দামেস্ক, ০৫ জানুয়ারি – সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর পুনরুত্থান রোধের জন্য ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য রোববার (৪ জানুয়ারি) যৌথভাবে বিমান হামলা চালিয়েছে।
ফ্রান্স জানিয়েছে, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক সামরিক অভিযান অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ-এর অংশ হিসেবে হয়েছে। এই অভিযানের আওতায় ইরাক, সিরিয়া ও লিবিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে।
ইসরায়েল নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে, জয়ের পেছনে নিজের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবার রাতে ফ্রান্সের সঙ্গে সমন্বয় করে সিরিয়ায় একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে, যা আইএস অস্ত্র মজুদের জন্য ব্যবহার করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্রান্সের সঙ্গে যৌথ অভিযানে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের বিমানগুলো দায়েশের বিরুদ্ধে সফল হামলা চালিয়েছে। এখানে দায়েশ শব্দটি আইএস-এর আরবি সংক্ষিপ্ত নাম।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই স্থাপনাটি দায়েশের দখলে ছিল এবং সম্ভবত অস্ত্র ও বিস্ফোরক সংরক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। স্থাপনাটির আশেপাশে কোনো বেসামরিক বসতি নেই।
বিবৃতিতে বলা হয়, দায়েশের পুনরুত্থান রোধ করা এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
২০১৯ সালে সিরিয়ায় আইএসকে ভূখণ্ডগতভাবে পরাজিত করা হলেও সংগঠনটি এখনও দেশের বিস্তীর্ণ মরুভূমি এলাকায় সক্রিয় আছে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে এক বছরেরও বেশি সময় আগে ক্ষমতাচ্যুত করার পর বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা, যিনি একসময় নিজেও জিহাদি ছিলেন, সিরিয়ায় নিরাপত্তা জোরদারের চেষ্টা করছেন। এই পরিস্থিতিতে আইএসকে আবার শক্তিশালী হতে বাধা দেওয়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি বড় অগ্রাধিকার।
ইউনেস্কো ঘোষিত প্রাচীন নিদর্শনের শহর পালমিরা একসময় জিহাদি যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
এর জবাবে মার্কিন বাহিনী সিরিয়ায় আইএসের বহু লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে।
এনএন/ ০৫ জানুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন