হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ সুবিধা কাজে লাগাতে রপ্তানি সক্ষমতা ও নীতিমালার সমন্বয়ে জোর

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন


বাংলাদেশ, ৩ মার্চ – বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি বা ইপিএ কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইপিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা নীতিগত সমন্বয় এবং বেসরকারি খাতের প্রস্তুতির বিষয়টিতে গুরুত্বারোপ করেন। ‘বাংলাদেশ জাপান ইপিএর আওতায় রপ্তানির সম্ভাবনা : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এই বৈঠকে সরকার, বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সাভা তারেক রাফি ভূইয়া ইপিএর নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে এই চুক্তি জাপানের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তবে এই সুযোগ কাজে লাগাতে মানসম্মত কমপ্লায়েন্স এবং কৌশলগত প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি। জাপানের বাজার প্রবণতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বিষয়ে আলোচনা করেন আরএক্স জাপান লিমিটেডের নির্বাহী কর্মকর্তা হাজিমি।

তিনি বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জাপানে আয়োজিত বিভিন্ন বাণিজ্য প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানান। আলোচনায় টেক্সটাইল, তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবা, সেমিকন্ডাক্টর, ওষুধশিল্প, লজিস্টিকস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রিন টেকনোলজি এবং কেয়ারগিভিং খাতকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

একই সঙ্গে রুলস অব অরিজিন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ঘাটতিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন বক্তারা। বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি মর্যাদা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এলডিসি সুবিধা হারানোর পর উন্নত বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সীমিত হতে পারে। এমন প্রেক্ষাপটে জাপানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

এম ম/ ৩ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ সুবিধা কাজে লাগাতে রপ্তানি সক্ষমতা ও নীতিমালার সমন্বয়ে জোর

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ সুবিধা কাজে লাগাতে রপ্তানি সক্ষমতা ও নীতিমালার সমন্বয়ে জোর

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] বাংলাদেশ, ৩ মার্চ – বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি বা ইপিএ কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইপিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা নীতিগত সমন্বয় এবং বেসরকারি খাতের প্রস্তুতির বিষয়টিতে গুরুত্বারোপ করেন। ‘বাংলাদেশ জাপান ইপিএর আওতায় রপ্তানির সম্ভাবনা : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এই বৈঠকে সরকার, বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সাভা তারেক রাফি ভূইয়া ইপিএর নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে এই চুক্তি জাপানের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তবে এই সুযোগ কাজে লাগাতে মানসম্মত কমপ্লায়েন্স এবং কৌশলগত প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি। জাপানের বাজার প্রবণতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বিষয়ে আলোচনা করেন আরএক্স জাপান লিমিটেডের নির্বাহী কর্মকর্তা হাজিমি।তিনি বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জাপানে আয়োজিত বিভিন্ন বাণিজ্য প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানান। আলোচনায় টেক্সটাইল, তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবা, সেমিকন্ডাক্টর, ওষুধশিল্প, লজিস্টিকস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রিন টেকনোলজি এবং কেয়ারগিভিং খাতকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।একই সঙ্গে রুলস অব অরিজিন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ঘাটতিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন বক্তারা। বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি মর্যাদা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এলডিসি সুবিধা হারানোর পর উন্নত বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সীমিত হতে পারে। এমন প্রেক্ষাপটে জাপানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।এম ম/ ৩ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×