হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রাজধানীতে জ্বালানি তেল কেনার হিড়িক, যানবাহনের জন্য কোটা বেধে দিল বিপিসি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন


ঢাকা, ৭ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হতে পারে, এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন যানবাহনের চালকরা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের ধারাবাহিকতায় শনিবারও ঢাকার বিভিন্ন পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রির পাম্পগুলোতে গাড়ির অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। এই ভিড় অনেক স্থানে মূল সড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

কিছু পাম্পে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে সাময়িকভাবে তেল বিক্রি বন্ধ রাখতেও দেখা গেছে। শনিবার সকালে মহাখালী ও বিজয় সরণিসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশন ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ ক্রেতাই গাড়ির ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে তেল কিনছেন। এতে পাম্পগুলোতে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি বা সরবরাহ কমানোর কোনো সরকারি নির্দেশনা নেই। সরকার আশ্বস্ত করেছে যে দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি যানবাহনে তেল বিক্রির নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহ করা যাবে। এছাড়া জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস ও ট্রাকের জন্য ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। মূলত গুজবের কারণে হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ছুটির দিনেও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন পাম্প কর্মীরা।

এস এম/ ৭ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

রাজধানীতে জ্বালানি তেল কেনার হিড়িক, যানবাহনের জন্য কোটা বেধে দিল বিপিসি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রাজধানীতে জ্বালানি তেল কেনার হিড়িক, যানবাহনের জন্য কোটা বেধে দিল বিপিসি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৭ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হতে পারে, এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন যানবাহনের চালকরা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের ধারাবাহিকতায় শনিবারও ঢাকার বিভিন্ন পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রির পাম্পগুলোতে গাড়ির অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। এই ভিড় অনেক স্থানে মূল সড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।কিছু পাম্পে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে সাময়িকভাবে তেল বিক্রি বন্ধ রাখতেও দেখা গেছে। শনিবার সকালে মহাখালী ও বিজয় সরণিসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশন ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ ক্রেতাই গাড়ির ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে তেল কিনছেন। এতে পাম্পগুলোতে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি বা সরবরাহ কমানোর কোনো সরকারি নির্দেশনা নেই। সরকার আশ্বস্ত করেছে যে দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি যানবাহনে তেল বিক্রির নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহ করা যাবে। এছাড়া জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস ও ট্রাকের জন্য ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। মূলত গুজবের কারণে হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ছুটির দিনেও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন পাম্প কর্মীরা।এস এম/ ৭ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×