হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মহেশখালীতে যৌথ বাহিনীর অভিযান, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:১০ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সন্ত্রাস, অপহরণ, ডাকাতি ও অবৈধ অস্ত্রের দৌরাত্ম প্রতিরোধে র‌্যাব-১৫ এর নেতৃত্বে র‌্যাব, নৌবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে এক বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গলে পরিচালিত এ অভিযানে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান এবং বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. কামরুল হাসান, পিএসসি (আর্টিলারি) এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সম্প্রতি মহেশখালীর পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যায়। আটককৃত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা একাধিকবার স্বীকার করেছে যে, এসব অস্ত্রের বড় উৎস মহেশখালী। দুর্গম পাহাড়ের গভীরে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ কারখানায় প্রতিনিয়ত প্রাণঘাতী অস্ত্র তৈরি হচ্ছে এবং তা ছড়িয়ে পড়ছে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়।

তিনি আরও বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভোরে পরিচালিত অভিযানে ২৫০ জন র‌্যাব, নৌবাহিনী ও পুলিশের সদস্য অংশ নেন। অভিযানে একনলা বন্দুক ৪টি, দেশীয় তৈরি এলজি ৩টি, ডামি এলজি ৩টি, শটগানের ৬ রাউন্ড কার্তুজ, ৭.৬২ ব্লাঙ্ক অ্যামুনিশন ৩ রাউন্ড, এমজি লাইভ অ্যামুনিশন ৮ রাউন্ড, রাইফেলের ১৩ রাউন্ড অ্যামুনিশন এবং ৬০ থেকে ৮০ মিটার বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

অধিনায়ক কামরুল হাসান আরও জানান, মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল সন্ত্রাসী ও ডাকাতদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে আছে। সেখানে ভ্রাম্যমাণ অস্ত্র কারখানা ও অপরাধীদের আস্তানা গড়ে উঠেছে। এ সব অপরাধীদের দৌরাত্ম নির্মূল ও দ্বীপবাসীর আতঙ্ক দূর করতে র‌্যাব-১৫ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করেছে।

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “অভিযান পরিচালিত এলাকায় যেন পুনরায় সন্ত্রাসী বা ডাকাতরা আশ্রয় গড়ে তুলতে না পারে সে বিষয়ে র‌্যাব বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসী কার্যক্রম নির্মূলে নিয়মিত বিরতিতে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

###

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মহেশখালীতে যৌথ বাহিনীর অভিযান, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মহেশখালীতে যৌথ বাহিনীর অভিযান, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:১০ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের মহেশখালীতে সন্ত্রাস, অপহরণ, ডাকাতি ও অবৈধ অস্ত্রের দৌরাত্ম প্রতিরোধে র‌্যাব-১৫ এর নেতৃত্বে র‌্যাব, নৌবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে এক বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গলে পরিচালিত এ অভিযানে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান এবং বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. কামরুল হাসান, পিএসসি (আর্টিলারি) এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সম্প্রতি মহেশখালীর পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যায়। আটককৃত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা একাধিকবার স্বীকার করেছে যে, এসব অস্ত্রের বড় উৎস মহেশখালী। দুর্গম পাহাড়ের গভীরে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ কারখানায় প্রতিনিয়ত প্রাণঘাতী অস্ত্র তৈরি হচ্ছে এবং তা ছড়িয়ে পড়ছে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। তিনি আরও বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভোরে পরিচালিত অভিযানে ২৫০ জন র‌্যাব, নৌবাহিনী ও পুলিশের সদস্য অংশ নেন। অভিযানে একনলা বন্দুক ৪টি, দেশীয় তৈরি এলজি ৩টি, ডামি এলজি ৩টি, শটগানের ৬ রাউন্ড কার্তুজ, ৭.৬২ ব্লাঙ্ক অ্যামুনিশন ৩ রাউন্ড, এমজি লাইভ অ্যামুনিশন ৮ রাউন্ড, রাইফেলের ১৩ রাউন্ড অ্যামুনিশন এবং ৬০ থেকে ৮০ মিটার বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়। অধিনায়ক কামরুল হাসান আরও জানান, মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল সন্ত্রাসী ও ডাকাতদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে আছে। সেখানে ভ্রাম্যমাণ অস্ত্র কারখানা ও অপরাধীদের আস্তানা গড়ে উঠেছে। এ সব অপরাধীদের দৌরাত্ম নির্মূল ও দ্বীপবাসীর আতঙ্ক দূর করতে র‌্যাব-১৫ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করেছে। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “অভিযান পরিচালিত এলাকায় যেন পুনরায় সন্ত্রাসী বা ডাকাতরা আশ্রয় গড়ে তুলতে না পারে সে বিষয়ে র‌্যাব বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসী কার্যক্রম নির্মূলে নিয়মিত বিরতিতে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।” ###

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×