হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ভারতের লাদাখে বিক্ষোভ-সহিংসতায় প্রাণহানির পর কারফিউ জারি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন


নয়াদিল্লি, ২৫ সেপ্টেম্বর – লাদাখে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রসহ বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার পর লেহ এবং কারগিল জেলায় ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী কারফিউ জারি করেছে। বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বুধবারের (২৪ সেপ্টেম্বর) অস্থিরতায় পুলিশের গাড়ি পোড়ানো ছাড়াও ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একটি অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে।

ভারত সরকার বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া সোনম ওয়াংচুককে ‘সহিংসতা উস্কে দেওয়ার জন্য’ দোষারোপ করেছে। তবে তিনি এই দাবি অস্বীকার করেছেন।

আরও পড়ুন

ইসরায়েল নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে, জয়ের পেছনে নিজের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প

মুসলিম ও বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর পাহাড়ি মরুভূমি লাদাখ ২০১৯ সালে আধা-স্বায়ত্তশাসন হারায়। বিজেপি সরকার এটিকে প্রাক্তন ভারত-শাসিত জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য থেকে আলাদা করে উভয় অঞ্চলের ওপর সরাসরি শাসন আরোপ করে।

লাদাখের জনসংখ্যা প্রায় ৩ লাখ এবং এটি চীন ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় নয়াদিল্লির জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। লেহ অঞ্চল – যেখানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, শহরটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অধ্যুষিত। তারা কয়েক দশক ধরে তাদের জনগণের জন্য একটি পৃথক রাজ্যের দাবি করে আসছে। এদিকে, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কার্গিল জেলা ঐতিহাসিকভাবে ভারত-শাসিত কাশ্মীরের সঙ্গে একীভূত হতে চেয়েছিল।

কিন্তু ২০১৯ সাল থেকে উভয় সম্প্রদায় লাদাখের রাজ্যত্ব পুনরুদ্ধারের দাবিতে একত্রিত হয়েছে। পাশাপাশি বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে, যা তাদের চাকরি এবং জমির নিয়ন্ত্রণ দেবে।

এতে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা বিজেপির স্থানীয় অফিসে আক্রমণ করেছে, ভবনে আগুন দিয়েছে এবং একটি পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে। এর ফলে কমপক্ষে ৩০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদ সংস্থাগুলোর তথ্য অনুসারে, পুলিশ গুলি ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে, যার ফলে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী আহত হয়। চার জন গুরুতর আহত হন এবং পরে মারা যান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আত্মরক্ষার জন্য পুলিশকে গুলি চালাতে হয়েছিল, যার ফলে দুর্ভাগ্যবশত কিছু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।’

প্রভাবশালী ধর্মীয় সংগঠন লাদাখ বৌদ্ধ সমিতির প্রধান ছেড়িং দর্জে লাকরুক বলেন, লাদাখের তরুণরা সহিংসতার বিরুদ্ধে। কিন্তু তারা গভীরভাবে হতাশ, কারণ সরকার বারবার সংলাপ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে এবং এই অঞ্চলে বেকারত্ব ক্রমশ বাড়ছে।

প্রসঙ্গত, ভারত লাদাখে বিশাল সেনা মোতায়েন রেখেছে। ২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় এক সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন ভারতীয় এবং চার জন চীনা সৈন্য নিহত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এনএন/ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ভারতের লাদাখে বিক্ষোভ-সহিংসতায় প্রাণহানির পর কারফিউ জারি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ভারতের লাদাখে বিক্ষোভ-সহিংসতায় প্রাণহানির পর কারফিউ জারি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] নয়াদিল্লি, ২৫ সেপ্টেম্বর – লাদাখে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রসহ বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার পর লেহ এবং কারগিল জেলায় ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী কারফিউ জারি করেছে। বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বুধবারের (২৪ সেপ্টেম্বর) অস্থিরতায় পুলিশের গাড়ি পোড়ানো ছাড়াও ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একটি অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে।ভারত সরকার বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া সোনম ওয়াংচুককে ‘সহিংসতা উস্কে দেওয়ার জন্য’ দোষারোপ করেছে। তবে তিনি এই দাবি অস্বীকার করেছেন।মুসলিম ও বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর পাহাড়ি মরুভূমি লাদাখ ২০১৯ সালে আধা-স্বায়ত্তশাসন হারায়। বিজেপি সরকার এটিকে প্রাক্তন ভারত-শাসিত জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য থেকে আলাদা করে উভয় অঞ্চলের ওপর সরাসরি শাসন আরোপ করে।লাদাখের জনসংখ্যা প্রায় ৩ লাখ এবং এটি চীন ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় নয়াদিল্লির জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। লেহ অঞ্চল – যেখানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, শহরটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অধ্যুষিত। তারা কয়েক দশক ধরে তাদের জনগণের জন্য একটি পৃথক রাজ্যের দাবি করে আসছে। এদিকে, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কার্গিল জেলা ঐতিহাসিকভাবে ভারত-শাসিত কাশ্মীরের সঙ্গে একীভূত হতে চেয়েছিল।কিন্তু ২০১৯ সাল থেকে উভয় সম্প্রদায় লাদাখের রাজ্যত্ব পুনরুদ্ধারের দাবিতে একত্রিত হয়েছে। পাশাপাশি বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে, যা তাদের চাকরি এবং জমির নিয়ন্ত্রণ দেবে।এতে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা বিজেপির স্থানীয় অফিসে আক্রমণ করেছে, ভবনে আগুন দিয়েছে এবং একটি পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে। এর ফলে কমপক্ষে ৩০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।স্থানীয় সংবাদ সংস্থাগুলোর তথ্য অনুসারে, পুলিশ গুলি ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে, যার ফলে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী আহত হয়। চার জন গুরুতর আহত হন এবং পরে মারা যান।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আত্মরক্ষার জন্য পুলিশকে গুলি চালাতে হয়েছিল, যার ফলে দুর্ভাগ্যবশত কিছু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।’প্রভাবশালী ধর্মীয় সংগঠন লাদাখ বৌদ্ধ সমিতির প্রধান ছেড়িং দর্জে লাকরুক বলেন, লাদাখের তরুণরা সহিংসতার বিরুদ্ধে। কিন্তু তারা গভীরভাবে হতাশ, কারণ সরকার বারবার সংলাপ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে এবং এই অঞ্চলে বেকারত্ব ক্রমশ বাড়ছে।প্রসঙ্গত, ভারত লাদাখে বিশাল সেনা মোতায়েন রেখেছে। ২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় এক সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন ভারতীয় এবং চার জন চীনা সৈন্য নিহত হয়।সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালএনএন/ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×