ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারি – বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে দরপতন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার কদর বেড়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনা ও রুপাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা যাচ্ছে।
শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিটে স্পট মার্কেটে সোনার দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮৯৩ দশমিক ৫৯ ডলারে উন্নীত হয়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯১৪ দশমিক ১০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
হাসপাতালে ভর্তি শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
এদিকে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে রুপার দামও বেড়েছে। প্রতি আউন্স রুপার দাম ৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ৭৪ দশমিক ৩৭ ডলারে পৌঁছেছে। সাপ্তাহিক হিসাবে সোনার দাম সামান্য বাড়লেও রুপার ক্ষেত্রে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। গত সপ্তাহে রুপার বড় দরপতনের পর চলতি সপ্তাহেও ১২ শতাংশের বেশি কমেছে, যা ২০১১ সালের পর এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ পতন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অন্যান্য ধাতুর মধ্যে প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৯৯ দশমিক ১৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৭৩ দশমিক ০৯ ডলার হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারেও। বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট মানের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকায় দাঁড়িয়েছে।




মন্তব্য করুন