চলবে।জাতিসংঘের আদালতে নথিভুক্ত রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত মামলার তদন্তকারী সংস্থা ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।২০১৭ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলার জন্য সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি বা আরসাকে দায়ী করে মিয়ানমার সরকার। এরপর সেই হামলার জেরে একই মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।অভিযানের নামে বর্মী সেনাবাহিনী সাধারণ রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে একের পর এক হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায়। এসব নির্যাতনের মুখে টিকতে না পেরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যেতে শুরু করে। বাংলাদেশ সরকারের হিসাবে, সে সময় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তারা এখনও বাংলাদেশেই অবস্থান করছে।রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অং সান সুচি। তিনি জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। গাম্বিয়া মামলা করার পরও সুচি সেই অভিযোগ নাকচ করে বলেছিলেন, গাম্বিয়ার আনা অভিযোগ অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর।এরপর ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সুচি ও তার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। বর্তমানে তিনি মিয়ানমারের কারাগারে আটক আছেন এবং দুর্নীতির অভিযোগে সেনাবাহিনীর আদালতে তার বিচার চলছে।বৈশ্বিক আদালতে দায়ের করা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা নিকোলাস কৌমজিয়ান রয়টার্সকে বলেন, গণহত্যার প্রকৃত সংজ্ঞা কী, গণহত্যা সংক্রান্ত অভিযোগ কীভাবে প্রমাণ করা যায় এবং এ ধরনের অপরাধে ন্যায়বিচার কীভাবে নিশ্চিত করা যায়— এসব বিষয়ে এই মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।এনএন/ ১২ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×