হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মেয়ের জামাইয়ের পিটুনিতে জ্ঞান হারালো শ্বাশুড়ী

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪, ০৮:০৬ অপরাহ্ন

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি::

কক্সবাজারের পেকুয়ায় মুঠোফোনে বাড়িতে ডেকে নিয়ে শ্বাশুড়ীকে নিষ্টুরভাবে পিটিয়েছে আপন মেয়ের জামাই। এসময় লোহার রড়ের এলোপাতাড়ি আঘাতে জ্ঞান হারান তিনি।

পরে স্থানীয় ইউপির সদস্য ও গ্রাম পুলিশ গিয়ে তাকে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহত মহিলার নাম খতিজা বেগম (৫৫)।

তিনি উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মগঘোনা এলাকার শামসুল আলমের স্ত্রী। বুধবার (৯জুলাই) দুপুর ১টার দিকে সদর ইউনিয়নের পশ্চিম গোঁয়াখালী মাতবর পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান

জানাগেছে, আড়াই বছর আগে মাতবর পাড়া এলাকার আব্বাস উদ্দিন এর ছেলে ইউনুসের সাথে মগনামা ইউপির মগঘোনা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে তাসফিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। ওই দম্পতির ১বছর বয়সের শিশু সন্তান রয়েছে।

তাসফিয়ার ছোট বোন তানজিনা বলেন, দুপুরের দিকে বাড়িতে একটু সমস্যা হয়েছে বলে দুলাভাই ইউনুস মোবাইল করে মাকে তার বাড়িতে যেতে বলেন। আমি ও আমার মা পেকুয়া সরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বোনের বাড়িতে যাই। বাড়িতে পৌঁছার সাথে সাথে বিশ্রি ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে ইউনুস । তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে বাড়ির একটি কক্ষে আটকিয়ে মাকে লাথি, ঘুষি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে ইউনুস ও তার বোন মিলি আক্তার। এসময় থামানোর চেষ্টা করলে আমাকেও চুলের মুঠি ধরে মারধর করে। পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ কল করলে বিকেলে মেম্বার ও এলাকাবাসি গিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

ইউনুসের স্ত্রী তাসফিয়া আক্তার বলেন, যৌতুকের জন্য স্বামী ও শশ্বর বাড়ির লোকজন আমাকে বিয়ের পর থেকে নির্যাতন করে আসছিল। গত ১৫দিনে আমাকে তিন দফা মারধর করে। সকালেও মারধর করে স্বামী ইউনুস। আমার মা ও স্কুল পড়ুয়া ছোট বোনকে বাড়িতে ডেকে এনে অমানবিক মারধর করে ইউনুস ও ননদ মিলি আক্তার। এসময় তাদের মারধরের আঘাতে মা অজ্ঞান হয়ে পড়ে। হাসপাতালে নিতে চাইলে বাধা দেয়।

স্থানীয় ইউপির সদস্য নুরুল আজিম বলেন, থানা থেকে পুলিশ অবগত করলে গ্রাম পুলিশকে নিয়ে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। মেয়ের জামাই মারধর করেছে। ঘটনাটি দুঃখজনক।

পেকুয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইজ উদ্দিন বলেন,স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মেয়ের জামাইয়ের পিটুনিতে জ্ঞান হারালো শ্বাশুড়ী

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মেয়ের জামাইয়ের পিটুনিতে জ্ঞান হারালো শ্বাশুড়ী

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
Print Image
পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:: কক্সবাজারের পেকুয়ায় মুঠোফোনে বাড়িতে ডেকে নিয়ে শ্বাশুড়ীকে নিষ্টুরভাবে পিটিয়েছে আপন মেয়ের জামাই। এসময় লোহার রড়ের এলোপাতাড়ি আঘাতে জ্ঞান হারান তিনি। পরে স্থানীয় ইউপির সদস্য ও গ্রাম পুলিশ গিয়ে তাকে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহত মহিলার নাম খতিজা বেগম (৫৫)। তিনি উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মগঘোনা এলাকার শামসুল আলমের স্ত্রী। বুধবার (৯জুলাই) দুপুর ১টার দিকে সদর ইউনিয়নের পশ্চিম গোঁয়াখালী মাতবর পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানাগেছে, আড়াই বছর আগে মাতবর পাড়া এলাকার আব্বাস উদ্দিন এর ছেলে ইউনুসের সাথে মগনামা ইউপির মগঘোনা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে তাসফিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। ওই দম্পতির ১বছর বয়সের শিশু সন্তান রয়েছে। তাসফিয়ার ছোট বোন তানজিনা বলেন, দুপুরের দিকে বাড়িতে একটু সমস্যা হয়েছে বলে দুলাভাই ইউনুস মোবাইল করে মাকে তার বাড়িতে যেতে বলেন। আমি ও আমার মা পেকুয়া সরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বোনের বাড়িতে যাই। বাড়িতে পৌঁছার সাথে সাথে বিশ্রি ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে ইউনুস । তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে বাড়ির একটি কক্ষে আটকিয়ে মাকে লাথি, ঘুষি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে ইউনুস ও তার বোন মিলি আক্তার। এসময় থামানোর চেষ্টা করলে আমাকেও চুলের মুঠি ধরে মারধর করে। পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ কল করলে বিকেলে মেম্বার ও এলাকাবাসি গিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। ইউনুসের স্ত্রী তাসফিয়া আক্তার বলেন, যৌতুকের জন্য স্বামী ও শশ্বর বাড়ির লোকজন আমাকে বিয়ের পর থেকে নির্যাতন করে আসছিল। গত ১৫দিনে আমাকে তিন দফা মারধর করে। সকালেও মারধর করে স্বামী ইউনুস। আমার মা ও স্কুল পড়ুয়া ছোট বোনকে বাড়িতে ডেকে এনে অমানবিক মারধর করে ইউনুস ও ননদ মিলি আক্তার। এসময় তাদের মারধরের আঘাতে মা অজ্ঞান হয়ে পড়ে। হাসপাতালে নিতে চাইলে বাধা দেয়। স্থানীয় ইউপির সদস্য নুরুল আজিম বলেন, থানা থেকে পুলিশ অবগত করলে গ্রাম পুলিশকে নিয়ে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। মেয়ের জামাই মারধর করেছে। ঘটনাটি দুঃখজনক। পেকুয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইজ উদ্দিন বলেন,স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×