হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন গৃহকর্মীর প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর – রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি ফ্ল্যাটে মা–মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন গৃহকর্মী ‘আয়েশা’র প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, অভিযুক্ত তরুণীর প্রকৃত নাম ও তার স্বামীর পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। তবে গ্রেপ্তারের পরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদেই এই নৃশংস জোড়া হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যেতে পারে।

আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

সোমবার সকালে শাহজাহান রোডের ওই ভবনের সপ্তম তলায় লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তাঁর মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়াকে (১৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। পরিবারের অভিযোগ চার দিন আগে ‘আয়েশা’ নামে কাজ নেওয়া ২০–২২ বছর বয়সী ওই তরুণীই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, খুনের পর বাসা থেকে মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট হয়েছে।

ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের পর আয়েশা নাফিসার স্কুলড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। তিনি সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে কাজে ঢুকেছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী স্কুলশিক্ষক আ জ ম আজিজুল ইসলাম মোহাম্মদপুর থানায় গৃহকর্মী ‘আয়েশা’কে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

তিনি জানান, সোমবার সকালে তিনি স্কুলে চলে যাওয়ার পর স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। বাসায় ফিরে দেখেন স্ত্রী ও মেয়ের রক্তাক্ত লাশ।

সুরতহাল প্রতিবেদন অনুযায়ী, লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি ছুরিকাঘাত ছিল। মেয়ের শরীরে ছিল ৪টি ছুরিকাঘাত।

ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল তাদের মরদেহ নাটোর পৌরসভার দক্ষিণ বড়গাছায় দাফন করা হয়েছে।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন গৃহকর্মীর প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন গৃহকর্মীর প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর – রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি ফ্ল্যাটে মা–মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন গৃহকর্মী ‘আয়েশা’র প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, অভিযুক্ত তরুণীর প্রকৃত নাম ও তার স্বামীর পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। তবে গ্রেপ্তারের পরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদেই এই নৃশংস জোড়া হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যেতে পারে।সোমবার সকালে শাহজাহান রোডের ওই ভবনের সপ্তম তলায় লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তাঁর মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়াকে (১৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। পরিবারের অভিযোগ চার দিন আগে ‘আয়েশা’ নামে কাজ নেওয়া ২০–২২ বছর বয়সী ওই তরুণীই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে।এজাহার অনুযায়ী, খুনের পর বাসা থেকে মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট হয়েছে।ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের পর আয়েশা নাফিসার স্কুলড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। তিনি সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে কাজে ঢুকেছিলেন।হত্যাকাণ্ডের পর নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী স্কুলশিক্ষক আ জ ম আজিজুল ইসলাম মোহাম্মদপুর থানায় গৃহকর্মী ‘আয়েশা’কে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন।তিনি জানান, সোমবার সকালে তিনি স্কুলে চলে যাওয়ার পর স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। বাসায় ফিরে দেখেন স্ত্রী ও মেয়ের রক্তাক্ত লাশ।সুরতহাল প্রতিবেদন অনুযায়ী, লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি ছুরিকাঘাত ছিল। মেয়ের শরীরে ছিল ৪টি ছুরিকাঘাত।ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল তাদের মরদেহ নাটোর পৌরসভার দক্ষিণ বড়গাছায় দাফন করা হয়েছে।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×