মহেশখালীতে পুলিশের উপর সশস্ত্র হামলা ও চাঞ্চল্যকর তোফায়েল হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মহেশখালী থানা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চারটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র। পৃথক দুটি অভিযানে বান্দরবান ও মহেশখালীর কালারমারছড়া থেকে এই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে মহেশখালী থানা পুলিশের টহল দলের ওপর সশস্ত্র হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও একাধিক মামলার পলাতক আসামি আবু সৈয়দ (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালী থানা পুলিশের একটি চৌকস দল বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আবু সৈয়দ তার অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং তার কাছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কথা জানায়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কালারমারছড়ার ইউনুসখালী এলাকায় তার বসতবাড়ি থেকে একটি একনালা বন্দুক, দুটি এলজি এবং তিনটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে কালারমারছড়ার আফজলিয়া পাড়া এলাকায় আবু সৈয়দের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী পুলিশের টহল গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় মহেশখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং পুলিশ জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।
শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ
অপর একটি পৃথক অভিযানে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঞ্জুরুল হকের নেতৃত্বে কালারমারছড়া থেকে তোফায়েল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বায়তুল্লাহ এবং আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বায়তুল্লাহর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তার কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হক জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




মন্তব্য করুন