শরীয়তপুর, ০১ জানুয়ারি – শরীয়তপুরের ডামুড্যায় এক গ্রাম ডাক্তার ও ওষুধ ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় হামলাকারীদের চিনে ফেলায় পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে তার শরীরে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যবসায়ীকে প্রথমে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
আহত ব্যক্তির নাম খোকন দাস (৫০) বলে জানা গেছে। তিনি কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই এলাকার পরেশ দাসের ছেলে। পেশায় তিনি একজন ওষুধ ব্যবসায়ী ও গ্রাম ডাক্তার। পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের এজেন্ট হিসেবেও কাজ করতেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি উপজেলার কেউরভাঙ্গা বাজারে একটি ওষুধের দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে ৩ থেকে ৪ জন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করা হয় এবং সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এক পর্যায়ে তিনি হামলাকারীদের চিনে ফেললে তার শরীর ও মুখে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যাচেষ্টা চালানো হয়। ওই সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, রোগীর মাথা ও হাতে আগুনে পোড়ার চিহ্ন রয়েছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে পেটে গুরুতর আঘাত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, বাড়ি ফেরার পথে ওষুধ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তিনি হামলাকারীদের চিনে ফেলায় তাকে কুপিয়ে ও কেরোসিন জাতীয় তরল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ০১ জানুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন