হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ভাঙ্গায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন, হঠাৎ দরপতনে হতাশ চাষিরা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন


ভাঙ্গা, ২৮ ফেব্রুয়ারি – পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার খ্যাতি দীর্ঘদিনের। এ অঞ্চলে কয়েক জাতের পেঁয়াজ আবাদ হলেও বর্তমানে মুড়িকাটা পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলছে। চলতি মৌসুমে ভাঙ্গায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে মৌসুমের শুরুতে কৃষকরা ভালো দাম পেলেও গত কয়েকদিনে হঠাৎ করেই বাজারদর নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে। ভালো ফলন পাওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা।

এ অঞ্চলের কৃষকরা সাধারণত ৪২ শতাংশে এক বিঘা এবং ৪০ কেজিতে এক মণ হিসেবে বেচাকেনা করে থাকেন। গত বছর পেঁয়াজের চড়া দাম থাকায় এ বছর কৃষকরা উৎসাহী হয়ে অধিক জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন। ভাঙ্গা বাজার এ অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ পেঁয়াজের হাট, যেখানে প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও শুক্রবার হাট বসে। ভাঙ্গা, নগরকান্দাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উপজেলার চাষিরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য এই হাটে আনেন এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা এখানে পেঁয়াজ কিনতে আসেন।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

বাজার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভাঙ্গা হাটে প্রতি মণ মুড়িকাটা পেঁয়াজ ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তখন চাষিদের মুখে হাসি থাকলেও এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই চিত্র বদলে গেছে। বর্তমানে একই বাজারে প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা দরে। হঠাৎ এমন দরপতনে লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা। ভাঙ্গা পৌরসদরের ৩ নং ওয়ার্ডের চণ্ডিদাসদী মহল্লার কৃষক নূর আলম মুন্সী জানান, তিনি আড়াই বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন এবং ফলনও ভালো হয়েছে।

তবে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় বর্তমান বাজারদরে তিনি হতাশ। আরেক চাষি জাহাঙ্গীর মিয়া জানান, এ বছর বীজ বা গুটি পেঁয়াজের দাম বেশি ছিল। পাশাপাশি শ্রমিক মজুরি, সার ও কীটনাশকের বাড়তি দামের কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এখন দাম কমে যাওয়ায় মূলধন তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছে। ভাঙ্গা পৌর এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সাফি-নূর হাসান জানান, এ বছর পৌর এলাকায় ৬৫ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে এবং হেক্টরপ্রতি ফলনও সন্তোষজনক। ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোল্লা আল মামুন জানান, সমগ্র উপজেলায় এ বছর ৫২৫ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার তথ্যানুযায়ী প্রতি হেক্টরে প্রায় ২০ টন করে পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

এস এম/ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ভাঙ্গায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন, হঠাৎ দরপতনে হতাশ চাষিরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ভাঙ্গায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন, হঠাৎ দরপতনে হতাশ চাষিরা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ভাঙ্গা, ২৮ ফেব্রুয়ারি – পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার খ্যাতি দীর্ঘদিনের। এ অঞ্চলে কয়েক জাতের পেঁয়াজ আবাদ হলেও বর্তমানে মুড়িকাটা পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলছে। চলতি মৌসুমে ভাঙ্গায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে মৌসুমের শুরুতে কৃষকরা ভালো দাম পেলেও গত কয়েকদিনে হঠাৎ করেই বাজারদর নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে। ভালো ফলন পাওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা।এ অঞ্চলের কৃষকরা সাধারণত ৪২ শতাংশে এক বিঘা এবং ৪০ কেজিতে এক মণ হিসেবে বেচাকেনা করে থাকেন। গত বছর পেঁয়াজের চড়া দাম থাকায় এ বছর কৃষকরা উৎসাহী হয়ে অধিক জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন। ভাঙ্গা বাজার এ অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ পেঁয়াজের হাট, যেখানে প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও শুক্রবার হাট বসে। ভাঙ্গা, নগরকান্দাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উপজেলার চাষিরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য এই হাটে আনেন এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা এখানে পেঁয়াজ কিনতে আসেন।বাজার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভাঙ্গা হাটে প্রতি মণ মুড়িকাটা পেঁয়াজ ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তখন চাষিদের মুখে হাসি থাকলেও এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই চিত্র বদলে গেছে। বর্তমানে একই বাজারে প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা দরে। হঠাৎ এমন দরপতনে লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা। ভাঙ্গা পৌরসদরের ৩ নং ওয়ার্ডের চণ্ডিদাসদী মহল্লার কৃষক নূর আলম মুন্সী জানান, তিনি আড়াই বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন এবং ফলনও ভালো হয়েছে।তবে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় বর্তমান বাজারদরে তিনি হতাশ। আরেক চাষি জাহাঙ্গীর মিয়া জানান, এ বছর বীজ বা গুটি পেঁয়াজের দাম বেশি ছিল। পাশাপাশি শ্রমিক মজুরি, সার ও কীটনাশকের বাড়তি দামের কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এখন দাম কমে যাওয়ায় মূলধন তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছে। ভাঙ্গা পৌর এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সাফি-নূর হাসান জানান, এ বছর পৌর এলাকায় ৬৫ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে এবং হেক্টরপ্রতি ফলনও সন্তোষজনক। ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোল্লা আল মামুন জানান, সমগ্র উপজেলায় এ বছর ৫২৫ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার তথ্যানুযায়ী প্রতি হেক্টরে প্রায় ২০ টন করে পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।এস এম/ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×