ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর – বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আজ যাঁরা বিপ্লব করতে চান, সমাজ বদলাতে চান, সাধারণ মানুষের অবস্থার পরিবর্তন করতে চান, তাঁদের সেই সংগঠনকে অবশ্যই শক্তিশালী করতে হবে, আরো মজবুত করতে হবে। একেবারে মানুষের কাছে চলে যেতে হবে—তাহলেই সেটা সম্ভব হবে।’
গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাংলা একাডেমির সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে বদরুদ্দীন উমরের মৃত্যুতে আয়োজিত শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও
বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কমরেড বদরুদ্দীন উমরের সঙ্গে আমার খুব বেশি মেলামেশা করার সুযোগ হয়নি। উপদেষ্টা আবরার সাহেবের বাসায় গিয়েছিলাম, সেখানে তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বদরুদ্দীন উমর জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তাঁর আদর্শ ও সংগ্রামের সঙ্গে কখনো আপস করেননি। আমরা যারা আজ রাজনীতি করছি, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা রাখি। কারণ তিনি কখনো আপস করেননি। তবে নতুন প্রজন্ম উমর সাহেবের কাছ থেকে কতটুকু নিতে পেরেছে, সেটা আমার জানা নেই।’
শোকসভার শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে বদরুদ্দীন উমরের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এতে কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বদরুদ্দীন উমরের মতো মানুষ আবার কবে আসবেন, জানি না। তবে চাই, আমাদের রাজনীতি ও নেতৃত্বে তাঁর মাপের গুণাবলির বিকাশ হোক। তাহলে সমাজ, রাজনীতি ও দেশ গুণগতভাবে বদলে যাবে।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বাহাত্তর-পঁচাত্তর সালে যখন দোর্দণ্ড ত্রাসের শাসন চলছিল, সেই সময়ে বদরুদ্দীন উমর প্রায় একাই আওয়ামী শাসনের কর্তৃত্ববাদী চেহারা উন্মোচন করেছেন। তিনি যা কিছু লিখেছেন, রাজনীতির প্রয়োজনে লিখেছেন। দেশের মানুষের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে তাঁর লেখা ও কাজ দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।’
সূত্র: কালের কণ্ঠ
এনএন/ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন