হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ভরা মৌসুমেও ধরাছোঁয়ার বাইরে শাক-সবজির দাম

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ০৮ ডিসেম্বর – শীতের ভরা মৌসুমে শাক-সবজির দাম হাতের নাগালে থাকার কথা থাকলেও দাম ধরাছোঁয়ার বাইরে। সাধারণ ভোক্তার নাভিশ্বাস অবস্থার যেন শেষ হচ্ছে না! এর মধ্যেই আবার খবর এলো নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি আরো বেড়েছে। খোদ সরকারি হিসাবেই পণ্যের দাম বাড়তির এ খবর জানাল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.১৭%।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

নভেম্বর মাসে তা আবার বেড়ে হয়েছে ৮.২৯ শতাংশ। এর আগের কয়েক মাস মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে এলেও সবজির ভরা মৌসুমে দাম বাড়তে থাকার এ প্রবণতা ভোক্তাদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

গতকাল রবিবার মাসিক ভোক্তা মূল্যসূচকে (সিপিআই) মূল্যস্ফীতির এসব তথ্য তুলে ধরেছে বিবিএস। কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।

সিপিআইয়ের তথ্যে দেখা যায়, গত বছরের একই মাসের তুলনায় চলতি বছরের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এ হার ছিল ১১.৩৮ শতাংশ। গত বছর জুলাই মাসে আন্দোলনের ধাক্কায় সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার রেকর্ড ১১.৬৬ শতাংশে উঠেছিল। কিছুটা কমে ওই বছরের নভেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১১.৩৮ শতাংশ।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭.৩৬ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৭.০৮ শতাংশ। টানা দুই মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী। তবে গত বছরের নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১৩.৮০ শতাংশ, অর্থাৎ বছরওয়ারি হিসাবে খাদ্য খাতে চাপ কিছুটা কমেছে।

নভেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবায় নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৯.০৮ শতাংশে। অক্টোবর মাসে এ হার ছিল ৯.১৩ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ৯.৩৯ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের নভেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কম রয়েছে।

হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে গ্রামাঞ্চলে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.২৬ শতাংশে, যা অক্টোবরে ছিল ৮.১৬ শতাংশ। আর শহরে গড় মূল্যস্ফীতি অক্টোবর মাসের ৮.৩৩ শতাংশ থেকে বেড়ে নভেম্বরে ৮.৩৯ শতাংশ হয়েছে। শহর এবং গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়লেও কমেছে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যমূল্যের দাম।

মূল্যস্ফীতি বাড়ায় খেটে খাওয়া মানুষের পকেটের ওপর চাপ বাড়লেও মজুরি হারের সূচকে কোনো সুখবর নেই। সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার যেখানে ৮.২৯ শতাংশ, সেখানে নভেম্বরে মজুরি বৃদ্ধির হার ৮.০৪ শতাংশ। এর অর্থ হলো জীবযাত্রার ব্যয় যে হারে বাড়ছে, মানুষের আয় সেভাবে বাড়ছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে. মুজেরি বলেন, খাদ্য খাতের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে না। পরিসংখ্যানে ইনফ্লেশন কমলেও বাস্তবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সংকুচিত হচ্ছে।

তিনি মনে করেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনা জরুরি। পাইকারি পর্যায়ে মনোপলি ভাঙা, খাদ্য আমদানিতে শুল্ক কমানো এবং কৃষিপণ্যের সরাসরি বিপণন চ্যানেল শক্তিশালী করতে হবে। না হলে খাদ্যদ্রব্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকবেই।

কয়েক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। গত বৃহস্পতিবার পেঁয়াজের দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত বুধবার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। তবে গতকাল প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দরে। সেই হিসাবে দুই দিনের ব্যবধানে বেড়েছে কেজিতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ৭০ টাকা।

এদিকে বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লেও সে তুলনায় দাম কমেনি। দু-তিনটি ছাড়া বেশির ভাগ সবজির কেজি ৫০ টাকার ওপরে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। সপ্তাহ দুয়েক আগে দর ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা। গত সপ্তাহের মতো বরবটি, বেগুন ও উচ্ছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে ঢেঁড়শ ও পটোলের কেজি ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গতকাল বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ফুল ও বাঁধাকপির দর ১০ টাকা কমেছে। মাঝারি আকারের প্রতি পিস ফুল ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

কাঁচা মরিচের দাম আরো কমেছে। সপ্তাহ দুয়েক আগে মরিচের কেজি ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। দাম অনেকটা কমে গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। তবে গতকাল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে।

বাজারে নতুন আলু এলেও দাম চড়া। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। গত সপ্তাহে কেজি ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। একই সঙ্গে পুরনো আলুর দর বেড়েছে কেজিতে দুই থেকে চার টাকার মতো। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪ থেকে ২৮ টাকায়।

সূত্র: কালের কণ্ঠ
এনএন/ ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ভরা মৌসুমেও ধরাছোঁয়ার বাইরে শাক-সবজির দাম

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ভরা মৌসুমেও ধরাছোঁয়ার বাইরে শাক-সবজির দাম

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৮ ডিসেম্বর – শীতের ভরা মৌসুমে শাক-সবজির দাম হাতের নাগালে থাকার কথা থাকলেও দাম ধরাছোঁয়ার বাইরে। সাধারণ ভোক্তার নাভিশ্বাস অবস্থার যেন শেষ হচ্ছে না! এর মধ্যেই আবার খবর এলো নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি আরো বেড়েছে। খোদ সরকারি হিসাবেই পণ্যের দাম বাড়তির এ খবর জানাল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.১৭%।নভেম্বর মাসে তা আবার বেড়ে হয়েছে ৮.২৯ শতাংশ। এর আগের কয়েক মাস মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে এলেও সবজির ভরা মৌসুমে দাম বাড়তে থাকার এ প্রবণতা ভোক্তাদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে।গতকাল রবিবার মাসিক ভোক্তা মূল্যসূচকে (সিপিআই) মূল্যস্ফীতির এসব তথ্য তুলে ধরেছে বিবিএস। কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।সিপিআইয়ের তথ্যে দেখা যায়, গত বছরের একই মাসের তুলনায় চলতি বছরের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এ হার ছিল ১১.৩৮ শতাংশ। গত বছর জুলাই মাসে আন্দোলনের ধাক্কায় সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার রেকর্ড ১১.৬৬ শতাংশে উঠেছিল। কিছুটা কমে ওই বছরের নভেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১১.৩৮ শতাংশ।বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭.৩৬ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৭.০৮ শতাংশ। টানা দুই মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী। তবে গত বছরের নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১৩.৮০ শতাংশ, অর্থাৎ বছরওয়ারি হিসাবে খাদ্য খাতে চাপ কিছুটা কমেছে।নভেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবায় নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৯.০৮ শতাংশে। অক্টোবর মাসে এ হার ছিল ৯.১৩ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ৯.৩৯ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের নভেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কম রয়েছে।হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে গ্রামাঞ্চলে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.২৬ শতাংশে, যা অক্টোবরে ছিল ৮.১৬ শতাংশ। আর শহরে গড় মূল্যস্ফীতি অক্টোবর মাসের ৮.৩৩ শতাংশ থেকে বেড়ে নভেম্বরে ৮.৩৯ শতাংশ হয়েছে। শহর এবং গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়লেও কমেছে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যমূল্যের দাম।মূল্যস্ফীতি বাড়ায় খেটে খাওয়া মানুষের পকেটের ওপর চাপ বাড়লেও মজুরি হারের সূচকে কোনো সুখবর নেই। সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার যেখানে ৮.২৯ শতাংশ, সেখানে নভেম্বরে মজুরি বৃদ্ধির হার ৮.০৪ শতাংশ। এর অর্থ হলো জীবযাত্রার ব্যয় যে হারে বাড়ছে, মানুষের আয় সেভাবে বাড়ছে না।বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে. মুজেরি বলেন, খাদ্য খাতের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে না। পরিসংখ্যানে ইনফ্লেশন কমলেও বাস্তবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সংকুচিত হচ্ছে।তিনি মনে করেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনা জরুরি। পাইকারি পর্যায়ে মনোপলি ভাঙা, খাদ্য আমদানিতে শুল্ক কমানো এবং কৃষিপণ্যের সরাসরি বিপণন চ্যানেল শক্তিশালী করতে হবে। না হলে খাদ্যদ্রব্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকবেই।কয়েক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। গত বৃহস্পতিবার পেঁয়াজের দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত বুধবার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। তবে গতকাল প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দরে। সেই হিসাবে দুই দিনের ব্যবধানে বেড়েছে কেজিতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ৭০ টাকা।এদিকে বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লেও সে তুলনায় দাম কমেনি। দু-তিনটি ছাড়া বেশির ভাগ সবজির কেজি ৫০ টাকার ওপরে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। সপ্তাহ দুয়েক আগে দর ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা। গত সপ্তাহের মতো বরবটি, বেগুন ও উচ্ছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে ঢেঁড়শ ও পটোলের কেজি ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গতকাল বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ফুল ও বাঁধাকপির দর ১০ টাকা কমেছে। মাঝারি আকারের প্রতি পিস ফুল ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।কাঁচা মরিচের দাম আরো কমেছে। সপ্তাহ দুয়েক আগে মরিচের কেজি ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। দাম অনেকটা কমে গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। তবে গতকাল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে।বাজারে নতুন আলু এলেও দাম চড়া। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। গত সপ্তাহে কেজি ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। একই সঙ্গে পুরনো আলুর দর বেড়েছে কেজিতে দুই থেকে চার টাকার মতো। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪ থেকে ২৮ টাকায়।সূত্র: কালের কণ্ঠএনএন/ ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×