হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মুমিনের ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি ও শয়তানকে দুর্বল করে ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২ এপ্রিল – ‘আল্লাহু আকবার’ অত্যন্ত বরকতপূর্ণ ও শক্তিশালী একটি শব্দগুচ্ছ। এই পবিত্র ধ্বনির মাধ্যমে মুমিন মুসলমানদের ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম হলো তাঁর বড়ত্ব ও মহিমা ঘোষণা করা। পবিত্র কোরআনের বহু আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের তাকবির তথা তাঁর বড়ত্ব ঘোষণার নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনের সুরা বনি ইসরাঈলের ১১১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, সব প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে তাঁর কোনো শরিক নেই এবং অপমান থেকে বাঁচতে তাঁর কোনো অভিভাবকের দরকার নেই।

সুতরাং পূর্ণরূপে তাঁর বড়ত্ব ঘোষণা করতে হবে। ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনির একটি বিশেষ দিক হলো এটি শয়তানকে অত্যন্ত দুর্বল ও অসহায় করে দেয়। প্রতিদিন মুয়াজ্জিন যখন এই ধ্বনি দিয়ে আজান শুরু করেন, তখন তা শয়তানের অন্তরে ভীতির সঞ্চার করে। হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে যে, আজানের ধ্বনি শয়তানের জন্য এক অসহনীয় যন্ত্রণা। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন নামাজের জন্য আজান দেওয়া হয়, তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ত্যাগ করতে করতে পলায়ন করে, যাতে সে আজানের শব্দ শুনতে না পায়। আজান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে।

আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা

আবার যখন নামাজের জন্য ইকামত বলা হয়, তখন সে পুনরায় দূরে সরে যায়। ইকামত শেষ হলে সে আবার ফিরে এসে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয় এবং নানা জাগতিক বিষয় স্মরণ করিয়ে দিয়ে নামাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে। বোখারি শরিফের ৬০৮ নম্বর হাদিসে এই বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। এই হাদিস থেকে স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা যায় যে, মুয়াজ্জিন যখন ‘আল্লাহু আকবার’ বলে মানুষকে ইবাদতের আহবান জানান, তখন শয়তান চরম লাঞ্ছনার শিকার হয়। আল্লাহর মহিমা ঘোষণার এই ধ্বনি তার কাছে এতটাই অসহনীয় যে, সে তা শোনা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে দ্রুত পলায়ন করে।

ইকামতের সময়ও আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা হয় বলে শয়তান দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে পবিত্র ধ্বনি থেমে গেলেই সে আবারও মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেওয়ার সুযোগ খোঁজে। তার মূল কাজই হলো মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে জাহান্নামের পথে পরিচালিত করা। কিন্তু আল্লাহর নামের ধ্বনির সামনে তার এই হীন কৌশল দুর্বল হয়ে পড়ে। আজান শুধু শয়তানকে দূরেই সরিয়ে দেয় না, বরং আশপাশের পরিবেশকে পবিত্র করে এবং মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে।

তাই যে সমাজে নিয়মিত আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয়, সেখানে শয়তানের প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকে। ‘আল্লাহু আকবার’ মাত্র দুই শব্দের একটি বাক্য হলেও এটি মুমিনের জীবনে বিশাল এক শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। তাকবির মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, একমাত্র আল্লাহই সবচেয়ে বড় এবং সর্বশক্তিমান। এর ফলে মানুষের অন্তরে তাকওয়া, সাহস ও প্রশান্তি জাগ্রত হয় এবং ভয় ও হতাশা দূর হয়ে হৃদয় পুরোপুরি আল্লাহমুখী হয়।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মুমিনের ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি ও শয়তানকে দুর্বল করে ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মুমিনের ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি ও শয়তানকে দুর্বল করে ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২ এপ্রিল – ‘আল্লাহু আকবার’ অত্যন্ত বরকতপূর্ণ ও শক্তিশালী একটি শব্দগুচ্ছ। এই পবিত্র ধ্বনির মাধ্যমে মুমিন মুসলমানদের ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম হলো তাঁর বড়ত্ব ও মহিমা ঘোষণা করা। পবিত্র কোরআনের বহু আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের তাকবির তথা তাঁর বড়ত্ব ঘোষণার নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনের সুরা বনি ইসরাঈলের ১১১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, সব প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে তাঁর কোনো শরিক নেই এবং অপমান থেকে বাঁচতে তাঁর কোনো অভিভাবকের দরকার নেই।সুতরাং পূর্ণরূপে তাঁর বড়ত্ব ঘোষণা করতে হবে। ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনির একটি বিশেষ দিক হলো এটি শয়তানকে অত্যন্ত দুর্বল ও অসহায় করে দেয়। প্রতিদিন মুয়াজ্জিন যখন এই ধ্বনি দিয়ে আজান শুরু করেন, তখন তা শয়তানের অন্তরে ভীতির সঞ্চার করে। হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে যে, আজানের ধ্বনি শয়তানের জন্য এক অসহনীয় যন্ত্রণা। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন নামাজের জন্য আজান দেওয়া হয়, তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ত্যাগ করতে করতে পলায়ন করে, যাতে সে আজানের শব্দ শুনতে না পায়। আজান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে।আবার যখন নামাজের জন্য ইকামত বলা হয়, তখন সে পুনরায় দূরে সরে যায়। ইকামত শেষ হলে সে আবার ফিরে এসে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয় এবং নানা জাগতিক বিষয় স্মরণ করিয়ে দিয়ে নামাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে। বোখারি শরিফের ৬০৮ নম্বর হাদিসে এই বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। এই হাদিস থেকে স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা যায় যে, মুয়াজ্জিন যখন ‘আল্লাহু আকবার’ বলে মানুষকে ইবাদতের আহবান জানান, তখন শয়তান চরম লাঞ্ছনার শিকার হয়। আল্লাহর মহিমা ঘোষণার এই ধ্বনি তার কাছে এতটাই অসহনীয় যে, সে তা শোনা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে দ্রুত পলায়ন করে।ইকামতের সময়ও আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা হয় বলে শয়তান দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে পবিত্র ধ্বনি থেমে গেলেই সে আবারও মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেওয়ার সুযোগ খোঁজে। তার মূল কাজই হলো মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে জাহান্নামের পথে পরিচালিত করা। কিন্তু আল্লাহর নামের ধ্বনির সামনে তার এই হীন কৌশল দুর্বল হয়ে পড়ে। আজান শুধু শয়তানকে দূরেই সরিয়ে দেয় না, বরং আশপাশের পরিবেশকে পবিত্র করে এবং মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে।তাই যে সমাজে নিয়মিত আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয়, সেখানে শয়তানের প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকে। ‘আল্লাহু আকবার’ মাত্র দুই শব্দের একটি বাক্য হলেও এটি মুমিনের জীবনে বিশাল এক শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। তাকবির মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, একমাত্র আল্লাহই সবচেয়ে বড় এবং সর্বশক্তিমান। এর ফলে মানুষের অন্তরে তাকওয়া, সাহস ও প্রশান্তি জাগ্রত হয় এবং ভয় ও হতাশা দূর হয়ে হৃদয় পুরোপুরি আল্লাহমুখী হয়। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×